বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫, ০২:৪৪ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
আসক ফাইন্ডেশনের র‌্যালি ও পথসভা রাজশাহীতে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস পালিত বিএনপি ক্ষমতায় গেলে পবা-মোহনপুরে ব্যাপক উন্নয়ন করা হবে: মিলন প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রত্যেকেই দুর্নীতিতে জড়িয়ে যাচ্ছে:বিভাগীয় কমিশনার ‘আমিই রোকেয়া’ কথাটির অন্তর্নিহিত তাৎপর্য অনেক বিশাল:বিভাগীয় কমিশনার ধানের শীষ হচ্ছে সবার নির্ভরযোগ্য প্রতিক: মিলন নগরীতে বেগম জিয়ার রোগ মুক্তি কামনায় দোয়া মাহফিল তারেক রহমান এর বাংলাদেশে আসা কেউ রুখতে পারবেনা: মিলন বিএনপি ক্ষমতায় আসলে রাজশাহীতে পুর্ণাঙ্গ ডেন্টাল কলেজ স্থাপনের উদ্যোগ নেয়া হবে: প্রফেসর ডা. পিসি মল্লিক নগরীতে পুকুর ভরাট করে উঠছে বাড়ি

প্রতিবন্ধীরা সমাজের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ: মিলন

  • প্রকাশ সময় রবিবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১২ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: মানুষ বিভিন্নভাবে প্রতিবন্ধী হয়ে থাকে। কেউ জন্মগতভাবে আবার কেউ বিভিন্ন দুর্ঘটনা থেকে হয়ে থাকে। এর মধ্যে দৃষ্টি প্রতিবন্ধীও রয়েছে। দৃষ্টি প্রতিবন্ধীরা নানা সমস্যায় জর্জিত। তারা নিজ দায়িত্বে চলাচল করতে অনেক কষ্ট পায়। এছাড়াও তারা নিজেকে এবং পৃথিবীর কিছুই দেখেনা। এজন্য সমাজ তাকে মূল্যহীনভাবে। কিন্তু সকল ধরনের প্রতিবন্ধী মানুষ হচ্ছে সমাজের অবিচ্ছেদ্য একটি অংশ।

তাদের বাদ দিয়ে দেশের সার্বিক উন্নয়ন করা সম্ভব নয় বলে রোববার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ৬১তম বিশ্ব সাদাছড়ি নিরাপত্তা দিবস উদযাপন উপলক্ষে জাতীয় দৃষ্টি প্রতিবন্ধী সংস্থা রাজশাহী জেলা শাখার উদ্যোগে জি আর চাল ও সাদাছড়ি বিতরণ ও দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সহ-সম্পাদক ও রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং পবা-মোহনপুর আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এডভোকেট শফিকুল হক মিলন এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, তিনবারের সাবেক সফল প্রধানমন্ত্রী, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া প্রতিবন্ধী ভাতা চালু করেছিলেন। সেইথেকে এটা চলে আসছে। কিন্তু পতিত সরকারের আমলে এর তেমন কোন অগ্রগতি হয়নি। বেগম জিয়া হচ্ছেন একজন মমতাময়ী নারী ও দেশনেত্রী। তিনি দেশের মানুষের কথা ভাবেন। এজন্য তিনি শত নির্যাতন, কারাভোগ ও নিজের জীবন ধ্বংসের মধ্যে দিয়ে এ দেশেই রয়ে গেছেন। কারণ তিনি এ দেশের মানুষকে ভালবাসেন। তিনি আরো বলেন, বর্তমানে বেগম খালেদা জিয়া জীবন মৃত্যুর সন্নিকটে। তাঁর কি হবে একমাত্র আল্লাহ জানেন। তাঁর সুস্থ্যতার জন্য সবার নিকট দোয়া প্রার্থনা করে তিনি।

মিলন বলেন, সময়ের কাজ সময়ে করতে পারলে, সে কাজের মূল্যায়ন হয়। এজন্য ছোট বেলা থেকে দৃষ্টি প্রতিবন্ধীসহ সকল প্রতিবন্ধীদের সুশিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে। সেইসাথে তাদের কর্মমূখী শিক্ষার মাধ্যমে দক্ষ করে তৈরী করতে পারলে প্রতিবন্ধীরা সমাজের বোঝা নয় কর্মক্ষম হিসেবে নিজিকে তুলে ধরতে পারবেন। বিএনপি যদি নির্বাচিত হতে পারে তাহলে দৃষ্টি প্রতিবন্ধীসহ সকল প্রতিবন্ধীদের উন্নয়নের জন্য কাজ করবেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।

তিনি বলেন, দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের ব্রেইন অনেক ভাল হয। তারা কোনকিছু শোনামাত্র তা গ্রহন করতে মনে রাখতে পারে। এজন্য তাদের কর্মসংস্থান করে সমাজ তথা দেশের সার্বিক উনয়ন্নে অংশিদারিত্ব বাড়ানোর তাগিদ দেন তিনি। সেইসাথে এই ধরনের প্রতিবন্ধীদের পাশে থাকার আশ্বাস প্রদান করেন মিলন। তিনি বলেন, আগামী বছরের ফেব্রুয়ারী মাসের প্রথম সপ্তাহে দেশে জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে। এই নির্বাচন নিয়ে জামায়াতে ইসলাম নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। তারা একবার সংস্কার, আরেকবার পিআর, এখন আবার গণভোট নিয়ে জলঘোলা করার চেষ্টা করছে। সেইসাথে দাঁড়িপাল্লাকে জেতানোর জন্য জনগণকে বেহেস্ত প্রদান অব্যাহত রেখেছে।

তিনি বলেন, জামায়াত বলছে দাড়িপাল্লায় একটি ভোট পড়লে দেশের আঠারো কোটি মানুষ বেহেস্তে যাবে। অথচ যিনি এই মিথ্যাচার করছে প্রকৃতপক্ষে তিনি বেহেস্তে যাবেন কিনা তিনি তা নিজেই জানেন না বলে জানান তিনি।
তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলাম কোন ইসলামী দল নয়। তারা ধর্ম নিয়ে ব্যবসা করছে। এই ধর্ম ব্যবসায়ীদের থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানান তিনি। তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলাম জনগণের আবেগ নিয়ে খেলা করে। তিনি বলেন, সংস্কার একটি চলমান প্রক্রিয়া। ঘুনে ধরা সমাজ তথা দেশকে সংস্কার করতে প্রথমে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ২০২২ সালে২৭ দফা দিয়েছিলেন। এর পর ২০২৩ সালে তিনি৩১ দফা দিয়েছেন। এই ৩১ দফার মধ্যে সব কিছুই আছে। এই দফা সমুহ বাস্ত¡বায়ন করতে পারলে আগামীতে তেমন কোন কিছুই আর লাগবেনা বলে জানান মিলন।

আগামীতে সমৃদ্ধশালী দেশ গড়তে এবং দেশের উন্নয়ন ত্বরান্তিত ও দেশের গণতন্ত্র পুণরুদ্ধারে কারো প্ররোচনায় প্রাতরিত না হয়ে ধানের শীষে ভোট প্রদান করার অনুরোধ করেন। বক্তব্য শেষে তিনি দৃষ্টি প্রতিবন্ধীতে মাঝে সাদাছড়ি, সরকারী ভাতা হিসেবে নগদ অর্থ এবং জি আর চাল বিতরণ করেন। সব শেষে বেগম জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

জাতীয় দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী সংস্থা কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিব আইউব আলী হাওলাদারের সভাপতিত্বে এবং পবা উপজেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক সোহেল রানার সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সদস্য রুহুল আমিন, পবা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সুলতান আহমেদ, মানবসেবা অভিযান সংস্থার প্রধান নির্বাহী খাইরুল আলম মুকুল, জাতীয় দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী সংস্থা রাজশাহী জেলা শাখার সভাপতি শহিদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক জরিনা খাতুন, দামকুড়া ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক এনামুল হক কনক, দামকুড়া ইউপি সাবেক সদস্য ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক, যুগ্ম আহ্বায়ক হান্নান মেম্বও, কৃষক দল দামকুড়া ইউনিয়ন শাখার আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম বাবু, বিএনপি নেতা আবুল বাশার, পবা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মামুন আকতারুজ্জামান, সাবেক ইউপি সদস্য আনারুল ইসলাম ও পবা উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাদ্দাম হোসেন। এছাড়াও প্রতিবন্ধী নারী-পুরুষ উপস্থিত ছিলেন।

 

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো নিউজ দেখুন
© All rights reserved © 2021 dailysuprovatrajshahi.com
Developed by: MUN IT-01737779710
Tuhin