সোমবার, ২২ এপ্রিল ২০২৪, ০৬:২৬ অপরাহ্ন

বাংলাদেশ শিল্পীদের কল্যাণে সরকার সর্বদা সচেষ্ট, সংস্কৃতি কর্মীদের সাথে মতবিনিময় সভায়: অতিরিক্ত সচিব

  • প্রকাশ সময় সোমবার, ২ অক্টোবর, ২০২৩
  • ৭৩ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: বর্তমান সরকার সংস্কৃতি বান্ধব সরকার। এই সরকার শিল্পিদের কল্যাণে ২০০১সালে বাংলাদেশ শিল্পি কল্যাণ ট্রাস্ট আইন পাস হয়। এরপর অন্য সরকার ক্ষমতায় আসার পরে এর কার্যক্রম আর এগুতে পারেনি। কিন্তু এই সরকার আবারও ২০০৯সালে ক্ষমতায় আসার পরে প্রধানমন্ত্রী আবার উদ্যোগ নেন এবং কার্যক্রম শুরু করার নির্দেশনা দেন। তাঁরই নির্দেশে এবং অর্থায়নে কাজ শুরু করা হয়। সোমবার রাজশাহী বিভাগীয় ক্ষুদ্র নৃগোষ্টির কালচারাল একাডেমির আয়োজনে সংস্কৃতি কর্মীদের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব, বাংলাদেশ শিল্পি কল্যাণ ট্রাস্ট এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক অসীম কুমার দে এই কথাগুলো বলেন।

তিনি বলেন মুলত: করোনা কালীন সময়ে এই ট্রাস্টের মাধ্যমে অসচ্ছল শিল্পিদের সহযোগিতা করা শুরু হয়। বর্তমানে চলমান রয়েছে। তিনি আরো বলেন, এই ট্রাষ্টের মাধ্যমে অস্বচ্ছল সকল ধরনের শিল্পী যেমন, আর্ট শিল্পি, গানের শিল্পী, যাত্রা শিল্পী, আবৃতি শিল্পী, নাচের শিল্পী, বাদ্য বাদক ও তৈরী শিল্পীসহ সৃজনশীল যারা কাজ করেন তারাও শিল্পি হিসেবে এর মধ্যে ধরা হয়েছে। এই শিল্পীরা একবার অনুদান পাওয়া শুরু করলে আজীবন পাবেন। এছাড়াও তাদের মেধাবী সন্তানদের ছষ্ঠ শ্রেণী হতে মাস্টার্স পর্যন্ত লেখাপাড়ার খরচ এই ট্রাস্ট বহন করে। এছাড়াও পিএইডি ও এমফিল করার জন্য ট্রাস্ট টাকা দেয় বলে উল্লেখ করেন তিনি। এই অর্থ পেতে হলে ঢাকার বাহিরে জেলা প্রশাসক, কালাচারাল অফিসার, উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরেআবেদন করার পরামর্শ দেন তিনি।

প্রধান অতিথি আরো বলেন, সংস্কৃতি বিষয়ে সংগঠনগুলো ক্রাইটেরিয়া মোতাবেক অনুদান প্রদান করা হয়। একটি সংগঠন একাধিকবার এখান থেকে অর্থ অনুদান পাবে। তবে বার বার ঐ সংগঠনকে আবেদন করতে হবে জানান তিনি। অত্র একাডেমির উপপরিচালক এর চাহিদা এবং মুক্ত আলোচনা থেকে পাওয়া প্রশ্নের আলোকে তিনি বলেন, রাজশাহী বিভাগীয় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠির কালচারাল একাডেমি অবশ্যই একটি গাড়ি পাওয়ার যোগ্য। এটা কোন বিলাসিতা নয়। তবে এই মুহুর্তে নয়। হয়ত আগামী অর্থ বছরে হতে পারে। এছড়াও অত্র একাডেমিতে অবশ্যই একটি স্টুডিও করা প্রয়োজন বলে উল্লেখ করে তিনি এর ব্যবস্থা করার আশ^াস প্রদান করেন তিনি। সেইসাথে সংস্কৃতি রক্ষায় এবং শিল্পীদের কল্যাণে এই ট্রাস্ট সর্বদা পাশে থাকবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

রাজশাহী বিভাগীয় ক্ষুদ্র নৃগোষ্টির কালচারাল একাডেমির উপপরিচালক কল্যাণ চৌধুরীর সভাপতিত্বে এবং অত্র একাডেমির গবেষণা কর্মকর্তা বেনজামিন টুডুর সঞ্চালনায় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী বিভাগীয় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কালচারাল একাডেমির সদস্য ও সোনার দেশ পত্রিকার সম্পাদক আকবারুল হাসান মিল্লাত, একাডেমির নির্বাহী পরিষদের সদস্য মনোয়ারা পারভীন ও শেলী প্রিসিল্লা বিশ্বাস।

এছাড়াও সংগীত প্রশিক্ষক মানুয়েল সরেন, কবীর আহম্মেদ বিন্দু, নাটক প্রশিক্ষক লুবনা রশিদ সিদ্দিকা ও গবেষণা সহকারী মোহাম্মদ শাজাহানসহ একাডেমির নির্বাহী পরিষদের সাবেক সদস্য, আদিবাসী শিক্ষক, আদিবাসী নেতৃবৃন্দ ও আদিবাসী বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

 

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো নিউজ দেখুন
© All rights reserved © 2021 dailysuprovatrajshahi.com
Developed by: MUN IT-01737779710
Tuhin