নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজশাহীর পবা উপজেলার নওহাটায় অবস্থিত সরকারী খাদ্য গোডাউন (এল.এস.ডি) আকস্মিক পরিদর্শনে যান বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির ত্রান ও পুনর্বাসন বিষয়ক সহ-সম্পাদক ও পবা-মোহনপুর আসনের সংসদ সদস্য এডভোকেট মোহাম্মদ শফিকুল হক মিলন। তিনি গতকাল দুপুরে এই পরিদর্শন করেন। অত্র গোডাউনের একটি খবর দেখে তিনি সেখানে যান এবং প্রকৃত তথ্য ও সঠিক ঘটনা জানতে চান। সেইসাথে কোন প্রকার অনিয়ম ও দুর্নীতি তিনি বরদাস্ত করবেন না বলে সাফ জানিয়ে দেন।
এ সময়ে সেখানকার কর্মরত শ্রমিক মনিরুল ইসলাম, আনোয়ার হোসেন, ও অনিকসহ আরো অনেকে বলেন, আবু সাইদ লাল ট্রাকে করে গোডাউনে খাদ্য আনা নেয়া করেন। শুক্রবার বিকেলেও দিকে গোডাউন থেকে ট্রাকে মাল উত্তোলনের জন্য আসেন। কিন্তু সে সময়ে তারা গোডাউনে ছিলেন না। জুম্মার নামাজ পরে তারা বাড়ি চলে যান। আর তারা প্রতি ট্রাক থেকে মাল লোড-আনলোড করতে নিয়মানুযায়ী বিশ টন মালের বিপরীতে মাত্র আটশত টাকা ভাউচারের মাধ্যমে নেন। তারা আরো বলেন, আবু সাইদ লাল, পতিত সরকারের দোসর। তিনি সর্বাদা গোডাউনে এসে শ্রমিকদের সাথে খারাপ আচরণ করেন। শুধু তাইনয় তিনি নিয়মনীতি মানতে চাননা বলে অভিযোগ করেন তারা।
এ বিষয়ে পবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইবনুল আবেদীন গোডাউনে নিয়মানুযায়ী মালামাল লোড-আনলোড করার পরামর্শ দেন। সেইসাথে কাউকে কোন প্রকার বাড়তি সুযোগ সুবিধা না দেয়া এবং কোন প্রকার সমস্যা হলে তাঁকে জানানোর কথা বলেন। সেইসাথে প্রয়োজন ছাড়া গোডাউনের গেট সর্বদা বন্ধ রাখার পরামর্শ দেন তিনি। গোডাউন ইনচার্জ মিজানুর রহমান বলেন, মালামাল লোড-আনলোড করতে অনেক সময়ে কিছুটা ছাড় দিতে হয়। তবে লাল যে অভিযোগ করেছেন তা সত্য নয়। এখানকার শ্রমিকরা নিয়ামানুযায়ী অর্থ নেন। তবে এ বিষয়ে তিনি আরো সতর্ক থাকবেন বলে জানান।