সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:০৩ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
পবা ইউএনও এর উদ্যোগে দীর্ঘ ২২ বছরের দুর্ভোগ কাটল এক দিনে নগর উন্নয়নের সঙ্গে পরিবেশের বিষয়টিকেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে: সুইট রাজশাহী বার এসোসিয়েশন ভবনের বিদ্যুতের তার চুরি, ভোগান্তিতে আইনজীবী ও সেবা গ্রহিতারা রাজশাহীতে এডভোকেট খোরশেদ আলম এর মৃত্যুতে ফুলকোর্ট রেভারেন্স রাজশাহীতে বিএসটিআই’র অনুমোদনহীন বেকারীকে দশ হাজার টাকা জরিমানা বরেন্দ্রের মাঠপর্যায়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে বিএমডিএ নির্বাহী পরিচালক এর মতবিনিময় রাজশাহীর ক্রীড়া গৌরব পুনরুদ্ধারে বহুমুখী উন্নয়ন পরিকল্পনা ও টুর্নামেন্ট আয়োজনের ঘোষণা ভূমিমন্ত্রীর বেগম খালেদা জিয়া হচ্ছেন একজন মমতাময়ী মায়ের মূর্ত প্রতীক: ভূমিমন্ত্রী মিনু গণমাধ্যম রাষ্ট্র ও সমাজের গুরুত্বপূর্ণ একটি স্তম্ভ, রাজশাহীতে দৈনিক এদিনের বিভাগীয় প্রতিনিধি সম্মেলন: এমপি মিলন রাজশাহীতে থানার সামনে বিক্ষোভ, ৬০ জনের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেপ্তার ৩

৫১ বছর পরেও সবাই মনোযোগ দিয়ে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষন শোনেন : বিভাগীয় কমিশনার

  • প্রকাশ সময় সোমবার, ৭ মার্চ, ২০২২
  • ৩৫৬ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: নানা আয়োজনে রোববার রাজশাহীতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণের দিনটিকে জাতীয় দিবস হিসেবে দ্বিতীয়বারের মত যথাযোগ্য মর্যাদায় উদ্যাপন করা হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে সকাল ১১০টায় জেলা শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুস্পস্তবক অর্পণ করা হয়। এরপরর সকাল সোয়া ১০টায় একই স্থানে ‘৭ মার্চের ভাষণ প্রচার করা হয়। সেইসাথে রাজশাহী জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে ‘৭ মার্চ : স্বাধীনতার জীয়নকাঠি’ শীর্ষক এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার জি এস এম জাফরউল্লাহ্ এনডিসি প্রধান অতিথি হিসেবে তাঁর বক্তব্যে বলেন, ৭ মার্চের ভাষণ শুনতে একটি মানুষও অমনোযোগী ছিল না। ৫১ বছর পরেও সব মানুষ মনোযোগের সাথে তাঁর এই ঐতিহাসিক ভাষণ শোনেন। তাঁর বক্তব্যের প্রতিটি শব্দ ব্যাকরণের মত। তিনি বলেন, যারা বৃদ্ধ হয়ে গেছে, বয়সের ভারে নুয়ে গেছে তাদের যদি ৭ মার্চের ভাষণ শুনানো হয় তারাও উজ্জীবিত হবে। এ ভাষণ যদি রোগীকে প্রেসক্রিপশন হিসেবে তুলে দেওয়া যায় তবে সেটাও হবে পথ্য। শুধু তাইনয় এই ভাষা সারাবিশ্বব্যাপি নন্দিত হয়েছে। তিনি কবির ভাষায় বলেন, তোমরা জানো না ইতিহাস জানে আমার বিনাশ নাই! এই বাংলায় প্রতিটি দিবসে আমি রোজ জন্মাই।
সভায় সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী জেলা প্রশাসক আব্দুল জলিল। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার জি এস এম জাফরউল্লাহ্ এনডিসি। প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন রাজশাহী বিশ^বিদ্যালয়ের অধ্যাপক মলয় ভৌমিক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত ডিআইজি জয়দেব কুমার ভদ্র, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার সুজায়েত ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু সালেহ মোঃ আশরাফুল আলম, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী কামাল, রাজশাহী মহানগর সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা ডাক্তার আব্দুল মান্নান।
আলোচনা সভায় উপস্থিত বক্তাগণ ঐতিহাসিক ৭ মার্চের গুরুত্ব ও তাৎপর্য তুলে ধরেন। বক্তাগণ বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ বিশ^নন্দিত অলিখিত ভাষণের মাধ্যমে বাঙালির হৃদয়-স্পন্দনে প্রবেশ করেছিলেন। তিনি জনতার মনের ভাষা বুঝতে পেরেছিলেন। তাই তিনি বলেছিলেন, এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।
বক্তারা আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু এ দিন স্বাধীনতার ডাক দিয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, তোমরা ঘরে ঘরে দূর্গ গড়ে তোল, যার যা কিছু আছে তাই নিয়ে শত্রুর মোকাবেলা করতে হবে। বঙ্গবন্ধুর ডাকেই বাংলার জনতা মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণে উদ্বুদ্ধ বাঙালি জাতি পাকিস্তানি শত্রুদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে ছিনিয়ে আনে লাল-সবুজের পতাকা।
তাঁরা বলেন, বঙ্গবন্ধুর রাজনীতি বিলাশবহুল গাড়িতে ছিল না, তাঁর রাজনীতি ছিল মাঠে-ঘাটে জনতার সাথে একাত্ম হয়ে। তিনি জনতাকে আগুনের মুখে রেখে পালিয়ে যাননি। তিনি বাংলার মানুষের ন্যায্য দাবি আদায়ে ছিলেন দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। সে কারণে বঙ্গবন্ধুর উপর জনগণের বিশ^াস ছিল অপরিসীম। ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু রেসকোর্স ময়দানে ১০ লক্ষ জনতাকে জিজ্ঞেস করেছিলেন আমার উপর তোমাদের বিশ^াস আছে, সবাই একযোগে বলেছিল হ্যাঁ আছে।
সভা শেষে রাজশাহী জেলা শিল্পকলা একাডেমি ও বাংলাদেশ শিশু একাডেমি আয়োজিত বিভিন্ন প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার ও সনদ তুলে দেয়া হয়। এদিন সূর্যোদয়ের সাথে সাথে সকল সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ভবন এবং সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়।

শেয়ার করুন

আরো নিউজ দেখুন
© All rights reserved © 2021 dailysuprovatrajshahi.com
Developed by: MUN IT-01737779710
Tuhin