নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের অন্তর্গত বিষপুর ফেরিঘাট ও সিটিহাট ইজারা দেয়ার জন্য দরপত্র আহ্বান করা হয়। ১৪৩২ বঙ্গাব্দের ১লা বৈশাখ হতে ১০ চৈত্র পর্যন্ত এক বছর মেয়াদি অস্থায়ীভাবে ইজারা প্রদানের জন্মগত পেশাদার পার্টনীর নিকট হতে এবং গরুর হাট পরিচালনায় দক্ষ ঠিকাদারের নিকট হতে সরকার কর্তৃক আরোপিত শর্ত সম্মলিত/সিডিউল ফরমে দরপত্র আহ্বান করা হয়।
কিন্তু এবারের দরপত্র বিগত বছরের থেকে চারগুন বৃদ্ধি পেয়েছে। সিটিহাট প্রায় সতের কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এ নিয়ে এবারে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। রোববার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সিটিহাটে যেয়ে বিষয়ে জানতে চাইলে নাম প্রকাশ না শর্তে সিটিহাটের ব্যবসায়ীরা বলেন, এবারের যে পরিমান টাকা ইজারা হয়েছে তাতে সিটিহাটে পশু ক্রয় করা অনেক কষ্ট সাধ্য হয়ে পড়বে। কারণ ইজারাদাররা পশু প্রতি বেশী করে টাকা টোল আদায় করবেন। তারা আরো বলেন, সিটি কর্পোরেশনের পলাতক মেয়র খায়রুজ্জামান লিটনের সময়ে কথিত ইজারাদাররা মেয়রক ম্যানেজ করে খুব অল্প টাকায় সিটি হাট ইজারা নিতেন।
ঐ সময়ে মেয়রের অনুগত ছাড়া কোন ঠিকাদার টেন্ডোর ফেলতে পারতনা বলে জানান তারা। এছাড়াও সেই ইজারা নেয়ার পুর্বে টেন্ডার ড্রপ করার সময় ব্যাংকে একটি নির্দিশ টাকার বিডি জমা দিতে হয়। কিন্তু বিগত ইজারদাররা মের এবং ঐ সকল কর্মকর্তার সাথে সমন্বয় করে সে বিডিও জমা দিতেন না বলে অভিযোগ করেন তারা। ঐ সকল কর্মকর্তারা এখনো আছেন বলে তাদের সন্দেহটা বেশী রয়েছে বলে উল্লেখ করেন তারা।
তারা আরো বলেন, পলাতক ইজারাদাররা বিডির টাকা হাটে ব্যবসা করে ছয়মাস পড়ে জমা দিতেন। এবারেও যেন সেই একই অবস্থা না হয় সেদিকে কঠোর নজরদারী রাখার জন্য সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণের বিশেষ দৃষ্টি আকর্ষন করেন তারা। এদিকে সচেতন নাগরীক বলেন, বিগত দিনে সাবেক পলাতক মেয়র সরকারকে হাজার হাজার টাকা কর ফাঁকী দিয়েছেন । এরজন্য মেয়রসহ এর সঙ্গে জড়িত সকলের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে বিচার দাবী করেন তারা।