নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈদ-উল আযহার আর মাত্র পাঁচদিন বাকী। চলতি মাসের ১০ তারিখ অনুষ্ঠিত হবে মুসলমানদের ধর্মীয় উৎসব ঈদ-উল আযহা। প্রচলিত ভাষায় এটা হলো কোরবানীর ঈদ। ধর্মপ্রান মুসলমানরা আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় কোরবানীর জন্য নিজের পছন্দের পশু ক্রয় করছেন। সোমবার ছিলো রাজশাহীর নওহাটা পৌরসভার পশুর হাট। এটা মূলত খাশির হাট নামে পরিচিত। এর পাশাপাশি যত সামান্য গরুও বিক্রি হয়। এই পশুর হাটে যেয়ে দেখা যায় বিভিন্ন ধরনের ছাগল, খাশি ও ভেড়া বিক্রি হচ্ছে এবং অনেক বিক্রেতা পশু বিক্রি করার জন্য রশি ধরে দাঁড়িয়ে আছেন।
ওজন বুঝে ছাগল ও ভেড়ার মূল্য জানতে চাইলে চক দাদপুরের খাশি বিক্রেতা সাইফুর রহমান বলেন, খাশির দাম একেবারেই কম। তাঁর ৩৪-৩৫ কেজি ওজনের খাশির দাম বলছে মাত্র ষোল হাজার টাকা। সুতীর হাটের হেমন্ত বলেন, তিনি নয় হাজার টাকা দিয়ে ভেড়া ক্রয় করে হাটে নিয়ে এসেছেন বিক্রি করতে। সেই ভেড়ার দাম বলছে মাত্র পাঁচ হাজার টাকা। এদের মত এই হাটে ছাগল (খাশি) বিক্রি করতে আসা আব্দুর রাজ্জাক ও ফারুক হোসেনসহ একাধিক বিক্রেতা বলেন, ১৫-১৬ কেজি ওজনের একটি খাশির দাম বলছে মাত্র দশ থেকে এগার হাজার টাকা। এভাবে বাজার থাকলে ব্যপক পরিমানে খামারী, ব্যবসায়ী ও গেরস্থরা ক্ষতির সম্মুখিন হবে।
এদিকে ক্রেতা আব্দুল গফুর, কামাল হোসেন, আব্দুল আজিজ ও সাব্বিরসহ অনেকে বলেন, সাশ্রয়ী মূল্যে সাধ্যের মধ্যে অল্প দামে বেশী ওজন ওয়ালা খাশি কিনতে পেরে তারা খুশি। তারা আরো বলেন, এবারে প্রাণী সম্পদ অফিসের তথ্যমতে ব্যপক পরিমানে কোরবানীর পশু রয়েছে। এজন্য কোরাবানীর পশু নিয়ে কোরবানী দাতাদের কোন চিন্তা নাই বলে উল্লেখ করেন তারা। তবে বর্তমানে যে দাম চলছে এভাবে চলতে থাকলে বিক্রেতাদের এবারে মাথায় হাত বলেও জানান এই ক্রেতাগণ।
পশুর হাােটর টোল আদায়কারীরা বলেন, হাট্ েনিরাপত্তার জন্য আইনশৃংখলা বাহিনী টহল দিচ্ছেন। সেইসাথে মাইকেও সতর্ক বার্তা প্রচার করা হচ্ছে। এক কথায় নির্বিঘ্নে এই পশুর হাট থেকে পছন্দের ছাগল ভেড়া ও খাশি ক্রয় করতে পারবেন বলে জানান তারা।