মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০৩ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
২০২৭ সালের শুরুতেই পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের কাজ শুরু হবে: পানিসম্পদ মন্ত্রী ভূমি মন্ত্রী মিনুর আশু রোগমুক্তি কামনায় ১৮ নং ওয়ার্ডে আলোচনা ও দোয়া মাহফিল ভূমিমন্ত্রী মিনুর রোগমুক্তি কামনায় ধর্মসভা মন্দিরে বিশেষ প্রার্থনা দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত তেতাল্লিশ পরিবারের মধ্যে এক কোটি ঊনআশি লাখ টাকার চেক বিতরণ এমপির বিরুদ্ধে আ.লীগকে পুনর্বাসন ও হয়রানীর প্রতিবাদে বিএনপির নেতাকর্মীদেরই সংবাদ সম্মেলন জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল হতে হবে: এমপি মিলন ভূমিমন্ত্রীর রোগমুক্তি কামনায় জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের দোয়া মাহফিল দেশের উন্নয়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: এমপি মিলন বাপা ও রাজশাহী রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের আঞ্চলিক সেমিনার নভেম্বরে ভূমি মন্ত্রী মিনুর সুস্থতা কামনায় ইনসাব এর দোয়া মাহফিল

নিত্যপণ্যের দামে বিপাকে রাজশাহীর ধোপারা

  • প্রকাশ সময় শুক্রবার, ২৬ জুলাই, ২০২৪
  • ২৬৯ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিভিন্ন ধরনের পরিবারের সদস্যদের পরিধেয় কাপড় পরিষ্কার করে চলছে রাজশাহীর কাজিহাটা এলাকার পঞ্চন দাস এর জীবন জীবিকা। এটা তার বাবা-দাবার পেশা। যুগের পর যুগ তিনি ও তার অন্যান্য ভাইয়েরা পরিবারের সদস্যদের নিয়ে এই কাজ করে জীবন ধারন করে আসছেন। কিন্তু বর্তমানে কাজ কমে যাওয়া এবং নিত্যপন্যের মূল্য অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় ধোপারা পড়েছেন বিপাকে। তারা পরিবারের সদস্যদের মুখে দু-বেলা দু-মুঠো আহার যোগাতে হচ্ছে ধারদেনা করে।

পঞ্চন দাস রাজশাহী শহরের কাজিহাটা সিএন্ডবি মোড় এলাকায় বসবাস করেন। আর নগরীর লক্ষ্মীপুর এলাকার একটি ছোট দোকান ঘর নিয়ে লন্ড্রীর কাজ করছেন। তাঁর বয়স অনেক হয়েছে। এখন আর পূর্বেও ন্যায় শরীওে শক্তি পান না। তবুও এই বুড়ো হাতে ইস্ত্রি ঘষানোর ফাঁকে ফাঁকে তিনি নিজ পরিবারে টানাপোড়েনের কথা প্রতিবেদকে জানান। তিনি বলেন, বর্তমানে প্রতি নিত্যপন্যের মূল্য তিন থেকে চারগুন বেড়ে যাওয়ার তারা পড়েছেন মাহা বিপদে। নিত্যপন্যেও মূল্য অস্বাভাবিক হারে বাড়লেও তেমনটা বাড়েনি তাদের কাজের মূল্য।

তিনি আরো বলেন, দোকান ভাড়া, বাড়ি ভাড়া, পরিবারের সদস্যদের মুখে দু-বেলা দুমুঠো খাবার তুলে দেয়া, কর্মচারী বিল, বিদ্যুৎ ও পানির বিলসহ অন্যান্য ব্যায় সমন্বয় এই কাজ করে করা দুরুহ ব্যাপার হয়ে উঠেছে। তিনি বলেন, একটি শার্ট, একটি প্যান্ট ধুইয়ে ইস্ত্রি করেন তিনি পান মাত্র চল্লিশ টাকা করে। কিন্তু সে কাজও বেশী হয়না। কারন সাধারণ মানুষের অর্থনৈতিক অবস্থা খুব একটা ভাল নয়। এজন্য তারা আর পূর্বের ন্যায় তেমনটা আর কাপড় দেন না ধোয়ার জন্য। কোন কাপড় ধুয়ে কতটা নেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, একটি শাড়ী ড্রাইওয়াস এবং ইস্ত্রি করে পান ১০০টাকা, আর একটি কোর্ট ড্রাইওয়াস করে পান মাত্র ২০০টাকা। আর এগুলো করতেও লাগে বেশ টাকা। কারন সকল প্রকার মেডিসিনের মূল্য অনেক বেশী বেড়ে গেছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

তিনি বলেন, একটি শার্ট, একটি প্যান্ট ইস্ত্রি করে পান মাত্র ১০টাকা আর একটি শীড়ী ইস্ত্রি করে পান মাত্র ৩০টাকা। অন্যান্য কাপড়গুলো একই পরিমান নেন বলে জানান পঞ্চন দাস। তিনি বলেন, নগরীতে কমল দাস ও রাজু দাসসহ প্রায় ২৫০টি পরিবার এই কাজ করে কোনমতে পরিবার পরিজন নিয়ে দিনাদিপাত করছেন। তিনি সহ অন্যান্যরা বলেন, বাজারে নিত্যপন্যের মূল্য না কমলে আগামীতে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে পথে বসতে হবে। সেইসাথে সন্তানদের লেখাপড়া ও সকল সদস্যদের চিকিৎসা প্রদান করতে পারবেন না বলে আক্ষেপ করেন তিনি। তিনিসহ সকলেই বাজার পরিস্থিতি মনিটরিং করে নিত্যপন্যের মূল্য কামানো এবং এই পেশা চলমান রাখতে সহজ শর্তে ঋণ দেয়ার জন্য সরকারের প্রতি অনুরোধ করেন তারা।

 

শেয়ার করুন

আরো নিউজ দেখুন
© All rights reserved © 2021 dailysuprovatrajshahi.com
Developed by: MUN IT-01737779710
Tuhin