সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৫৯ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
নগর উন্নয়নের সঙ্গে পরিবেশের বিষয়টিকেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে: সুইট রাজশাহী বার এসোসিয়েশন ভবনের বিদ্যুতের তার চুরি, ভোগান্তিতে আইনজীবী ও সেবা গ্রহিতারা রাজশাহীতে এডভোকেট খোরশেদ আলম এর মৃত্যুতে ফুলকোর্ট রেভারেন্স রাজশাহীতে বিএসটিআই’র অনুমোদনহীন বেকারীকে দশ হাজার টাকা জরিমানা বরেন্দ্রের মাঠপর্যায়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে বিএমডিএ নির্বাহী পরিচালক এর মতবিনিময় রাজশাহীর ক্রীড়া গৌরব পুনরুদ্ধারে বহুমুখী উন্নয়ন পরিকল্পনা ও টুর্নামেন্ট আয়োজনের ঘোষণা ভূমিমন্ত্রীর বেগম খালেদা জিয়া হচ্ছেন একজন মমতাময়ী মায়ের মূর্ত প্রতীক: ভূমিমন্ত্রী মিনু গণমাধ্যম রাষ্ট্র ও সমাজের গুরুত্বপূর্ণ একটি স্তম্ভ, রাজশাহীতে দৈনিক এদিনের বিভাগীয় প্রতিনিধি সম্মেলন: এমপি মিলন রাজশাহীতে থানার সামনে বিক্ষোভ, ৬০ জনের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেপ্তার ৩ আরডিএ এর ১৫৭ দোকান গায়েব করে বানিয়েছেন সুবিশাল ফার্নিচার শোরুম শফিকুল আউয়াল খান

প্রেমতলীর এসআই বরুন প্রত্যাহার, ইনচার্জ বহাল

  • প্রকাশ সময় শুক্রবার, ১ আগস্ট, ২০২৫
  • ২৩২ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজশাহীর গোদাগাড়ীর থানাধীন প্রেমতলী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের আলোচিত উপপরিদর্শক (এসআই) বরুন কুমার সরকারকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। এই এসআইয়ের বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর অভিযোগের শেষ নেই। ৩১ জুলাই বৃহস্পতিবার জেলার পুলিশ সুপার ফারজানা ইসলাম তাকে তদন্ত কেন্দ্র থেকে প্রত্যাহার করে জেলা পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করেন।

পরে এ দিন রাতেই তদন্ত কেন্দ্র ছেড়ে পুলিশ লাইন্সে চলে যান এসআই বরুন কুমার সরকার। এর আগের দিন বুধবার (৩০ জুলাই) আজকের পত্রিকার অনলাইনে ও অনলাইন পোর্টাল ডেইলি সু-প্রভাত রাজশাহীতে ‘প্রেমতলীতে পুলিশের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও হুমকির অভিযোগ’ এবং টাকা ছাড়া কিছুই বোঝেন না প্রেমতলী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পরিদর্শন ও উপপরিদর্শক শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়। এতে প্রেমতলী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক এসএম মাকসুদুর রহমানের আশকারা পেয়ে কীভাবে এসআই বরুন কুমার বেপরোয়া হয়ে ওঠেন সেই তথ্য উঠে আসে।

এরপরই শুরু হয় তদন্ত। প্রকাশিত সংবাদ দুইটিতে যেসব ভুক্তভোগীদের বক্তব্য আসে, পুলিশের পক্ষ থেকে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে অভিযোগের সত্যতাও জানতে চাওয়া হয়েছিল। ভুক্তভোগীরা সব অভিযোগ সত্য জানালে তাৎক্ষণিকভাবে এসআই বরুনকে প্রত্যাহার করা হয়।

উপজেলার বড়গাছি গ্রামের আজিবুল হাসান নামের এক ব্যক্তি বলেছিলেন, সম্প্রতি মাটিকাটা ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য উকিল আলীর ভাই নবাব আলী তাকে পূর্বপরিকল্পিতভাবে মারধর করেন। এ ব্যাপারে তিনি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে অভিযোগ দিলে ইনচার্জ মাকসুদুর রহমান তা তদন্তের দায়িত্ব দেন এসআই বরুন কুমার সরকারকে।

গত সোমবার দুপুরে বরুন সরকার তাকে তদন্ত কেন্দ্রে ডাকেন। এ সময় তিনি মীমাংসার জন্য চাপ দেন। শুধু তাই নয়, এসআই বরুন ফোন করেন ইউপি সদস্য উকিল আলীকে। এসআই বরুনের ফোন থেকে কথা বলার সময় উকিল আলী তাকে তুলে নিয়ে গিয়ে হাত-পা ভেঙে দেওয়ার হুমকি দেন।

আজিবুল হাসান জানান, সংবাদ প্রকাশ হওয়ার পর বৃহস্পতিবার বিকেলে সাদাপোশাকে দুজন পুলিশ কর্মকর্তা তার সঙ্গে দেখা করে অভিযোগের সত্যতা জানতে চান। তিনি তাদের জানান যে, তার অভিযোগ সত্য। তিনি এসআই বরুনের ফোন থেকে উকিলের হুমকি দেওয়ার ভিডিও করে রেখেছিলেন। তিনি তদন্তে যাওয়া পুলিশ কর্মকর্তাদের এই ভিডিও দিয়েছেন।

স্থানীয়রা বলছেন, ইনচার্জ মাকসুদুর রহমান ও এসআই বরুন একেবারেই বেপরোয়া হয়ে উঠেছিলেন। তারা অভিযোগ পেলেই পক্ষপাতিত্ব করতেন। ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে মামলা ও গ্রেপ্তারের ভয় দেখিয়ে তারা প্রচুর টাকাও হাতিয়েছেন। বরুনের প্রত্যাহারে এলাকাবাসী খুশি। এলাকার অনেকেই ইনচার্জ মাকসুদুর রহমানেরও প্রত্যাহার দাবি করেছেন।

গোদাগাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ রুহুল আমিন বলেন, ‘এসআই বরুন কুমার সরকারকে তদন্ত কেন্দ্র থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। ইনচার্জ মাকসুদুর রহমান এখনও আছেন। তার বিরুদ্ধেও যদি কোন সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থেকে থাকে, তাহলে তদন্ত হবে।

শেয়ার করুন

আরো নিউজ দেখুন
© All rights reserved © 2021 dailysuprovatrajshahi.com
Developed by: MUN IT-01737779710
Tuhin