নিজস্ব প্রতিবেদক: পবায় দলিল লেখকদের হঠাৎ কর্মবিরতীর কারনে অমানবিক ভোগান্তিতে পড়েছেন শত শত জমি রেজিষ্ট্রি করতে আসা জনগণ। দূরদুরান্ত থেকে জমির দলিল করতে আসা একাধিক ব্যক্তি অভিযোগ করে বলেন, যা ইচ্ছা তাই করছে দলিল লেখনগণ। জমির দলিল করতে আসা বাবুসহ অন্যান্যরা বলেন, তারা তাদের বৃদ্ধ বাবা মা ও অন্যান্য নারীদের নিয়ে জমি রেজিষ্ট্রি করার জন্য দলিল করতে আসেন। এসে দেখেন পবা দলিল সমিতির সদস্যরা কর্মবিরতী করে বসে আছেন। দলিল লেখকরা যদি পূর্ব থেকে ঘোষনা দিতেন তাহলে তাদের এই কষ্ট পোহাতে হত না বলে জানান তারা।
দলিল লেখকদের মধ্যে থেকে একজন বলেন, তাদের মূল দাবী মূল দলিল ও সার্টিফাইড কপি সাত দিনের মধ্যে প্রদান করতে হবে। এছাড়াও সিরিয়াল অনুযায়ী দলিল রেজিষ্ট্রি করতে হবে। অনেক সময় সিয়িয়াল ভেঙ্গে সাব রেজিষ্টার দলিল রেজিষ্ট্রি করেন বলে অভিযোগ করেন।
এনিয়ে পবা উপজেলা সাব-রেজিষ্টার গুলশান আরা বেগম বলেন, এটা পবা দলিল লেখক সমিতির নিজের কোন্দল। তিনি নিয়মিত জমির দলিল রেজিষ্ট্রি করে যাচ্ছেন। বৃহস্পতিবারও তিনি অনেক দলিল রেজিষ্ট্রি করেছেন। সিরিয়াল ভাঙ্গা বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, অনেক সময় দলিল লেখক সমিতির নেতৃবৃন্দ নিজেদের দলিল রেজিষ্ট্রি করার কথা বলেন। এছাড়াও অনেক সময় ভিআইপি ব্যক্তি আসেন, তাদের এক-দুইটি দলিল রেজিষ্ট্রি ছাড়া নিয়মমাফিক দলিল রেজিষ্ট্রি করা হয়। কোন প্রকার অনিয়ম করা হয় না।
কর্মবিরতীর কারন জানতে চাইলে পবা সাব-রেজিষ্ট্রি দলিল লেখক সমিতির সাধারণ সম্পাদক লুৎফর রহমান তারেক বলেন, বৃহস্পতিবার কোন কর্মবিরতি হয়নি বলে অস্বীকার করেন। দলিল লেখা এবং রেজিষ্ট্রি হয়েছে। তবে সেখানকার একাধিক দলিল লেখক কর্মবিরতীর কথা স্বীকার করেন।