নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজশাহীর সিটি হাট, আমিরপুর ফেরিঘাট, বিষপুর ফেরিঘাট, সাহেববাজার, লক্ষ্মীপুর বাজার, কোর্ট বাজার ও ভূবনমোহন পার্ক সংলগ্ন পাবলিক টয়লেট এর টোল আদার করা হচ্ছে পহেলা বৈশাখ সোমবার থেকে। অথচ বাংলা চলতি সনের টোল আদায় করার জন্য কোনটাতে ওয়ার্ক ওর্ডার দেয়া হয়নি। এমনটাই অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগ সম্পর্কে জানতে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনে গেলে ভারপ্রাপ্ত উপসচিব তৈমুর রহমান বলেন, যারা এক বছরের জন্য হাট, ঘাট, বাজার ও পাবলিক টয়লেট ইজারা পেয়েছেন তারা সব টাকা দেননি। কিন্তু তারা সমস্তস্থানে টোল আদায় শুরু করেছে। তাদেরকে সাতদিন সময় দেয়া হয়েছে সমস্ত টাকা পরিশোধ করার জন্য। এই টাকা যদি ইজাদাররা সময়মত না দেন তাহলে তাদের ইজারা বাতিলসহ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। সেইসাথে তাদের জামানতের টাকা বায়জাপ্ত করে দেয়া হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি আরো বলেন, ঐ সকল ইজাদারদের কোন প্রকার ওয়ার্ক দেয়া হয়নি। ওয়ার্ক ওর্ডার ছাড়া কিভাবে নতুন ইজারাদাররা টোল আদায় করতে পারে এমন প্রশ্নের কোন সঠিক উত্তর তিনি দিতে পারেননি। এছাড়াও তিনি প্রতিবেদককে বেশী তথ্য দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন।
তবে ইজারার নিয়ম সম্পর্কে জানা যায়, প্রাপ্ত ইজাদাররা সম্পূর্ন টাকা পরিশোধ না করলে কোনভাবেই ওয়ার্ক ওর্ডার দেয়ার কোন বিধান নাই। যারা ইজারা পাবেন তাদের কর্তৃপক্ষ নোটিশ করে ভ্যাট, ট্যাক্সসহ সমস্ত অর্থ প্রদান করার একটি নির্দিষ্ট সময়ে বেধে দিয়ে নির্দেশনা দেন। সে সময়ের মধ্যে সমুদ্বয় অর্থ পরিশোধ না করলে ঐ ইজারাদারের ইজারাত্ব বাতিল করার এখতিয়ার কর্তৃপক্ষের রয়েছে।
এ বিষয়ে ঐ সকল হাট, ঘাট, বাজার এবং পাবলিক টয়েলেটের সাবেক ইজাদারদের মধ্যে থেকে অনেকেই বলেন, ইজারার টাকা ভ্যাট, ট্যাক্সসহ প্রদান না করা পর্যন্ত নতুন ইজাদাররা কোনভাবেই টোল আদায়ে ক্ষমতা রাখেনা। তবে সিটি কর্পোরেশন যা করেছে এটা ঠিক করেনি। টাকা পরিশোধের সময় দেয়ার কোন নিয়ম নেই। সিটি কর্পোরেশনের কর্তৃপক্ষ কোন আইনে টাকা বাঁকী রেখে টোল আদায়ে অনুমতি দিয়েছেন তা নিয়ে সবার মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।