নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজশাহীর পবা উপজেলায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বসতবাড়ী ও মাঠে চাষযোগ্য আগাম শীতকালীন শাক-সবজির (ইনব্রীড ও হাইব্রিড) বীজ ও সার বিতরণ করা হয়। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে কৃষি পূনবার্সন সহায়তা খাত হতে রবি মৌসুমে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় সোমবার উপজেলা পরিষদ চত্বরে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরাফাত আমান আজিজ।
তিনি বলেন, ‘কৃষিই বাংলাদেশের প্রাণ। সরকার কৃষকদের পাশে আছে এবং থাকবে। আগাম সবজি চাষ এখন অত্যন্ত লাভজনক একটি পদ্ধতি। এতে একদিকে যেমন কৃষকের আর্থিক উন্নতি ঘটছে, অন্যদিকে স্থানীয় বাজারেও সবজির সরবরাহ বাড়ছে। এই প্রণোদনা আগাম শীতকালীন সবজি চাষে কৃষকদের উৎপাদন খরচ কমিয়ে তাদের আয় বাড়াতে সহায়তা করবে।’
বীজ ও সার বিতরণ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ এম. এ. মান্নান। তিনি বলেন, ‘চলতি অর্থবছরে রাজশাহী জেলায় মোট ৬ হাজার ১৬০ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের জন্য প্রণোদনা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে পবা উপজেলার ১১৭০ জন কৃষককে বিনামূল্যে আগাম সবজির বীজ ও সার প্রদান করা হয়েছে। এর মধ্যে শসা ৪০০ জন, মিষ্টি কুমড়া ২২০ জন, বেগুন ১৭০ জন, লাউ ১৩০ জন, বসতবাড়িতে শাকসবজি ২৫০ জন কৃষককে দেওয়া হবে। আগাম শীতকালীন সবজি চাষ কৃষকদের জন্য এখন আশীর্বাদ হয়ে উঠেছে। মৌসুমের আগে ফসল তুলতে পারলে কৃষকেরা ভালো দাম পান।’
কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার আব্দুর রাজ্জাক এর সঞ্চালনায় এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মতিউর রহমান, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা নুরুন নবী, অতিরিক্ত কৃষি অফিসার কৃষিবিদ তন্ময় কুমার সরকার, কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার রায়হান উদ্দিন, সহকারী কৃষি সম্প্রদারণ অফিসার এরসাদ আলী, উপসহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ অফিসার হাফিজুর রহমান হাফিজ, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা জালাল উদ্দীন দেওয়ান, আশরাফুল ইসলাম ও মাহবুবুর রহমানসহ বিভিন্ন ব্লকের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাসহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকার ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক পর্যায়ের উপকারভোগী কৃষকবৃন্দ।