রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৩৫ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
রাজশাহীর ক্রীড়া গৌরব পুনরুদ্ধারে বহুমুখী উন্নয়ন পরিকল্পনা ও টুর্নামেন্ট আয়োজনের ঘোষণা ভূমিমন্ত্রীর বেগম খালেদা জিয়া হচ্ছেন একজন মমতাময়ী মায়ের মূর্ত প্রতীক: ভূমিমন্ত্রী মিনু গণমাধ্যম রাষ্ট্র ও সমাজের গুরুত্বপূর্ণ একটি স্তম্ভ, রাজশাহীতে দৈনিক এদিনের বিভাগীয় প্রতিনিধি সম্মেলন: এমপি মিলন রাজশাহীতে থানার সামনে বিক্ষোভ, ৬০ জনের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেপ্তার ৩ আরডিএ এর ১৫৭ দোকান গায়েব করে বানিয়েছেন সুবিশাল ফার্নিচার শোরুম শফিকুল আউয়াল খান রাজশাহীতে জিয়া মঞ্চের বিভাগীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত মালিক-শ্রমিকদের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বে রাজশাহী থেকে আন্তঃজেলা বাস চলাচল বন্ধ কেশরহাট পৌরসভাকে আধুনিকায়ন করা হবে: এমপি মিলন রাজশাহীতে সিএনজি মালিক সমিতির উদ্যোগে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্পের উদ্বোধন রাজশাহী আরডিএ পার্কের পুকুরে মাছ অবমুক্ত ও বৃক্ষরোপর করেন আরডিএ চেয়ারম্যান

রাজশাহীর পবায় শতবর্ষী পাইকর গাছ রক্ষায় জেলা প্রশাসকের নিকট আবেদন

  • প্রকাশ সময় মঙ্গলবার, ২২ জুন, ২০২১
  • ৫৩৭ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজশাহীর পবা উপজেলা দামকুড়া থানার সামনে মধুপুর বটতলা নামে পরিচিত শতবর্ষী পাইকর গাছ কাটার পাঁয়তারা করছে এক ঠিকাদার। গাছটি রাজশাহী জেলা পরিষদের হওয়ায় জেলা পরিষদ এটা টেন্ডার দিয়েছে বলে জানা গেছে। এই গাছ রক্ষায় পবা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক স্বাক্ষরিত একটি আবেদন জেলা প্রশাসক বরাবরে প্রদান হয়েছে। সেখানে শতাধিক ব্যক্তি স্বাক্ষর করেছেন।
আবেদন উল্লেখ করা হয়। গাছটি বয়স একশ বছরের অধিক হয়েছে। এই গাছের নিচে শত শত মানুষ বিশ্রাম করে। শান্তির নিশ্বাস নেয়। এছাড়াও হাজার হাজার পাখি এই গাছে বসবাস করে। এই গাছটি কেটে ফেললে একদিকে যেমন জনগণের বিশ্রামের স্থান নষ্ট হবে। তেমনি পাখি হারাবে তাদের নিবাস। এলাকাবাসী এই গাছ না কাটতে দেয়ার জন্য প্রসাশনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। সেইসাথে আজ বুধবার গাছের নিচে সকাল ১০টায় এই গাছ রক্ষায় এলাকাবাসী মানববন্ধন করবেন বলে জানান তারা।
এবিষয়ে পবা উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক তফিকুল ইাসলাম বলেন, এইা গাছ তার বাবা দাদার আমল থেকে দেখে আসছেন। এখানে অনেক পথচারী গরমে এবং বৃষ্টিতে আশ্রয় নেয়। সেইসাথে অনেক পাখি এই গাছে বসবাস করে। এছাড়াও এই গ্রাম ও মোড়ের পরিচিতি এই গাছ। কোনভাবেই এই গাছ কর্তন দেয়া হবেনা বলে জানান তিনি।
এদিকে দামকুড়া থানার অফিসার ইনচার্জ মাহবুব আলম বলেন, বিষয়টি তিনি জানেন। একদিন কাটতে এসেছিলো। কিন্তু এলাকাবাসী তাদের ফিরিয়ে দিয়েছেন। তবে এখানে কোন গন্ডোগোল হয়নি বলে জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।
ঠিকাদার মেসার্স বকুল এন্টারপ্রাইজ এর স্বত্বাধিকারী বকুল হোসেন বলেন, তিনি জেলা পরিষদ থেকে টেন্ডারে মাধ্যমে সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে কাশিডাঙ্গা হতে কাঁকনহাটের তিলাহারী পর্যন্ত মোট ১৯টি গাছ দুই লক্ষ ঊনআশি হাজার পাঁচশত টাকা দিয়ে নিয়েছেন। তিনি সব টাকা পরিশোধ করেছেন। করোনার কারনে তিনি গাছ কাটতে যাননি। এখন এই গাছ কাটতে যাওয়ার কথা শুনে এলাকবাসী বাধা দিচ্ছে। অথচ এই গাছ অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ বলে তিনি দাবী করেন। এ বিষয়ে তিনি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বরাবরে একটি আবেদন করেছেন বলে জানান তিনি। এই গাছের বাজার মূল্য এলাকাবাসী দিলে তিনি গাছ কাটবেন না বলে জানান ঠিকাদার বকুল।

শেয়ার করুন

আরো নিউজ দেখুন
© All rights reserved © 2021 dailysuprovatrajshahi.com
Developed by: MUN IT-01737779710
Tuhin