নিজস্ব প্রতিবেদক: কোরবানীকে সামনে রেখে সাধ্যের মধ্যে পশু ক্রয় করেছেন নগরীর অনেক ধর্মপ্রান মানুষ। এর মধ্যে অনেকে ভাগে এবং নিজে ক্রয় করেছেন গরু ও মহিষ । এরমধ্যে কোরবানীর জন্য ছাগল ও ভেড়া ক্রয় করেছেন অনেক ব্যক্তি। নগর জীবনে ছাগল ও ভেড়াকে খাওয়নোর সব থেকে বেশী প্রয়োজন কাঁঠাল পাতা। এই পাতা ছাড়া শহরে ছাগল ভেড়া বাঁচিয়ে রাখা অত্যন্ত কষ্টকর।
আর এই কাঁঠাল পাতা অনেক ব্যক্তি বাড়িতে বাড়িতে পৌঁছে দেন। আবার অনেকেই একটি নির্দিষ্টস্থানে বসে ব্যবসা করেন। শুক্রবার নগরীর বহরমপুর রেলগেট সংলগ্নস্থানে বসে কাঁঠাল পাতা বিক্রেতা রাজেমা বলেন, তার বাড়ি শহরের নিকটবর্তী এলাকা আলীগঞ্জে। তিনি দীর্ঘদিন থেকে এই স্থানে বসে কাঁঠালপাতা বিক্রি করে আসছেন। এই ব্যবসা করে তিনি পরিবারের ব্যয় নির্বাহ করে থাকেন। জানতে চাইলে তিনি বলেন, এই ব্যবসা করে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে সংসার পরিচালনা করায় কোন সমস্যা হয়না। আঁটি প্রতি মূল্য জানতে চাইলে তিনি বলেন সারা বছর এক আঁটি পাতা ১০টাকায় বিক্রি করেন। তবে কোরবানীর ঈদে কাঁঠাল পাতার চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় আটি প্রতি কিছুটা মূল্য বেড়ে যায়। তিনি এখন তিন আটি পাতা ৪০টাকায় বিক্রি করছেন। কারন জানতে চাইলে রাজেমা বলেন, চাহিদা বাড়ায় পাতা বেশী দরে কিনতে হয়। সেজন্য তিনিও বেশী দরে বিক্রি করেন।
কাঁঠাল পাতা ক্রেতা হায়দার আলী, রবিউল ইসলাম, মাসুদ, নজরুল ও জনিসহ আরো অনেকে বলেন, সব কিছুর মূল্য প্রতিদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। আর কাঁঠাল পাতার দাম বৃদ্ধি পাবেনা কেন। তবে দুইদিন পূর্বেও ১০টাকা আটি কাঁঠাল পাতা ক্রয় করেছেন। কিন্তু শুক্রবার থেকে তিন আটি ৪০টাকায় ক্রয় করতে হচ্ছে। এখন বাধ্য হয়েই পাতা ক্রয় করতে হচ্ছে বলে উল্লেখ করেন তারা। কারন ঈদ আসলে সকল ব্যবসায়ী তাদের পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি করেন।