নিজস্ব প্রতিবেদক: ‘থাকবেনা কোন বৈষম্য, অর্জন হবে সাফল্য’ এই প্রতিপাদ্য বিষয় নিয়ে বাংলাদেশ সরকারী মাধ্যমিক বিদ্যালয় বেসরকারী কর্মচারী সমিতি রাজশাহী জেলা ও বিভাগীয় বিভাগীয় শাখার আয়োজনে বুধবার বেলা ১২টার দিকে রাজশাহী জেলা প্রশাসক বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। এর পূর্বে তারা রাজশাহী কোর্ট শহীদ মিনার হতে মিছিল নিয়ে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে যেয়ে শেষ করেন। পরে তারা এই স্মারকলিপি দেন।
এ সময়ে তারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এই সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তারা কাজ করছেন। কাজ কাজ করতে তারা অনেকেই অবসরে চলে গেছেন। কিন্তু তাদের বেতন ভাতা বাড়ানো হয়নি। মাত্র ৩০০০-৫০০০টাকা তাদের বেতন ভাতা। এই বাজারে এসে এই সামান্য টাকা দিয়ে কি হয়। তারা মাসিক ১৫,০০০-১৮,০০০টাকা বেতন ভাতা প্রদান করার জন্য সরকারের প্রতি অনুরোধ জানান। সেইসাথে তাদেরকে রাজস্ব খাতে নিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান বক্তারা। এর সাথে তারা সাত দাবী সমুহ তুলে ধরেন।
দাবীগুলো হলো-বাংলাদেশ সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বেসরকারি সকল কর্মচারীদের চাকুরি জাতীয়করণ করা, চাকুরি স্থায়ীকরণ না হওয়া পর্যন্ত, গত ২২এপ্রিল ২০২৫ তারিখে শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা। অর্থ বিভাগ কর্তৃক প্রকাশিত ২০১৮ সালের বিধি মোতাবেক সকল সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বেসরকারি কর্মচারীদের আউট সর্সিং এর আওতায় নিয়োগ প্রদান করা, চাকুরি স্থায়ীকরণ/আউট সর্সিং না হওয়া পর্যন্ত মাসে ডে লেবারের মুজুরী হিসেবে ১৫০০০-১৮০০০ হাজার টাকা মাসিক মজুরী দেয়া। যতদিন চাকুরি জাতীয়করণ না হয় ততদিন যৌক্তিক হারে বেতন প্রদানের সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করা, চাকুরি জাতীয়করণ না হলে, চাকুরি শেষে পেনশন ও এককালীন অনুদানের ব্যবস্থা গ্রহণ করা, সরকারি বিধি অনুযায়ী বেসরকারী কর্মচারীদের চাকুরি স্থায়ীকরণ না করে, ‘মাধ্যমিক অধিদপ্তরে’কোন শূন্যপদে নিয়োগ না দেওয়া ও ব্রিটিশ আইন বাতিল করে (বাসমাবিবেসকস) এর কর্মচারীদের চাকুরি জাতীয়করণের দেশীয় আইন বাস্তবায়ন করার দাবী জানান।
এ সময়ে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সরকারী মাধ্যমিক বিদ্যালয় বেসরকারী কর্মচারী সমিতি রাজশাহী জেলা ও বিভাগীয় বিভাগীয় শাখার সভাপতি হাবিবুর রহমান, সহ-সভাপতি আব্দুল মান্নান, সাধারণ সম্পাদক সাব্বির হোসেন ও কোষাধ্যক্ষ সেলিম সরকার। এছাড়াও সংগঠনের সদস্য শফিকুল, পারুল, আশা, শাহাদৎ, মিজানুর, নাদিম মন্ডল ও হিরুসহ আরো অনেকে উপস্থিত ছিলেন।