নিজস্ব প্রতিবেদক: নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি, সকল প্রকার জ্বালানী তেলসহ ডিম, মাছ ও তরিতরকারীর অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির কারনে দিশেহারা হয়ে পড়েছে মানুষ। মধ্যবিত্ত, নিম্ন মধ্যবিত্ত ও নিম্ন শ্রেণির মানুষ এ কারণে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। দুবেলা দুই মুঠো খাবার জোগাড় করতে হিমসিম খাচ্ছেন। পরিবারের সদস্যদের মুখে খাবার তুলে দিতে তারা অনেক কষ্ট পাচ্ছেন। এ অবস্থায় তারা সংসারে খাবার জুটাতে ন্যায্যমূল্যের দোকানে ভীড় করছেন।
নগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ড ও বিভিন্ন মোড়ে ও বাজার এলাকায় ন্যায্যমূল্যে বিক্রি হচ্ছে চাল ও আটা। একটি পরিবার পাঁচ কেজি চাল ও পাঁচ কেজি আটা ক্রয় করতে পারেন। এখানে বৈষম্য রয়েছে। যে পরিবারের দশ জন সদস্য তিনি এবং চার থেকে পাঁচ জনের সংসারে একই পরিমান চাল ও আটা পান। পরিবারের সদস্য অনুযায়ী চাল ও আটা প্রদানের দাবী জানান তারা।
চাল ও আটা ক্রয় করতে আসা কোহিনুর বেগম, শাপলা খাতুন, মতিয়া ও সারাবান বানু বলেন, যেভাবে নিত্যপন্যের মুল্য প্রতিদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। আগামীতে না খেয়ে মরতে হবে বলে উল্লেখ করেন তারা। তারা আরো বলেন, শুধু চাল ও আটা হলেই কি খাওয়া যায়। এস সাথে লবন তেল ও তরিতরকারী প্রয়োজন হয়। চাল ও আটার সাথে তেল, লবন ও চিনি সহ অনান্য নিত্যপন্য ন্যায্যমূল্যে বিক্রি করার জন্য সরকারের প্রতি অনুরোধ করেন তারা।