নিজস্ব প্রতিবেদক: শুক্রবারও ছিলো কারফিউ। সেইসাথে বৃহস্পতিবার আরএমপি কামিশনার কর্র্র্তৃক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে শুক্রবার (২৬ জুলাই) দুপুর ১২টা থেকে ৩টা পর্যন্ত কারফিউ শিথিল এর গোষনা দেন। সেইসাথে জনগণের জানমালের নিরাপত্তা বিধানের লক্ষ্যে জনসাধারণের একক বা সঙ্গবদ্ধভাবে সকল প্রকার চলাচলের উপর সান্ধ্য আইন (কারফিউ) জারী করেছে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ।
এতে বলা হয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জননিরাপত্তা বিভাগ, রাজনৈতিক শাখা-২ এর অনুসরণে রাজশাহী মেট্রোপলিটন এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা, জনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং জনগণের জানমালের নিরাপত্তা বিধানের লক্ষ্যে জারীকৃত সান্ধ্য আইন বেলা ৩টা হতে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই সান্ধ্য আইন (কারফিউ) অব্যাহত থাকবে। এই আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থাও গ্রহণ করা হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।
এই বিজ্ঞপ্তির আলোকে পুলিশ সকাল ১০টার পর থেকে শহরের নিরাপত্তা বাড়িয়ে দেন। নগরীর কাশিয়াডাঙ্গা থেকে শুরু করে লক্ষ্মীপুর, সাহেব বাজার, বিন্দুর মোড়, ডাবতলা, ভদ্রা মোড়, তালাইমারী মোড় ও বিদোনপুরসহ সকল স্থানে পুলিশি নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। শহরের পুলিশ, আর্মি ও বিজিবিসহ অন্যান্য আইন শৃংখলা বাহিনীকে শক্ত অবস্থানে দেখা যায়। এরপর বেলা ৩টার পর থেকে আবারও আইন শৃংখলা বাহিনীকে শক্ত অবস্থান নেয়।
শহরের স্থিতি অবস্থায় হঠাৎ করে এরকম আইন শৃংখলা বাহিনীর নিরাপত্তা জোরদারে সাধারণ মানুষ পড়েন সমস্যায়। এর কারণ অনুসন্ধান করতে যেয়ে বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা যায়, হঠাৎ করে বিএনপি শুক্রবার প্রতিটি ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল করবে বলে রাজশাহী মহানগর বিএনপি’র মিডিয়া সেলে রাজশাহী মহানগর বিএনপি’র আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আরিফুল শেখ বনি একটি বিজ্ঞপ্তি দেন (হোয়াটস্ অ্যাপ)। পরে অবশ্য ঐ বিজ্ঞপ্তি তুলে নেয়া হয়। এ নিয়েই যত সমস্যা হয়েছে বলে জানা যায়।
এ বিষয়ে রাজশাহী মহানগর বিএনপি’র আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট এরশাদ আলী ঈশার নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিএনপি’র কোন কর্মসূচী নাই। আরিফুল শেখ বনি কারো সাথে আলোচনা না করে নিজে থেকে এই বিজ্ঞপ্তি দেন। এর দ্বায়ভার মহানগর বিএনপি’র নয় বলে উল্লেখ করেন তিনি।
এদিকে এই বিজ্ঞপ্তি সম্পর্কে জানতে বনিকে বার বার মোবাইলে কল করলেও তার মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় কোন প্রকার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।