নিজস্ব প্রতিবেদক: করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে এবং দেশের জনগণকে করোনায় এই ভয়াবহ অবস্থা থেকে রক্ষা করতে ১জুলাই হতে সরকার সারাদেশে একযোগে কঠোর লকডাউন ঘোষনা করেছেন। আর এই লকডাউন সফল করতে এবার কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে সরকার। বন্ধ রয়েছে প্যণবাহী যানবাহন ছাড়া সকল প্রকার যানবাহন।
এছাড়াও নিত্য প্রয়োজণীয় পণ্যের দোকান, কাঁচা বাজার ও শিল্প কারখানা এবং জরুরী সেবার অফিস ছাড়া সকল সরকারী বেসরকারী অফিস-আদালতও রয়েছে বন্ধ। কঠোর নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে জনগণের চলাচল। অতি প্রয়োজন ছাড়া কাউকে আইন শৃংখলা বাহিনীর সদস্যরা ঘর থেকে বের হতে দিচ্ছে না। প্রয়োজনে বের হলেও বিভিন্ন মোড়ে মোড়ে পড়তে হচ্ছে তাদের বাধা ও জেরায়। আবার কখনো কখনো গুনতে হচ্ছে জরিমানার টাকা।
এই অবস্থায় রাজশাহী মহানগরীর চলমান লকডাউনের অবস্থা পরিদর্শনে আসেন রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার আবু কালাম সিদ্দিক। আজ শনিবার (৩জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নগরীর সাহেব বাজারসহ বিভিন্ন মোড় পরিদর্শন করে বিন্দুর মোড় হয়ে অফিসের দিকে চলে যান। এসময়ে তিনি নিজে চলমান অটোরিক্সা, মাইক্রো, কার ও মোটর সাইকেল চলাচলে বাধা প্রদানের জন্য উপস্থিত পুলিশ সদস্যদের নির্দেশ দেন। সেইসাথে বিনা প্রয়োজনে তাদের বাড়ির বাহিরের না আসার পরামর্শ দেন তিনি।
পরিদর্শনের সময় তিনি বলেন, সরকার দেশের অনেক ক্ষতি করে সাত দিনের কঠোর লকডাউন ঘোষনা করেছেন। সরকারের নির্দেশনা পুলিশ বিভাগ যথাযথভাবে পালন করে যাচ্ছে। এই লকডাউনে পুলিশের পাশাপাশি অন্যান্য আইনশৃংখলাবাহিনীর সদস্যরাও সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে। সবার একটাই উদ্দেশ্য জনগণকে এই মহামারী করোনা থেকে বাঁচানো।
তিনি বলেন জনগণকে বাঁচাতে আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্যরা নিজের জীবন বাজি রেখে ঝড় বৃষ্টি মাথায় নিয়ে চব্বিশ ঘন্টা মাঠে কাজ করে যাচ্ছেন। তাদের কথা, নিজেদের কথা, পরিবারের সদস্যদের কথা ও সর্বোপিরি দেশের কথা চিন্তা করে রাজশাহীবাসীসহ দেশের সকল মানুষকে অন্তত এই সাতটি দিন ঘরে থাকার আহবান জানান তিনি। সেইসাথে সরকারী নিদের্শনা মেনে চলার পরামর্শ দেন পুলিশ কমিশনার।