নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশ দ্বিতীয়বারের মত স্বাধীন হয়েছে গত ৫আগস্ট সোমবার। বাংলার দামাল শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে টিকতে না পেরে পদত্যাগ করে দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেছেন বাংলাদেশেকে শোষন, নিপিড়ন ও অর্থ পাচারকারী ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচার সরকারের প্রধান খুনি শেখ হাসিনা। দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার পূর্বে খেয়ে গেছে হাজার হাজার শিক্ষার্থী ও সাধারণ জনগণের প্রাণ ও রক্ত। এই ডামি অবৈধ সাবেক সরকার দেশের সকল আইন শৃংখলাবাহিনীকে দিয়ে ইতিহাসের সর্বোচ্চ শিক্ষার্থী খুন করে ক্ষমতায় টিকে থাকতে চেয়ে ছিলো। কিন্তু টিকে থাকতে না পেরে পালিয়ে প্রানে বাঁচে।
দেশ যখন স্বাধীন হলো তখন স্বাধীনতাকামী মানুষ পুলিশ বাহিনীর উপরে আক্রমন করে। জালিয়ে দেয় সারাদেশের পুলিশের থানা, ফাঁড়ি ও হেডকোয়াটার। সেইসাথে জালিয়ে দেয় আওয়ামী লীগ, অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের সকল প্রকার দলীয় কার্যালয়। শুধু তাই নয় ভেঙ্গে ফেলা হয় আওয়ামীলীগ, অঙ্গ সংগঠনের নেতাদের বাড়িঘর। আগুন দেয়া হয় তাদের বাড়িঘর, অফিস, থানা ও অন্যান্য স্থাপনায়। রাজশাহীতেও একই অবস্থার সৃষ্টি হয়। ঐ সকল ময়লা আবর্জনা পরিস্কার করতে নেমে গেছে বাংলাদেশ দ্বিতীয়বার স্বাধীন করার নায়ক শিক্ষার্থীরা। শুধু তাইনয় নিয়ন্ত্রণ করছে ট্রাফিক এবং পাহাড়া দিচ্ছে সরকারী সকল স্থাপনা ও হিন্দু, খ্রীস্টান, বৌদ্ধসহ অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান।
এ বিষয়ে শিক্ষার্থী সরন, সুত্র, লামিয়া ও আবিদসহ আরো অনেক বলেন, পুরো শহর ময়লায় পরিপূর্ণ হয়ে গেছে। সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্ন কর্মীরা এখন আর কাজ করছেনা। কবে নাগাদ স্বাভাবিক হবে এ অবস্থা। এ আশায় বসে না থেকে তারা নগরকে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন কাজে নেমে পড়েছেন বলে উল্লেখ করেন। এ কার্যক্রম সারা দেশে চলছে বলে জানান তারা।
শিক্ষার্থীদের এমন কার্যক্রমে বিষ্মিত হয়েছেন নগরবাসী। সাহেব বাজার আসা তুষার, আলিফ, মন্টু, রফিক ও সুমি খাতুনসহ আরো অনেকে বলেন, শিক্ষার্থীদের শক্তি অনেক বড় শক্তি। তারা এই স্বৈরাচার সরকারকে হটিয়ে দিয়েছে। সেইসাথে এখন তারা দেশকে আবর্জনা মুক্ত করতে কাজ করছে। এটা অত্যন্ত প্রসংশীয় ও অনুকরনীয় বলে উল্লেখ করেন তারা। তারা শিক্ষার্থীদের ধন্যবাদ ও স্যালুট জানান। সেইসাথে শিক্ষার্থীদের পাশে আছেন বলে অঙ্গিকার করেন তারা।