নিজস্ব প্রতিবেদক:বাংলার রাখাল রাজা, বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি, স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের অগ্রদুত, উন্নয়নের রুপকার বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ প্রেসিডন্টে জিয়াউর রহমান বীর উত্তম এর ৮৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বিনম্র শ্রদ্ধা ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।
স্বাধীনতাযুদ্ধের এক ও এগারো নম্বর সেক্টরের কমান্ডার, স্বাধীনতাযুদ্ধের প্রথম ব্রিগেড জেডফোর্সের কমান্ডার, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের শ্রদ্ধাঞ্জলী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সহ-সম্পাদক ও রাজশাহী মহানগর বিএনপি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট শফিকুল হক মিলন।
মিলন বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যদি স্বাধীনতার ঘোষনা না দিতেন তাহলে বাংলাদেশ স্বাধীন হত কিনা সন্দেহ ছিলো। তিনি জীবনে মায়া ত্যাগ করে ও পরিবারের চিন্তা না করে বাংলাদেশের মানুষকে বাঁচাতে এবং বাংলাদেশকে স্বাধীন করতে পাকিস্তান থেকে পালিয়ে এসেছিলেন। এসে তিনি দিশেহারা বাংলাদেশীদের একত্রিত করতে স্বাধীনতার ঘোষনা দেন এবং নিজে সম্মুখ যুদ্ধ করেন এবং যুদ্ধের নেতত্বৃ দেন।
স্বাধীনতা পরে ১৯৭৫ পরবর্তী সময়ে বিশৃংখল বাংলাদেশকে শৃংখলে নিয়ে আসা এবং যুদ্ধবিধস্ত দেশকে পুনর্গঠনের লক্ষে সিপাহী জনতা জিয়াউর রহমানকে কারাগার থেকে মুক্ত করে দেশের হাল ধরতে দেন। সেইথেকে তিনি শতকষ্ট সহ্য করে দেশকে পুনর্গঠনে কাজ শুরু করেন। একনায়কতন্ত্র বাতিল কওে বহুদলীয় গণতন্ত্র চালু করেন। দেশের উন্নয়নে কৃষিতে বিপ্লব ঘটান এবং কলকারখানা স্থাপন করেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।
মিলন আরো বলেন, বীর উত্তম এই মহানায়ককে নিয় বর্তমান সরকার নানা ধরনে কটুক্তি করে। তাঁকে বলে রাজাকার। বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে নিয়ে ভবিষ্যতে আর কোন কটুক্তি বা খারাপ মন্তব্য করলে বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের নেতাকর্মী ও দেশবাসী কড়া জবাব দেবে বলে হুঁশিয়ারী দেন দেন। সেইসাথে সরকার হটাও আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহন করার আহ্বান জানান প্রধান অতিথি।
বক্তব্য শেষে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানসহ তাঁর পরিবারের মৃত ব্যক্তিদের রুহের মাগফিরাত কামনা ও তিনবারের সাবেক সফল প্রধানমন্ত্রী আপোশহীন দেশনেত্রী বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানসহ অসুস্থ বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের নেতাকর্মীর সুস্থ্যতা এবং মুসলিম উম্মাহর শান্তি কামনায় বিশেষ দোয়া মোনাজাত করা হয়।
পবার হুজুরীপাড়া ইউনিয়ন বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের আয়োজনে আফি নেপালপাড়া উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে শ্রদ্ধাঞ্জলী ও দোয়া মাহফিলে পবা উপজেলা বিএনপি’র আহবায়ক সেলিম রেজা বাচ্চুর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী জেলা বিএনপি’র সদস্য শাহজাহান আলী, অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক, পবা উপজেলা বিএনপি’র যুগ্ম আহবায়ক নজরুল ইসলাম নজু, আলমগীর হোসেন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক সোহরাব হোসেন, সদস্য জেকের আলী, গোলাম মুজাহিদ, সুলতান আহম্মেদ, রমজান আলী ও আব্দুর রহমান।
আরো উপস্থিত ছিলেন হুজুরীপাড়া ইউনিয়ন বিএনপি’র আহবায়ক আবুল কালাম আজাদ, সদস্য সচিব মোতাহার হোসেন, যুগ্ম আহবায়ক সেলিম মেম্বর, পারিলা ইউনিয়ন বিএনপি’র আহবায়ক রেজাউল করিম, সদস্য সচিব মোকলেসুর রহমান রেন্টু, হড়গ্রাম ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক আনারুল ইসলাম, যুগ্ম আহবায়ক আবু বক্কর, দর্শনপাড়া ইউনিয়ন বিএনপি’র আহবায়ক আব্দুস সালাম, বড়গাছি ইউনিয়ন বিএনপি’র যুগ্ম আহবায়ক আশরাফ আলী।
এছাড়াও পবা উপজেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক তাইজুল ইসলাম, সোহেল রানা, হাবিবুর রহমান, আক্তারুজ্জামান, রাজশাহী মহানগর ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মুর্ত্তজা ফামিন, রাজশাহী মহানগর ছাত্রদলের সদস্য ও রাজশাহী সরকারী সিটি কলেজ ছাত্রদলের সদস্য সচিব এমদাদুল হক লিমন, পবা উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব হাফিজুর রহমান, যুগ্ম আহবায়ক সাদ্দাম হোসেন, হাসান আলী ও লিটনসহ বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।