সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:২৩ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
নগর উন্নয়নের সঙ্গে পরিবেশের বিষয়টিকেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে: সুইট রাজশাহী বার এসোসিয়েশন ভবনের বিদ্যুতের তার চুরি, ভোগান্তিতে আইনজীবী ও সেবা গ্রহিতারা রাজশাহীতে এডভোকেট খোরশেদ আলম এর মৃত্যুতে ফুলকোর্ট রেভারেন্স রাজশাহীতে বিএসটিআই’র অনুমোদনহীন বেকারীকে দশ হাজার টাকা জরিমানা বরেন্দ্রের মাঠপর্যায়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে বিএমডিএ নির্বাহী পরিচালক এর মতবিনিময় রাজশাহীর ক্রীড়া গৌরব পুনরুদ্ধারে বহুমুখী উন্নয়ন পরিকল্পনা ও টুর্নামেন্ট আয়োজনের ঘোষণা ভূমিমন্ত্রীর বেগম খালেদা জিয়া হচ্ছেন একজন মমতাময়ী মায়ের মূর্ত প্রতীক: ভূমিমন্ত্রী মিনু গণমাধ্যম রাষ্ট্র ও সমাজের গুরুত্বপূর্ণ একটি স্তম্ভ, রাজশাহীতে দৈনিক এদিনের বিভাগীয় প্রতিনিধি সম্মেলন: এমপি মিলন রাজশাহীতে থানার সামনে বিক্ষোভ, ৬০ জনের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেপ্তার ৩ আরডিএ এর ১৫৭ দোকান গায়েব করে বানিয়েছেন সুবিশাল ফার্নিচার শোরুম শফিকুল আউয়াল খান

কাঁটাখালী পৌর মেয়রকে অপসারনের দাবীতে পৌর কাউন্সিলরদের প্রতিবাদ সভা

  • প্রকাশ সময় শুক্রবার, ২৬ নভেম্বর, ২০২১
  • ৬৫৯ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে কটুক্তি ও তাঁর ম্যুরাল নির্মাণ প্রতিহতের ঘোষণা দেয়া আব্বাস আলীকে মেয়র পদ থেকে দ্রুত অপসারণের দাবি জানিয়েছেন রাজশাহীর কাটাখালী পৌরসভার ১২ জন কাউন্সিলর। একই সঙ্গে তাঁকে দ্রুত গ্রেফতার করে শাস্তির দাবি জানান তারা। আজ শুক্রবার সকালে পৌরসভা ভবনে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ সভায় এ দাবি জানান কাউন্সিলরগণ।
সভায় সভাপতিত্ব করেন ৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মঞ্জুর রহমান। তিনি মেয়রকে অপসারণে অনাস্থা প্রস্তাবের রেজুলেশন সাংবাদিকদের পড়ে শোনান। এ সময় তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার পৌরসভার ১২ জন কাউন্সিলরের জরুরী সভায় সর্বসম্মতিক্রমে মেয়রকে অপসারণে অনাস্থা প্রস্তাব গৃহীত হয়। রাতেই তা জেলা প্রশাসক বরাবর দেয়া হয়েছে। কাঁটাখালী পৌরসভার কাউন্সিলর ও কর্মকর্তা-কর্মচারিরা মেয়র আব্বাসের আগ্রাসন থেকে মুক্তি চান। তিনি আরো বলেন, রাজস্ব আদায়ের পৌরসভার ফান্ডের প্রায় সাড়ে ৩ কোটি টাকা ছিল। এখন চা খাওয়ার টাকাও খুজে পাওয়া যাচ্ছে না। হটাৎ করে পৌর ফান্ডের টাকা গায়েব হয়ে গেছে। বিষয়টি দ্রুত তদন্তের দাবি জানান মঞ্জুর রহমান।

তিনি বলেন, করোনাকালিন অনুদান দেয়ার জন্য কাঁটাখালি বাজারের কাপড় ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে ৮০ লাখ টাকা চাঁদাবাজি করেন মেয়র আব্বাস। কিন্তু সে টাকা কাউকে দেয়া হয়েছে বলে তাদের জানা নেই। কারোনাকালে চা ব্যবসায়ীদের অনুদান দেয়ার নামে কয়েক লাখ টাকা পৌরসভার ফান্ড থেকে হাতিয়ে নেন মেয়র। কিন্তু কোন কোন চায়ের দোকানদার করোনাকালে অনুদান পেয়েছে তা কোন কাউন্সিলর বলতে পারবেন না।

তিনি আরো উল্লেখ করেন প্রতি মাসে মেয়রের অবৈধ আয় প্রায় দেড় কোটি টাকা। এটি তিনি গর্ব করে বলে থাকেন। সম্প্রতি তিনি গণমাধ্যমকর্মীদেরও এ কথা বলেছেন। যা পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। সভায় ৮ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আব্দুল মজিদ বলেন, পৌরসভার কাউন্সিলর ও কর্মকর্তা-কর্মচারিদের ৩৬ মাসের বেতন-ভাতা বকেয়া রয়েছে। ফান্ডে টাকা থাকার পরও মেয়র তাঁদের বেতন-ভাতা দেননি।

তিনি আরও বলেন, মেয়র আব্বাস কর্মকর্তা-কর্মচারিদের জোর করে বিভিন্ন কাগজে স্বাক্ষর করতে বাধ্য করেন। কেউ স্বাক্ষর না করলে তাকে চাকরিচ্যুতসহ নানাভাবে হুমকি দেন। এছাড়াও তাঁর কাজের কোন প্রতিবাদ করলে কাউন্সিলর ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অকথ্য ভাষায় গালি-গালাজ করতেন জানান তিনি।

তিনি আরো বলেন, আত্মীয়-স্বজনদের নামে ঠিকাদারী লাইসেন্স করে নগর অবকাঠামো উন্নয়নের কাজ মেয়র নিজে করতেন। আত্মীয়-স্বজনদের নামে হাট-ঘাট ও যানবাহনের টোল আদায়ের ইজারা নিজে ইজারা নিয়েছেন। এসব টোল আদায়ের নামে নিজের লোকজন দিয়ে চাঁদাবাজি করেন। এসব নিয়ে কেউ প্রতিবাদ করলে মেয়র হত্যার হুমকি দেয়াসহ বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখাতেন বলে প্রতিবাদ সভায় কাউন্সিলরগণ উল্লেখ করেন।

শেয়ার করুন

আরো নিউজ দেখুন
© All rights reserved © 2021 dailysuprovatrajshahi.com
Developed by: MUN IT-01737779710
Tuhin