নিজস্ব প্রতিবেদক: আলু একটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় সবজী। এই সবজী সব সময়ে লাগে। এছাড়াও আলু দ্বারা বিভিন্ন ধরনের পন্য তৈরী হচ্ছে। এছাড়াও অনেকে আলু দিয়ে নানা ধরনের মুখরোচক খাবার তৈরী করে বাজারে বিক্রি করে জীবন নির্বাহ করছে। সেইসাথে ভাতের বিকল্পও হতে পারে এই আলু। অথচ এই নিয়ে রাজশাহীর কোল্ড ষ্টোরেজের মালিকরা এবারের আলু মৌসুমের শুরু থেকে কোন তালবাহানা না করলে আলু উঠার আগ মুহুর্তে থেকে পাঁয়তারা শুরু করেছেন। তারা কেজি প্রতি আলু ভাড়া ডবল বৃদ্ধি করেছে বলে বুধবার দুপুর ১২টার দিকে রাজশাহীর পবার এলাকার বায়া বাজারে ২০২৫ সালে আলু সংরক্ষণে কোল্ড ষ্টোরেজে ভাড়া বৃদ্ধিও প্রতিাবাদে প্রতিবাদ সভায় প্রধান অতিথি বক্তব্যে বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির ত্রান ও পুনর্বাসন বিষয়ক সহ-সম্পাদক ও রাজশাহী মহানগর বিএনপি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট শফিকুল হক মিলন উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, এ অবস্থা চলতে থাকলে আলু দ্বারা তৈরী বিভিন্ন পন্যের মূল্য আবারও বৃদ্ধি পাবে। সেইসাথে ক্রেতাদের নাগালের বাহির চলে যাবে। বিগত পনের বছরে রাজশাহীতে অনেক কোল্ড ষ্টোরেজ তৈরী হয়েছে। এই সিংহভাগ মালিক হচ্ছেন আওয়ামী লীগের। ঐ মালিকগণ পতিত সরকারের খুনি হাসিনার দোসর হওয়ায় আবারও তারা দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করার লক্ষে তারা আলুর ভাড়া বৃদ্ধি করেছেন। কিন্তু তাদের এই ষড়যন্ত্র ও কৌশল কোনভাবেই সফল হতে দেয়া হবেনা বলে উল্লেখ করেন তিনি। সেইসাথে দ্রুত আলুর ভাড়া পূর্বেও ন্যায় করার আহ্বান জানান। দাভী না মানলে আগামীতে আরো কঠোর কর্মসূচী প্রদান করা হবে বলে হুঁশিয়ারী দেন মিলন।

এদিকে কৃষকদের মধ্যে থেকে বরা হয়, প্রতি কেজি আলুর সংক্ষণের জন্য আগে ৪ টাকা ভাড়া দিতে হতো তাদের। সম্প্রতি তা বৃদ্ধি করে ৮ টা করেছে কোল্ড স্টোরেজের মালিকেরা। চাষীরা জানান,আগে প্রতিবস্তা আলু রাখতে ২৫৫ টাকা ভাড়া লাগতো। তা বাড়িয়ে ৫৬০ টাকা করা হয়েছে। হঠাৎ করে হিমাগার ভাড়া দ্বিগুন করায় লোকশানে পড়বে চাষীরা। এর আগে কৃষকদের আন্দোলনের মুখে কোল্ড স্টোরেজের মালিক পক্ষ ভাড়া বৃদ্ধি কমানোর আশ্বাস দিলেও তা বাস্তবায়ন করছে না বরে জানান তারা।
তারা আরো বলেন, মালিক পক্ষের নিকট দফায় দফায় আবেদন জানিয়েও ভাড়া কমানোর দাবি পূরণ না হওয়ায় বাধ্য হয়ে আবারো অন্দোলনে নেমেছেন তারা। এ সময় কৃষকেরা রাস্তায় আলু ফেলে প্রতিবাদ করেন। আন্দোলনরত কৃষকরা বলেন, আলু সংক্ষণের ভাড়া কমানো না হলে তারা এই অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাবার যাবেন। পাশাপাশি মহাসড়ক অবরোধসহ কঠোর আন্দোলনের হুমকি দেন কৃষকেরা। প্রতিবাদ বিক্ষোভ শেষে রাজশাহীর নওগাঁ সড়কে থেকে আলু ফেলে আন্দোলন করেন কৃষকরা।
নওহাটা পৌর বিএনপি’র সভাপতি রফিকুল ইসলাম রফিক এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বিএনপি রাজশাহী জেলা শাখার সদস্য সহকারী অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক ও সদস্য ও তানোর পৌরসভার সাবেক মেয়র মিজানুর রহমান মিজান, কৃষক দল কেন্দ্রীয় কমিটির রাজশাহী বিভাগয়ি সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ওয়াদুদ হাসান পিন্টু ও আল-আমিন সরকার টিটু, নওহাটা পৌর বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক এডভোকটে রাকিবুল ইসলাম পিটারসহ বিএনপি’র অন্যান্য নেতৃবৃন্দ, কৃষক ও ব্যবসায়ীগণ উপস্তিত ছিলেন।