নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজশাহীর পারিলা ইউনিয়নের তরফ পারিলা গ্রামে চলতি বছরের গত ২অক্টোবর জমি জমা নিয়ে মারাামরি হয়। এতে বাবা ছেলেকে চাপাতি ও হাঁসুয়া দিয়ে আঘাত করে গুরুতর আহত করে সৎ ভাই। এ নিয়ে রাজশাহী আদালতে মামলা হয়েছে। বাড়ির মালিক ইলিয়াস আলী বলেন, তাদের বাড়ির জায়গা হচ্ছে ৩২শতক। এর মধ্যে তার সৎ ভাই আব্দুল বারি বাবু একাই নেবেন ১০শতক। এই জায়গা দখল করার লক্ষে তাদের যাতায়াতের রাস্তা বন্ধ করে দেয়।
এই রাস্তা কেন বন্ধ করেছে জানার জন্য তার ছেলে রাকিব হোসেন বলতে গেলে আব্দুল বারী বাবুর স্ত্রী জয়নব রামদা নিয়ে এসে তার হাতে দিয়ে হত্যা করার কথা বললে বাবু সাথে সাথে তার ছেলে রাকিব এর মাথায় কপ মারলে রাকিব বাঁচতে হাত দিয়ে প্রতিহত করে। এতে তার কনুই এর উপরের ভাগে কেটে যায়। সেইসাথে তার আঙ্গুল প্রায় সম্পূর্নটাই কেটে যায় বলে জানান তিনি।

ইলিয়াস আলী আরো বলেন, এ সময়ে তিনি বাড়িতে ছিলেন না। কেউ একজন মোবাইল করলে তিনি ঘটনাস্থলে ছুটে আসলে তার ছেলেকে রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে পরে থাকতে দেখে দৌঁড়ে ছেলেকে বাঁচাতে গেলে বাবুর স্ত্রী জয়নব তার মাথায় এবং টিফে রামদা দিয়ে আঘাত করে তাকেও গুরুতর আহত করে। তারা উভয়ে মাটিত লুটিয়ে পড়লে প্রতিবেশীরা তাদের উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার জন্য গাড়ীতে তুলে দেয়। এরপর খড়গখড়ি মোড়ে গিয়ে বাবু আবারও তাদের গতিরোধ করে এবং মামলা করলে জানে মেরে ফেলবে বলে হুমকী দেয় বলে ইলিয়াস জানান।
তিনি আরো বলেন, বাবু ও তার স্ত্রী জয়নব তাদের মেরে গুরুতর আহতই শুধু করেননি, তাদের বাড়িত হামলা করে ঘরের দেয়াল ভাঙ্গচুর করে। সেইসাথে ঘরে থাকা লক্ষাধীক টাকার পেঁয়াজ-রসুন নষ্ট করে। এছাড়াও ঘরের মধ্যে থাকার লক্ষাধীক টাকার মালামাল নষ্ট করেছে। শুধু তাইনয় ঘরের মধ্যে ট্রাঙ্ককে থাকা পাঁচ লক্ষ টাকা নিয়ে গেছে বলে জানান ইলিয়াস।

এদিকে রাকিব বলেন, বাবু একজন সন্ত্রাসী প্রকৃতির লোক। তিনি বিগত কোটা সংস্কার ও সরকার পতনের আন্দোলনের সময় রাজশাহী বিশ^বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উপর বোমা ও ককলেট নিক্ষেপসহ নানা প্রকার দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালায় বলে উল্লেখ করেন তারা।
এদিকে সরেজমিনে ঘটনাস্থলে গেলে বাবুর স্ত্রী জয়নব, ইলিয়াস এর জামাই জেবার আলী ও ছেলেকে সংবাদিকদের সামনেই প্রানে মেরে ফেলার হুমখী দেন। তিনি আরো বলেন, সেদিন তোরা জানে বেঁচে গিয়েছিস, এবার পেলে আর বাঁচতে দেয়া হবেনা বলে হুমকিও দেন তিনি।