নিজস্ব প্রতিবেদক: জামায়াতে ইসলাম কোন ইসলামী দল নয়। তারা হচ্ছে মোনাফেক। এই দল আবার জনগণের বেহেস্তে যাওয়ার টিকিট বিক্রি করছে। যেখানে কেউ বলতে পারেনি কে বেহেস্তে যাবে আর কে দোজখে যাবে। তারা জনগণকে ধোকা দিচ্ছে। এই ধোকায় না পরার জন্য জনগণকে আহ্বান জানান রাজশাহী মহানগর বিএনপি’র সাবেক আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট এরশাদ আলী ঈশা। শুক্রবার বিকেলে রাজশাহী জেলা ও মহানগর বিএনপি দলীয় কার্যালয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তরুণ দলের ৩০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই কথাগুলো বলেন।
তিনি আরো বলেন, জামায়াত কোনদিন ক্ষমতায় যেতে পারেনি। এখান তারা ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে। তারা নাকি সরকারী দল গঠন করবে। তাদের যদি জনপ্রিয়তা এতই হয়, তাহলে পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন চায় কেন। তারা জানে সুষ্ঠু নির্বাচন হলে তিনটির বেশী আসন পাবেনা। তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামীর বর্তমান নায়েবে আমির তিনবার নির্বাচন করে মাত্র সাতচল্লিশ হাজার ভোট পেয়েছিলেন। তিনি বলেন, এই দল কোনদিন দেশের উন্নয়ন চায়নি।
প্রকৃত পক্ষে তারা বাংলাদেশ নামে একটি ভূখন্ড হোক এটাইতো চায়নি। তারা সে সময়ে রাজাকারের ভূমিকায় ছিলো। সে সময়ে জামায়াত জনগণের ব্যাপক ক্ষতি স্বাধন করেছে। মা-বোনদের সম্ভ্রম হানীর মূল নায়ক ছিলো এই জামায়াতে ইসলাম। এই রাজাকার দল থেকে সবাই সাবধান থাকার আহ্বান জানান তিনি। সেইসাথে প্রতিটি ঘরে ঘরে বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত ৩১দফা প্রচার করার আহ্বান জানান তিনি। শেষে বেগম জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় দোয়া ও মোনাজাত এবং খাবার বিতরণ করা হয়।
বাংলাদেশ জাতীয়বাদী তরুণ দল রাজশাহী জেলা শাখার সভাপতি গোলাম মুর্তজা মাসুম এর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম জুয়েল এর সঞ্চালনায় অত্র অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন তরুন দল কেন্দ্রীয় কমিটির রাজশাহী বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সাহিফুল হোসেন সুমন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি রাজশাহী মহানগরের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নজরুল হুদা, সদস্য সচিব মামুন-অর-রশিদ মামুন, রাজশাহী জেলা বিএনপি’র সদস্য গোলাম মোস্তফা মামুন, জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দা রুমেনা ইসলাম ও জেলা তরুণ দলের সাংগঠনিক সম্পাদক মানজির আহসান। এছাড়ারও তরুণ দল রাজশাহী জেলার বিভিন্ন উপজেলা, থানা, ইউনিয়ন ও পৌরসভার আহ্বায়ক, সদস্য সচিব, সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদকসহ বিভিন্ন শ্রেণীর নেতাকর্মীবৃন্দ।