রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৩৮ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
রাজশাহীতে বিএসটিআই’র অনুমোদনহীন বেকারীকে দশ হাজার টাকা জরিমানা বরেন্দ্রের মাঠপর্যায়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে বিএমডিএ নির্বাহী পরিচালক এর মতবিনিময় রাজশাহীর ক্রীড়া গৌরব পুনরুদ্ধারে বহুমুখী উন্নয়ন পরিকল্পনা ও টুর্নামেন্ট আয়োজনের ঘোষণা ভূমিমন্ত্রীর বেগম খালেদা জিয়া হচ্ছেন একজন মমতাময়ী মায়ের মূর্ত প্রতীক: ভূমিমন্ত্রী মিনু গণমাধ্যম রাষ্ট্র ও সমাজের গুরুত্বপূর্ণ একটি স্তম্ভ, রাজশাহীতে দৈনিক এদিনের বিভাগীয় প্রতিনিধি সম্মেলন: এমপি মিলন রাজশাহীতে থানার সামনে বিক্ষোভ, ৬০ জনের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেপ্তার ৩ আরডিএ এর ১৫৭ দোকান গায়েব করে বানিয়েছেন সুবিশাল ফার্নিচার শোরুম শফিকুল আউয়াল খান রাজশাহীতে জিয়া মঞ্চের বিভাগীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত মালিক-শ্রমিকদের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বে রাজশাহী থেকে আন্তঃজেলা বাস চলাচল বন্ধ কেশরহাট পৌরসভাকে আধুনিকায়ন করা হবে: এমপি মিলন

পবার দামকুড়া তোহাহাটের অবৈধভাবে দোকান ঘর উচ্ছেদ না হওয়ায় ক্ষতিতে ইজাদার

  • প্রকাশ সময় রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬
  • ৭২ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: পবার দামকুড়া হাটের তোহাহাট থেকে এখনো অবৈধ স্থাপনা (দোকান ঘর) উচ্ছেদ হয়নি। দোকানঘরগুলো উচ্ছেদ না হওয়ায় বাধ্য হয়ে রাস্তার উপরে বসছে ধানসহ অন্যান্য পন্যের হাট। এতে করে হাটেরদিন দুর্বিসহ যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। এতে করে জনগণসহ যানবাহন চলতে অনেক কষ্ট হচ্ছে। এমনটাই বলছিলেন পবার দামকুড়াহাট এর তোহাহাট ইজারাদার পবার মধুপুর গ্রামের মৃত মনতাজ আলীর ছেলে ইনসান আলী।

তিনি বলেন, বাংলা ১৪৩৩ সালের জন্য সমস্ত নিয়ম মেনে তিনি এই হাটের ইজারা নেন। সেইসাথে সমুদ্বয় মূল্য পরিশোধ করেছেন। এমনটাই বলছিলেন ইজাদারা ইনসান আলী। তিনি অভিযোগ করে বলেন, ইজারা নেয়ার পর থেকে তিনি দেখেন কিছু অসাধু ব্যক্তি দামকুড়া তোহা হাটের পেরিফারির ভিতরে অবৈধভাবে পাকা/আধাপাকা দোকানঘর নির্মাণ করে ব্যাবসা পরিচালনা করে আসছেন।

অন্যান্য যারা ব্যবসা করছেন তারাও অবৈধভাবে বসে আছেন। তাদের কারণে হাটের জায়গা সংকুচিত হয়ে গেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন দামকুড়ার ধানের হাটের জায়গায় টিন দিয়ে ঘর বানিয়ে রাসেল নামে একজন ব্যবসা করছেন। এর কারনে সেখানে ধানের হাট বসতে পারে না। জায়গার অভাবে হাটে ধান নিয়ে আসে না ব্যবসায়ী ও গৃহস্তরা। এইসব অবৈধ দোকানঘরের কারণে হাটের ইজারা থেকে তিনি বঞ্চিত হচ্ছেন।

তিনি আরো উল্লেখ করেন পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ঐ দোকানঘর করে ব্যবসা শুরু করেন রাসেল। তিনি ইজারা নেয়ার পরে একাধিকবার রাসেলকে বললেও তিনি এখন পর্যন্ত কর্ণপাত তিনি করছেন না। এ নিয়ে পবা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবরে ঐ দোকানসহ তোহা হাটের সকল অবৈধ ঘর উচ্ছেদ করার জন্য আবেদন করেছেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোন পদক্ষেপ নেননি উপজেলা প্রশাসন। প্রতি হাটে তার প্রায় পনের হাজার টাকা করে লোকসান হচ্ছে। এ নিয়ে হতাশায় ভূগছেন বলে উল্লেখ করেন ইনসান আলী। দ্রুত ঐ সকল অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে তার ব্যবসার পরিবেশ করে দেয়ার জন্য অনুরোধ করেন।

শেয়ার করুন

আরো নিউজ দেখুন
© All rights reserved © 2021 dailysuprovatrajshahi.com
Developed by: MUN IT-01737779710
Tuhin