মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ০১:২৩ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
রাবির সাধারণ সম্পাদক আম্মারের বিরুদ্ধে মানববন্ধন জমি নিয়ে কাশিয়াডাঙ্গা কলেজ বিরুদ্ধে আদালতে মামলা, অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে সমন জারি মুক্তিযোদ্ধারা যুদ্ধ করেছিলেন বলে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছিল :মিলন প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান আসলেন, জয় করলেন, চলে গেলেন :মিনু বেগম জিয়া কখনো অন্যায়ের সাথে আপোস করেননি:মিলন বাংলাদেশে বেগম জিয়ার নাম আজীবন স্বর্ণাক্ষরে লিখা থাকবে:মিলন বেগম জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় মহিলা দলের দোয়া মাহফিল রাজশাহী ক্রিয়েটর ক্লাব এর শীতবস্ত্র বিতরণ খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় রাজশাহী জেলা ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যান মালিক সমিতির দোয়া মাহফিল বেগম জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় নগরীতে দোয়া মাহফিল

নানা আয়োজনে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠির কালচারাল একাডেমির সাঁওতাল বিদ্রোহ দিবস পালন

  • প্রকাশ সময় সোমবার, ৩০ জুন, ২০২৫
  • ৩০১ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজশাহী বিভাগীয় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠির কালচারাল একাডেমির আয়োজনে নানা কর্মসূচীর মধ্যে ঐতিহাসিক সাঁওতাল বিদ্রোহের ১৭০তম বার্ষিকী উপলক্ষে ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। সোমবার বিকেল অত্র একাডেমি চত্বরে অস্থায়ীভাবে স্থাপিত সিধু-কানহুর প্রতিকৃতিতে পুস্পস্তবক অর্পন করা হয়। এ উপলক্ষে হাড়ি ভাঙ্গা খেলা, তীর ধনুক ও কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর একাডেমির হলরুমে আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে হিসেেেব উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ফোকলোর বিভাগের সহযোগি অধ্যাপক ও ছাত্র উপদেষ্টা ড. আমিরুল ইসলাম কনক। সভাপতিত্ব করে রাজশাহী বিভাগীয় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠির কালচারাল একাডেমির নির্বাহী কমিটির সদস্য সুসেন কুমার স্যামদুয়ার। অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন অত্র একাডেমির উপপরিচালক বেনজামিন টুপু। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় আদিবাসী পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি গনেশ মার্ডি ও আদিবাসী নেতা আন্দ্রিয়াস বিশ্বাস। আরো উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী বিভাগীয় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠির কালচারাল একাডেমির সংগীত প্রশিক্ষক মানুয়েল সরেন, কবীর আহমেদ বিন্দু ও নাটক প্রশিক্ষক লুবনা রশিদ সিদ্দিকা কবিতাসহসকল কর্মকর্তা-কর্মচারী ও আদিবাসী জনগণ।

উপস্থিত বক্তারা বলেন, ১৮৫৫ খ্রীষ্টাব্দের সান্তাল বিদ্রোহ ভারতীয় উপমহাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে এবং বৃটিশ বিরোধী আন্দোলনে হাজারও সান্তালদের রক্তে লেখা এক অনন্য ইতিহাস। কোন একটি সাধারণ কারণে এই বিদ্রোহের সূত্রপাত হয়নি বরং সুনির্দিষ্ট বেশ কিছু কারণে এই গণ-সংগ্রাম সংঘটিত হয়েছিল। সান্তাল বিদ্রোহ ছিল মূলত: তৎকালীন সময়ের সুদখোর মহাজন, ফড়িয়া ব্যবসায়ী এবং অতিলোভী জমিদারদের অমানবিক অত্যাচার, জুলুম, নির্যাতন ও শোষণের বিরুদ্ধে দীর্ঘ দিনের পুঞ্জিভূত ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে এক স্বোচ্চার প্রতিবাদ। এই প্রতিবাদ ও বিদ্রোহের আগুন ভারতের ভাগলপুর, বীরভূম এবং আশেপাশের সান্তাল ও আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকায় দাউ দাউ করে জ্বলে উঠেছিল।

১৭৯৩ সালে চিরস্থায়ী বন্দোবস্থ ব্যবস্থা প্রবর্তনের ফলে কটক, মালভূম, পালামৌ, ছোটনাগপুর, হাজারীবাগ, বীরভূম, মেদিনিপুর, বাকুড়াসহ আশেপাশের আদিবাসীরা জমির উপর মালিকানা হারায়। ফলে অনেকেই এলাকা ছেড়ে জীবিকার তাগিদে অনত্র চলে যায়। তারা পাহাড় ও জঙ্গলে আচ্ছাদিত দামিন-ই-কোহ নামক বর্তমানে রাজমহলের নিকটবর্তী অঞ্চলে বসতি স্থাপন করেছিলেন বলে তারা উল্লেখ করেন। তারা আরো বলেন, আদিবাসীদের উপরে নির্যাতন ও শোষন এখনো শেষ হয়নি। প্রতিনিয়ত তারা তাদের সম্পদ হারাচ্ছে। এ অবস্থা থেকে পরিত্রান পেতে আদিবাসীদের আদিবাসী হিসেবে স্বীকৃতি ও সমতলের আদিবাসীদের জন্য পৃথক ভূমি কমিশন গঠন করার দাবী জানান তারা।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো নিউজ দেখুন
© All rights reserved © 2021 dailysuprovatrajshahi.com
Developed by: MUN IT-01737779710
Tuhin