নিজস্ব প্রতিবেদক: বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থার কর্মীরা চাকুরী জীবী হলে হত দরিদ্র জনগনের কোন উন্নয়ন হবেনা। কারন চাকুরীজীবীরা ৯টা-৫টা অফিস করেন। আর উন্নয়নকর্মীদের অফিসের কোন সময় নেই। যতক্ষণ কাজ ততক্ষণ অফিস বলে সোমবার বিকেলে বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা শাপলা গ্রাম উন্নয়ন সংস্থার ২৩তম প্রতিষ্ঠা বাার্ষিকী উপলক্ষে নগরীর শিল্পকলা একাডেমিতে আলোচনা, বঙ্গবন্ধু উচ্চ শিক্ষা বৃত্তি প্রদান ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পল্লী কর্ম- সহায়ক ফাউন্ডেশন চেয়ারম্যান বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ, গবেষক ও উন্নয়ন চিন্তাবিদ ড. কাজী খলীকুজ্জামান আহমদ এই কথা গুলো বলেন।
তিনি বলেন, উন্নয়ন কমীরা যেমন দেশের দারিদ্র বিমোচনে বিশেষ রাখে তেমনি. এই সকল উন্নয়ন কর্মীদের দিকেও সংস্থার প্রধানের বিশেষ খেয়াল রাখতে হবে। শাপলা গ্রাম উন্নয়ন সংস্থার কার্যক্রমের প্রসংশা করে তিনি বলেন, আগে ঋণ প্রদানকারী সংস্থাগুলোকে সুদের কারখানা বলা হতো। কিন্তু এখন এ অবস্থার পরিবর্তন হয়েছে। ঋন কার্যক্রম পরিচালনাকারী সংস্থাগুলো অনেক সামাজিক কাজ করছে। আগামীতে এই সংস্থা আরো বেশী মানুষের সেবায় নিয়োজিত হবে এই আশা ব্যক্ত করে বক্তব্য শেষ করেন প্রধান অতিথি।

আলোচনার সভার পূর্বে বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে কর্মসূচীর উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি। এছাড়াও প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যের পূর্বে দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের বঙ্গবন্ধু শিক্ষা বৃত্তি এবং সংস্থার কৃতি খেলোয়ারদের হাতে ক্রেষ্ট তুলে দেন। সেইসাথে সংস্থার পক্ষ থেকে প্রধান অতিথিসহ অন্যান্য অতিথিদের ক্রেষ্ট দিয়ে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়। এছাড়াও সংস্থার কার্যক্রম সমুহ তুলে ধরতে একটি ডকুমেন্টারী প্রদর্শন করা হয়। এরপর কেক কাটেন অতিথিবৃন্দ।
শুভেচ্ছা বক্তব্য, সংস্থার প্রতিষ্ঠা কিভাবে হয়, দীর্ঘ পথচলা এবং বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে তুলে ধরেন সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক মহসিন আলী। অত্র সংস্থার সভাপতি আব্দুর রউফ কবিরাজ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পল্লী কর্ম- সহায়ক ফাউন্ডেশন এর পরিচালনা পর্ষদের সদস্য ড. আবদুল মুঈদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ড. জাহেদা আহমদ ও পল্লী কর্ম- সহায়ক ফাউন্ডেশন এর অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. জসীম উদ্দিন। এছাড়াও বিভিন্ন বেসসরকারী উন্নয়ন সংস্থার প্রধান, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও সংস্থার অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

অনষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সংস্থার মানবসম্পদ উন্নয়ন বিভাগের সমন্বয়কারী জাহাঙ্গীর আলম। সব শেষে সংস্থার কালাচারাল স্কুলের পরিবেশনায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।