নিজস্ব প্রতিবেদক: আগামী বছরে অনুষ্ঠিত হবে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এই নির্বাচনে আবারও আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য তৃনমূল পর্যায়ে বেশ জোরেসরে কাজ শুরু করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলা আওয়ামী লীগকে আরো সুসংগঠিত করতে কাজ করছে গোদাগাড়ী উপজেলা আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবন্দ। রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের অনুমোদন সাপেক্ষে ও গোদাগাড়ী উপজেলা আওয়ামী লীগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এবং তানোর-গোদাগাড়ী আসনের সংসদ সদস্য সাবেক শিল্প প্রতিমন্ত্রী জননেতা ওমর ফারুক চৌধুরীর নির্দেশনা ও পরামর্শক্রমে এই কর্মসূচী গ্রহন করা হয়েছে।
এ বিষয়ে রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সদস্য, কাঁকনহাট পৌর আওয়ামী লীগের সংগ্রামী সভাপতি, কাঁকনহাট পৌরসভা এলাকায় আওয়ামী লীগের জোয়ারে একমাত্র কর্ণধার ও তিনবারের সাবেক সফল কাঁকনহাট পৌর মেয়র আলহাজ্ব আব্দুল মজিদ মাস্টার বলেন, জননেতা তানোর-গোদাগাড়ীর মানুষের প্রাণের নেতা আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরী তাঁর সংসদীয় আসনের আওয়ামী লীগকে সংগঠিত করতে এবং তানোর-গোদাগাড়ীকে আওয়ামী লীগের ঘাটি হিসেবে প্রধানমন্ত্রীকে উপহার দিতে তাঁদের উপরে দায়িত্ব দিয়েছেন প্রথমে ওয়ার্ড, পর্যায়ে সম্মেলনের মাধ্যমে কমিটি গঠন করার জন্য। পরে হবে ইউনিয়ন ও পৌরসভা এবং সর্বশেষ কাউন্সিলরের মাধ্যমে উপজেলা আওয়ামী লীগের কমিটি গঠন করা হবে।
মজিদ মাস্টার আরো বলেন, তাঁর নির্দেশনা অনুযায়ী কমিটি গঠন করার লক্ষে তিনিসহ পাঁচজন নেতাকে আহবায়ক করে পাঁচটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। অন্যান্যরা হলেন, গোদাগাড়ী পৌরসভা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পৌর মেয়র ওয়েজ উদ্দিন বিশ্বাস, গোগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান, গোদাগাড়ী উপজেলা আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক ও মাটিকাটা কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল আউয়াল রাজু ও জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য মাইনুল ইসলাম।
মজিদ মাস্টার বলেন, তিনি মাটিকাটা, বাসুদেবপুর ও পাকড়ী ইউনিয়নের ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন কমিটি গঠন করার দায়িত্ব পেয়েছেন। তাঁর সঙ্গে আরো কয়েকজন নেতৃবৃন্দ রয়েছেন। তারা সবাই মিলে এই রোজার মধ্যেও অনেক কষ্ট করে ওয়ার্ড কমিটি গঠন করছেন। জনগণের অংশগ্রহন ও উৎসাহ কেমন জানতে চাইলে তিনি বলেন, জনগণ এখন সুখে শান্তিতে বসবাস করছে। দেশে ব্যাপক পরিমানে উন্নয়ন হয়েছে এবং উন্নয়ন কার্যক্রম চলমান রয়েছে। মানুষের বাংসরিক আয়ু ও আয় বৃদ্ধি পেয়েছে। মানুষের ক্রয় ক্ষমতা বেড়ে গেছে। দেশে নেই কোন সন্ত্রাস, নাই কোন অরাজকতা। দেশে এখন শান্তি বিরাজ করছে। এ অবস্থায় মানুষ বাংলাদেশের সব থেকে সফল প্রধানমন্ত্রী, উন্নয়নের একমাত্র রুপকার জননেত্রী শেখ হাসিনার আনুগত্য ছাড়া তারা আর কারো আনুগত্য করতে চায়না।
দেশের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে এবং দেশের ভাবমুর্তি বিদেশের নিকট উজ্জল ও ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করতে আওয়ামী লীগের সরকার ছাড়া কোন উপায় নাই। এ বিষয়টি মাথায় রেখে আগামীতে আবারও নৌকায় ভোট দিয়ে আওয়ামী লীগ তথা শেখ হাসিনার সরকারকে সেবা করার সুযোগ দেয়ার জন্য জনগণের প্রতি অনুরোধ জানান এই নেতা।