নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি, স্বাধীনতার ঘোষক, বাংলাদেশের বহুদলীয় গণতন্ত্রের পুরোধা ও উন্নয়নের রুপকার শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৮৬তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে পবা উপজেলা বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের আয়োজনে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। বুধবার বিকেলে নগরীর বিষিক এলাকায় মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন পবা উপজেলা বিএনপি’র সভবাপতি সেলিম রেজা বাচ্চু। প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির ত্রান ও পুনর্বাসন বিষয়ক সহ-সম্পাদক ও রাজশাহী মাহনগর বিএনপি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি নেতা আনোয়ার হোসেন উজ্জল, জেলা বিএনপি’র সদস্য শাহজাহান আলী, আব্দুর রাজ্জাক ও নজরুল ইসলাম নেজু, হরিপুর ইউনিয়ন বিএনপি’র আহবায়ক কাউমুদ্দিন দুলাল, হড়গ্রাম ইউনিয়র বিএনপি’র আহবায়ক আনারুল ইসলাম, সদস্য সচিব শাহিন রেজা সান্নান, পারিলা ইউনিয়ন বিএনপি’র আহবায়ক রেজাউল ইসলাম, সদস্য সচিব মকলেসুর রহমান রেন্টু, হুজরীপাড়া ইউনিয়ন বিএনপি’র সদস্য সচিব মোতাহার হোসেন, বড়গাছী ইউনিয়ন বিএনপি’র সদস্য সচিব নজরুল ইসলাম।
উপস্থিত ছিলেন জেলা যুবদলের সাবেক সহ-সভাপতি সুলতান আহম্মেদ, জেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক কে.এইচ রানা, যুবদল নেতা তাইজুল ইসলাম, সোহেল রানা, শফিকুল ইসলাম, আক্তারুজ্জামান, পবা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মামুন আকতারুজ্জামান, যুগ্ম আহবায়ক মনিরুল ইসলাম, মোস্তফা আহম্মেদ ছোট, ডাবলু হোসেন, পবা উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব হাফিজুর রহমান হাফিজ, যুগ্ম আহবায়ক খাইরুল ইসলাম ও মাসুদ রানাসহ বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের অন্যান্য নেতাকর্মী।

প্রধান অতিথি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের জীবনবৃত্তান্ত তুলে ধরেন। সেইসাথে তাঁকে স্বাধীনতার ঘোষক আখ্যা দিয়ে বলেন, জিয়াউর রহমান না জন্মালে বাংলাদেশ নামে কোন ভূখন্ড হতনা। তিনি শুধু স্বাধীনতা ঘোষনাই দেননি। তিনি সম্মুখ যুদ্ধে জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করেছিলেন। তাঁর হাত ধরেই বাংলাদেশের উন্নয়ন ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা পায়। সেইসাথে বিশ্বের দরবারে বাংলাদেশ মাথা উঁচু করে দাঁড়ায়। বক্তব্য শেষে এই অমর যোদ্ধার রুহের মাগফিরাত কামনা করেন তিনি।
শেষে বেগম জিয়ার সুস্থ্যতা, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, ছেলে আরাফাত রহমান কোকোসহ সকল মৃত নেতৃবৃন্দ, ও অসুস্থ নেতাকর্মীর সুস্থতা এবং মুসলিম উম্মাহর শান্তি কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।