সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৫৭ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
দেশের উন্নয়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: এমপি মিলন বাপা ও রাজশাহী রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের আঞ্চলিক সেমিনার নভেম্বরে ভূমি মন্ত্রী মিনুর সুস্থতা কামনায় ইনসাব এর দোয়া মাহফিল বাংলার জাতীয় খেলা হা-ডুডুকে আরও জনপ্রিয় করে তোলা হবে: এমপি মিলন যুবদল কেন্দ্রীয় সভাপতি-সাধারণ সম্পাদককে সম্মাননা স্মারক প্রদান ভূমি মন্ত্রী মিনুর সুস্থতা কামনায় রাজশাহীতে দোয়া মাহফিল ফাঁকিবাজি ও দুর্নীতি রোধে শিক্ষকদের ভূমিকা জরুরি: এমপি মিলন প্রশাসনের আশ্বাসে রামেক হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি স্থগিত রাজশাহীতে টাইলসের নিচে লুকানো মাদক ও নগদ ১১ লাখ টাকাসহ ২ শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী আটক উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার পিজি হাসপাতালে ভূমিমন্ত্রী মিনু

রাবি শিক্ষার্থী সায়েমার আত্মহত্যা প্ররোচনাকারিদের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন

  • প্রকাশ সময় মঙ্গলবার, ৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩
  • ৪৮২ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিনিধি: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) চিকিৎসা মনোবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৫-১৬ শিক্ষার্থী সায়মা আরাবীর আত্মহত্যার ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে এর সঙ্গে শাস্তির দাবি জানিয়েছে তার বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবন সংলগ্ন প্যারিস রোডে আয়োজিত মানববন্ধন থেকে তারা এ দাবি জানান। চিকিৎসা মনোবিজ্ঞান বিভাগ আয়োজিত মানববন্ধনে সংহতি জানান বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ ও মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড রাবি শাখা।

কর্মসূচিতে চিকিৎসা মনোবিজ্ঞান বিভাগের সভাপতি শরিফুল ইসলাম’র সভাপতিত্বে বক্তারা বলেন, দেশব্যাপী নারীদের উপর যে নিপীড়ন-নির্যাতন চলছে তারই অংশ সায়েমা। সায়েমা সদা হাস্যোজ্জল ছিলেন, তিনি আত্মহত্যা করার মতো মেয়ে না। তাঁকে আত্মহত্যা করতে বাধ্য করা হয়েছে। এটি এক ধরনের হত্যা। তাকে আত্মহত্যার প্ররোচনাদানকারী নাজমুল মাহবুব পলাশ এলাকার বখাটে হিসাবে পরিচিত। পলাশের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেন মানববন্ধন থেকে।

কর্মসূচিতে সংহতি জানিয়ে বক্তব্য রাখেন মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড রাবি শাখার সভাপতি জান্নাত জানা। তিনি বলেন, সারা দেশে বর্তমানে মুক্তিযুদ্ধাদের এবং তাদের পরিবারকে বিভিন্ন ভাবে লাঞ্চিত করা হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় সায়মাকে বিভিন্নভাবে আত্মহত্যায় প্ররোচিত করা হয়েছে। আত্মহত্যার পর থানায় অভিযোগ দায়ের করতে গেলে সেটাও থানা গ্রহণ করেনি। তাছাড়া তাঁর আত্মহত্যার পর তার পরিবারকে বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হয়েছে এবং হুমকি দেওয়া হয়েছে। মানববন্ধন থেকে ঘটনার সঠিক বিচারের দাবি জানান তিনি।

কর্মসূচিতে সংহতি জানিয়েছে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা। মহিলা পরিষদের নেত্রী ও মনোবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মাহবুবা কানিজ কেয়া বলেন, বাংলাদেশের নারীরা কতটা কষ্টে পরে আছে তার একটি উদাহরণ হচ্ছে সাইমা। তিনি একা ছিলেন, পাশে কাউকে তিনি পাননি। আত্মাহত্যায় যে প্ররোচনা করেছে তার মতো অপরাধী আর কেউ হতে পারে না। তাকে শাস্তির আওতায় আনতে হবে। সে জন্য তারা ইতোমধ্যে একজন আইনজীবী নিয়োগ দিয়েছেন বলে উল্লেখ করেন। এছাড়া আরএমপি পুলিশ কমিশনারের সাথে তারা কথা বলবেন। এই ঘটনার যাতে পুনরাবৃত্তি না ঘটে সেজন্য সচেষ্ট থাকতে হবে বলে উল্লেখ করেন। মামলার কার্যক্রম শেষ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন তিনি।

কর্মসূচিতে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- নারী নেত্রী কল্পনা রায়, সায়েমার বড় ভাই হারুন অর রশিদ প্রমুখ। মানববন্ধনে বিভিন্ন বিভাগের দু শতাধিক শিক্ষার্থী অংশ নেন। প্রসঙ্গত, সায়মা আরাবী গত ১৯ জানুয়ারি অতিরিক্ত ঔষধ সেবন করেন। পরে তাকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু বরণ করে।

শেয়ার করুন

আরো নিউজ দেখুন
© All rights reserved © 2021 dailysuprovatrajshahi.com
Developed by: MUN IT-01737779710
Tuhin