শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ০৩:৫৪ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
শ্রমিদের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে ইনসাব এর মহান মে দিবস পালন রাষ্ট্র গঠনে শ্রমিকদের ভূমিকা অপরিসীম: এমপি মিলন দেশের বিশ কোটি জনগণের ৪০ কোটি হাতকে জনসম্পদে পরিণত করতে হবে: এমপি মিলন পবা ইউএনও’র সঙ্গে বাপা নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ জাসদের পক্ষ থেকে জেলা পরিষদ প্রশাসককে শুভেচ্ছা বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের মাসিক সমন্বয় সভা রাজশাহীতে মাইক্রো ও এ্যাম্বুলেন্স থেকে চাঁদা আদায় ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন জেলা পরিষদের প্রশাসককে “কথা নয় কাজ” গ্রন্থের সৌজন্য কপি উপহার সরকারি খরচে ন্যায়বিচার নিশ্চিতে লিগ্যাল এইড কার্যক্রম জোরদারের আহ্বান শপথ নিলেন রাজশাহী চেম্বারের নবনির্বাচিত পরিচালনা পর্ষদের নেতৃবৃন্দ

রাজশাহীর পারিলায় মাদ্রাসা-গোরস্থানের জমি গোপনে বিক্রির অভিযোগ

  • প্রকাশ সময় শনিবার, ২ অক্টোবর, ২০২১
  • ৫২১ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজশাহীর পবা উপজেলার পারিলা ইউনিয়নের পুড়াপুকুর এলাকায় মাদ্রাসা ও গোরস্থানের জমি গোপনে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। জমি বিক্রির ঘটনায় অভিযুক্ত আসলামের বাড়ি পবা উপজেলার খড়খড়ি কালুর মোড় এলাকায়। এ ঘটনার প্রতিবাদে জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ জনগণ বিক্ষোভ সমাবেশ ও সভা করেছে। এ নিয়ে এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।

সমাবেশ থেকে তারা জানান আলহাজ্ব আবু বক্কর সিদ্দিক (বাক্কার হাজী) ইসলাম ধর্ম শিক্ষা এবং মৃত ব্যক্তিদের দাফনের জন্য ১৯৯৭ সালে জমি দান করে গিয়েছিলেন। অথচ ভুয়া সভাপতি সেজে ঐ জমি আসলাম সরকার ও তার দুই সহযোগী মসদুল ও রবিউল মিলে রহমানিয়া কমপ্লেক্সের নিকট বিক্রি করে দিয়েছেন।

তারা মাদ্রাসার ভুয়া কমিটি গঠন ও ভুয়া রেজুলেশন খাতা তৈরির করে মাদ্রাসা ও গোরস্থানের জমি বিক্রি করে দিয়েছেন। এই জঘন্য ঘটনাকে কেন্দ্র করে ক্ষোভে ফুঁসে উঠেছেন এলাকাবাসী। এর প্রেক্ষিতে শুক্রবার বিকেলে বিক্ষোভ ও করেছেন এলাকার সাধারণ জনগণ।

এসময় উপস্থিত ছিলেন পারিলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি সোহরাব হোসেন, ইউপি চেয়ারম্যান সাইফুল বারী ভুলু, কাজি নজরুল ইসলাম কলেজের অধ্যক্ষ এনামুল হক ও ইউপি মেম্বারসহ গণ্যমান্য ব্যক্তি ও স্থানীয় বাসিন্দারা।

সমাবেশে পারিলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি সোহরাফ আলী মন্ডলও এই অপকর্মের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে বিক্ষোভকারীদের তোপের মুখে পড়েন। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, এই ঘটনায় আমি কোনোভাবেই জড়িত নই। আমি জড়িত থাকার প্রমান দিতে পারলে যা শাস্তি দেবেন মাথা পেতে নেবেন ভেল তিনি প্রতিশ্রুতি দেন।

এসময় বক্তারা বলেন , আসলাম মৃত ব্যক্তির শেষ ঠিকানা নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে। তার উপযুক্ত বিচার দাবি করছি। একইসঙ্গে এই জমি উদ্ধার করতে প্রয়োজনে কঠোর পদক্ষেপ নেবেন বলে জনানা তারা।

এ বিষয়ে মাদ্রাসার সাবেক সভাপতি আলহাজ্ব আকরাম বলেন, আসলাম পাওয়ার অব অ্যাটর্নির কথা বলেছিলেন কমিটির সভায়। কিন্তু আমরা রাজি হইনি। তাকে সভাপতিও করা হয়নি। কিন্তু তিনি কিভাবে সভাপতি হয়ে এই মাদ্রাসা ও গোরস্থানের জমি বিক্রি করে দিলেন তা আমাদের জানা নেই। আমাদের ধর্মের উপর আঘাত হেনেছেন তিনি। এর দ্রুত বিচার করতে হবে ।

বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা দাবি করেন- একই জমি দুইবার দান করা সম্ভব না। অথচ তারা দানের জমি বিক্রি করলো কিভাবে? এই জমি কেনা বেঁচার সাথে জড়িত সকলের শাস্তি দাবি করেন। এদিকে জমি বিক্রির পর থেকেই আসলামকে এলাকায় আর দেখা যাইনি বলে জানান তারা।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত আসলামের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি তবে। তবে এলাকাবাসীরা মোবাইলে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, রহমানিয়া কমপ্লেক্স নিজ অর্থায়নে মাদ্রাসা, এতিমখানা করে নিজেই চালানোর জন্য জমিটা নিয়েছে। তবে দান করা জমি বিক্রি হয় না। তাই মূল্য দেখিয়ে রহমানিয়া কমপ্লেক্সকে রেজিস্ট্রি করে দেয়া হয়েছে।

আসলাম আরেক প্রশ্নের জবাবে বলেন, এ সিদ্ধান্ত তিনি একা নেননি। পারিলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি সোহরাব আলী মন্ডল ও কবি কাজী নজরুল ইসলাম কলেজের অধ্যক্ষ এনামুল হকের কথা মতো তিনি এটা করেছেন বলে জানান আসলাম।

শেয়ার করুন

আরো নিউজ দেখুন
© All rights reserved © 2021 dailysuprovatrajshahi.com
Developed by: MUN IT-01737779710
Tuhin