নিজস্ব প্রতিবেদক: আর মাত্র দুইদিন পরেই অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে মুসলমানদের সব থেকে বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর (চাঁদ দেখার উপরে নির্ভর) । আর এই ঈদের দিনে সকালে মিষ্টি মুখ করে বাড়ির পুরুষ মানুষরা ঈদগাহে যাবেন নামাজে। এছাড়াও পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা সকালে মিষ্টি মুখ করবে লাচ্ছা-সেমাই দিয়ে। এজন্য বাজারে ধুম পড়েছে লাচ্ছা-সেমাই কেনার। রোববার বেলা ১২টার দিকে রাজশাহী মহানগরীর গণকপাড়ার বেলীফুল রেষ্টুরেন্টের সামনে লাচ্ছা-সেমাই বিক্রি করতে দেখা যায়। সেখানে তেলে ভাজা, ঘিয়ে ভাজা ও কমলা ফ্লেভারের লাচ্ছা-সেমাইসহ খিল সামাই বিক্রি করতে দেখা যায়।
বেলীফুলে ঘিয়ে ভাজা স্পেশাল লাচ্ছা সেমাই প্রতি কেজী ৭৫০, ঘি/ডালডা তিয়ে ভাজা প্রতি কেজী ৫২০টাকা ও ৪৫০টাকা, শুধু ডালডা দিয়ে ভাজা প্রতি কেজি ৩২০টাকা, ওভালটিন কড়াভাজা ৪২০টাকা, ঘি/ডালডা দিয়ে হাফ কেজি প্যাকেট ২৬০টাকা, শুধু ডালডা দিয়ে ভাজা হাফ কেজির প্যাকেট ১৬০টাকা। এছাড়াও ২৫০গ্রাম প্যাকেট ৮০টাকা, ২০০গ্রাম প্যাকেট ৬৫টাকা, খিল সেমাই (বেলীফুল) ৩০০গ্রাম ১প্যাকেট ৪৫টাকা, ২০০গ্রাম ১প্যাকেট ৪০টাকা, ২০০গ্রামের আরেকটি প্যাকেট ৩০টাকা এবং খিল সেমাই খোলা ১কেজি ১২০টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
এছাড়াও রাজশাহী মহানগলরীর লক্ষ্মীপুর বাজার, কোর্ট বাজার ও পাড়া মহল্লার বাজারে লাচ্ছা-সেমাই ২০০ থেকে শুরু করে বিভিন্ন দামে বিক্রি হচ্ছে। ক্রেতারা সেখান থেকেও সাধ্যমত পছন্দের লাচ্ছা সেমাই ক্রয় করছেন।
বেলী ফুলে লাচ্ছা সেমাই ক্রয় করতে আসা ডাক্তার তনী, গৃহীনি তানজিলা পারভীন, রফিকুল ইসলাম ও আব্দুল মালেক বলেন, ঈদুল ফিতরের আরেকটি নাম হচ্ছে সামা ঈদ। এই ঈদে লাচ্ছা-সেমাই ছাড়া চলবে কেমনে। তবে এবারে প্রতিটি লাচ্ছা-সেমাইয়ের মূল্য কেজিতে ৫০-১০০টাকা করে বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে করে তাদের লাচ্ছা-সেমাই ক্রয় করতে একটু বেগ পেতে হচ্ছে। প্রয়োজনের তুলনায় একটু কম করে ক্রয় করছেন তারা।
তারা আরো বলেন, বাজারের এই মুহুর্তে অনেক বেনামী ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরী করা লাচ্ছা-সেমাই পাওয়া যাচ্ছে। সেগুলো নিয়ন্ত্রণ এবং পরীক্ষা করা জন্য ভোক্তা অধিকার, বিএসটিআই ও সংশ্লিষ্ট কর্তপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষন করেন তারা।