নিজস্ব প্রতিবেদক: নাটোরের সিংড়ার কৃষ্টপুরে জমি নিয়ে বিরোধে মারামারিতে চারজন আহত হয়েছেন । আহতরা হলেন, রোকিয়া বেগম, স্বামী- বেল্লাল, ছেলে রায়হান ও শাশুরী। এরমধ্যে রোকিয়া রাজশাহী মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মন্টুর ভাইয়ের মেয়ে বলে জানা গেছে। আহতদের মধ্যে রোকিয়া বেগমের অবস্থা অত্যন্ত খারাপ বলে জানান রোকিয়ার ছোট ভাই লিটন । তিনি বলেন, দুলাভাই বেল্লাল হোসেন নিজ পৈত্রিক সম্পত্তিতে পাকা বাড়ি শুরু করেছেন। এই বাড়িকরতে বাধা প্রদান করেন বেল্লালের বড় দুই ভাই্ হামিদ, দুলাল ও তাদের সন্তানেরা।
লিটন আরো বলেন, কথাকাটা কাটির এক পর্যায়ে হামিদ, দুলাল ও তাদের সন্তানেরা অতির্কিতভাবে হামলা চালায়। এ সময়ে বেল্লাল এর স্ত্রী রোকেয়া এগিয়ে আসলে সরসারি দুলাল গংরা মাথায় সাবল দিয়ে উপর্যপরী আঘাত করেন। এতে রোকিয়া মাথার দুই জায়গা ফেটে অনেক গর্তের সৃষ্টি হয়। মারপিটে রোকিয়া গুরুতর আহত হলে তাকে প্রথমে সিংড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। সেখানকার কর্তব্য ডাক্তার অবস্থা বেগতিক দেখে দ্রুত রোকিয়াকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। এখানে তিনি এখন চিকিৎসা নিচ্ছেন। এছাড়াও রোকিয়ার শাশুরীকে বড় দুই ছেলে মারপিট করে কোথায় যে, নিয়ে গেছে কেউ বলতে পারছেনা বলে জানান লিটন।
লিটন আরো বলেন, শুধু রোকিয়া বেগম নয় বেল্লালও রাজশাহী মেডিকেল ভর্তি আছেন। এ বিষয়ে রাজশাহী মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মন্টু বলেন, রোকিয়া তাঁর বড় ভাইয়ের মেয়ে। তাঁকে মেরে যে অবস্থা করেছে, তাতে প্রথমে মনে হয়েছিলো কোন ভবেই বাঁচানো সম্ভব হবেনা। কিন্তু সৃষ্টিকর্তার অশেষ রহমতে এখনো তিনি জীবিত আছেন। কিন্তু ভবিষ্যতে কি হবে এখন বোঝা যাচ্ছে না। কারন মাথায় যে ধরনের আঘাত পেয়েছে তাতে ব্রেনের সমস্যাও হতে পারে বলে উল্লেখ করেন মন্টু। মন্টুসহ রোকিয়ার আত্মীয়স্বজন এই ভূমিদস্যু সন্ত্রাসীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে বিচারের দাবী করেন। এনিয়ে এখনো মামলা হয়নি। রোগিরা একটু সুস্থ্য হলে আইনী প্রক্রিয়ায় যাবেন বলে জানান মন্টু।