বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ০১:৫২ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
রাজশাহীতে কোরবানীর পশু উদ্বৃত্ত প্রায় নব্বই হাজার: জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা চাঁদা না দেওয়ায় আবাসন ব্যবসায়ীকে অপহরণের চেষ্টা: থানায় অভিযোগ রাজশাহীতে বিএসটিআই’র অনুমোদনহীন ও মেয়াদ উত্তীর্ণ কসমেটিকস বিক্রি করায় জরিমানা রাজশাহীতে খাল খননে ৫০ শতাংশ অগ্রগতি: জেলা প্রশাসক একজন কাজ পাগল মানুষ পবা-মোহনপুরের এমপি মিলন রাসিক ১৬নং ওয়ার্ড সাবেক কাউন্সিলর বেলাল আহমেদের মায়ের ইন্তেকাল রাজশাহীতে স্বল্পমূল্যে টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু দুর্নীতি প্রতিরোধে জনসচেতনতা বাড়াতে রাজশাহীতে দুদকের প্রশিক্ষণ কর্মশালা রাজশাহীতে জলবায়ু সহনশীল খাদ্য ব্যবস্থা নিয়ে আঞ্চলিক সংলাপ অনুষ্ঠিত রাজশাহীতে রিপ্রেজেনন্টেটিভ প্রতিবাদ সভা ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

রাজশাহীর পবায় শতবর্ষী পাইকর গাছ রক্ষায় জেলা প্রশাসকের নিকট আবেদন

  • প্রকাশ সময় মঙ্গলবার, ২২ জুন, ২০২১
  • ৪৫১ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজশাহীর পবা উপজেলা দামকুড়া থানার সামনে মধুপুর বটতলা নামে পরিচিত শতবর্ষী পাইকর গাছ কাটার পাঁয়তারা করছে এক ঠিকাদার। গাছটি রাজশাহী জেলা পরিষদের হওয়ায় জেলা পরিষদ এটা টেন্ডার দিয়েছে বলে জানা গেছে। এই গাছ রক্ষায় পবা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক স্বাক্ষরিত একটি আবেদন জেলা প্রশাসক বরাবরে প্রদান হয়েছে। সেখানে শতাধিক ব্যক্তি স্বাক্ষর করেছেন।
আবেদন উল্লেখ করা হয়। গাছটি বয়স একশ বছরের অধিক হয়েছে। এই গাছের নিচে শত শত মানুষ বিশ্রাম করে। শান্তির নিশ্বাস নেয়। এছাড়াও হাজার হাজার পাখি এই গাছে বসবাস করে। এই গাছটি কেটে ফেললে একদিকে যেমন জনগণের বিশ্রামের স্থান নষ্ট হবে। তেমনি পাখি হারাবে তাদের নিবাস। এলাকাবাসী এই গাছ না কাটতে দেয়ার জন্য প্রসাশনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। সেইসাথে আজ বুধবার গাছের নিচে সকাল ১০টায় এই গাছ রক্ষায় এলাকাবাসী মানববন্ধন করবেন বলে জানান তারা।
এবিষয়ে পবা উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক তফিকুল ইাসলাম বলেন, এইা গাছ তার বাবা দাদার আমল থেকে দেখে আসছেন। এখানে অনেক পথচারী গরমে এবং বৃষ্টিতে আশ্রয় নেয়। সেইসাথে অনেক পাখি এই গাছে বসবাস করে। এছাড়াও এই গ্রাম ও মোড়ের পরিচিতি এই গাছ। কোনভাবেই এই গাছ কর্তন দেয়া হবেনা বলে জানান তিনি।
এদিকে দামকুড়া থানার অফিসার ইনচার্জ মাহবুব আলম বলেন, বিষয়টি তিনি জানেন। একদিন কাটতে এসেছিলো। কিন্তু এলাকাবাসী তাদের ফিরিয়ে দিয়েছেন। তবে এখানে কোন গন্ডোগোল হয়নি বলে জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।
ঠিকাদার মেসার্স বকুল এন্টারপ্রাইজ এর স্বত্বাধিকারী বকুল হোসেন বলেন, তিনি জেলা পরিষদ থেকে টেন্ডারে মাধ্যমে সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে কাশিডাঙ্গা হতে কাঁকনহাটের তিলাহারী পর্যন্ত মোট ১৯টি গাছ দুই লক্ষ ঊনআশি হাজার পাঁচশত টাকা দিয়ে নিয়েছেন। তিনি সব টাকা পরিশোধ করেছেন। করোনার কারনে তিনি গাছ কাটতে যাননি। এখন এই গাছ কাটতে যাওয়ার কথা শুনে এলাকবাসী বাধা দিচ্ছে। অথচ এই গাছ অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ বলে তিনি দাবী করেন। এ বিষয়ে তিনি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বরাবরে একটি আবেদন করেছেন বলে জানান তিনি। এই গাছের বাজার মূল্য এলাকাবাসী দিলে তিনি গাছ কাটবেন না বলে জানান ঠিকাদার বকুল।

শেয়ার করুন

আরো নিউজ দেখুন
© All rights reserved © 2021 dailysuprovatrajshahi.com
Developed by: MUN IT-01737779710
Tuhin