নিজস্ব প্রতিবেদক: ইসরাইলী দখলদার বাহিনী রাফা ও গাজায় বিগত বেশ কয়েক বছর ধরে প্রচন্ড হামলা চালিয়ে আসছে। কিন্তু বর্তমানে এই হামলার তীব্রতা ব্যাপকহারে বৃদ্ধি করেছে ইসরাইল বাহিনী। এটা কোন যুদ্ধ নয়। এটা হচ্ছে জোরপূর্বক দখলদারিত্ব। রাফা ও গাজাকে দখল করে নিজেদের ভূখন্ড হিসেবে গড়ে তুলতে এই হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরাইল বাহিনী। তারা নির্বিচারে হামলা চালিয়ে শিশু, নারী, বৃদ্ধসহ সকল মানুষকে হত্যা করছে। শুধু তাই নয় স্কুল, কলেজ,মাদ্রাসা, মসজিদ, মাজারসহ মুসলিমদের সকল ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করে ফেলেছে। এছাড়াও প্রতিটি বাড়ি ও ভবন ধ্বংসস্তুপে পরিণত করে ফেলেছে।
এ অবস্থা থেকে গাজাবাসীকে রক্ষা এবং গাজায় চলমান ইতিহাসের নৃশংসতম গণহত্যার প্রতিবাদে মঙ্গলবার বেলা বেলা ১১টা দিকে রাজশাহী মহানগরীর সাহেববাজার জিরো পয়েন্টে রাজশাহী মহানগর ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা সমবেত হন। সেখানে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশ থেকে রাজশাহী মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি আকবর আলী জ্যাকি বলেন, রাপা ও গাজায় ইসরাইলী সৈন্যবাহিনী যে হত্যাযোগ্য চালাচ্ছে তা ভাষায় প্রকাশ করা যাবেনা।
তিনি আরো বলেন, ইসরাইল, রাফা ও গাজাকে সমুলে ধ্বংস করতেই এই হামলা করছে। হামলায় শিশুসহ সকলেই শহীদ হচ্ছেন। হাসপাতাল থেকে শুরু করে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় স্থাপনা ও বাসাবাড়ী সব ধ্বংসযজ্ঞে পরিণত করে ফেলেছে। বোমার আঘাতে জনগণ ছিন্নভিন্ন হয়ে যাচ্ছে। এ অবস্থা আর কয়েকদিন চলতে থাকলে গাজায় কোন মানুষ আর থাকবেনা বলে উল্লেখ করেন তিনি। তিনি রাফা ও গাজার মুসলিম ভাই-বোনদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য বিশ্বের সকল মুসলমানদের অনুরোধ করেন। সেইসাথে ইসরাইল ও ইসরাইলকে যে সকল দেশ সহায়তা করছে তাদের উৎপাদিত সকল পন্য বর্জনের আহ্বান জানান তিনি। শেষে পুরো ফিলিস্তিনীবাসিকে রক্ষা করার জন্য দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
মোনাজাত শেষে উপস্থিত সকল শিক্ষার্থী মিলে সাহেববাজার জিরো পয়েন্ট হতে বিক্ষোভ মিছিল বের করে নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুণরায় জিরো পয়েন্টে এসে শেষ করেন। সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময়ে উপস্থিত ছিলেন মহানগর ছাত্রদল নেতা রাকিন রায়হান রবিন ও সাদিউল ইসলামসহ রাজশাহী মহানগর ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নেতৃবৃন্দ।