সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:০৬ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
নগর উন্নয়নের সঙ্গে পরিবেশের বিষয়টিকেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে: সুইট রাজশাহী বার এসোসিয়েশন ভবনের বিদ্যুতের তার চুরি, ভোগান্তিতে আইনজীবী ও সেবা গ্রহিতারা রাজশাহীতে এডভোকেট খোরশেদ আলম এর মৃত্যুতে ফুলকোর্ট রেভারেন্স রাজশাহীতে বিএসটিআই’র অনুমোদনহীন বেকারীকে দশ হাজার টাকা জরিমানা বরেন্দ্রের মাঠপর্যায়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে বিএমডিএ নির্বাহী পরিচালক এর মতবিনিময় রাজশাহীর ক্রীড়া গৌরব পুনরুদ্ধারে বহুমুখী উন্নয়ন পরিকল্পনা ও টুর্নামেন্ট আয়োজনের ঘোষণা ভূমিমন্ত্রীর বেগম খালেদা জিয়া হচ্ছেন একজন মমতাময়ী মায়ের মূর্ত প্রতীক: ভূমিমন্ত্রী মিনু গণমাধ্যম রাষ্ট্র ও সমাজের গুরুত্বপূর্ণ একটি স্তম্ভ, রাজশাহীতে দৈনিক এদিনের বিভাগীয় প্রতিনিধি সম্মেলন: এমপি মিলন রাজশাহীতে থানার সামনে বিক্ষোভ, ৬০ জনের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেপ্তার ৩ আরডিএ এর ১৫৭ দোকান গায়েব করে বানিয়েছেন সুবিশাল ফার্নিচার শোরুম শফিকুল আউয়াল খান

মুক্তিযোদ্ধারা যুদ্ধ করেছিলেন বলে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছিল :মিলন

  • প্রকাশ সময় সোমবার, ১৯ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১৫২ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদন :বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করে যারা দেশ স্বাধীন করেছেন তারাই হলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা। বীর মুক্তিযোদ্ধারা যদি যুদ্ধ না করতেন তাহলে বাংলাদেশ নামে কোন ভূখণ্ড রচিত হতো না।আর এই যুদ্ধের মূল নায়ক ছিলেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। তিনি ২৬ শে মার্চ রাতে কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। তার ঘোষণার মধ্যে দিয়েই তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধের দামামা বেজে উঠে বলে সোমবার বেলা ১১ টায় জেলা ও মহানগর মুক্তিযোদ্ধা দলের আয়োজনে রাজশাহী মহানগর বিসিক এলাকায় স্বাধীনতার ঘোষক, উন্নয়নের রূপকার, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৯০ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সহ সম্পাদক, রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও পবা-মোহনপুর আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলে, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়া রহমানের অবদানের কথা বলে শেষ করার নয়। তিনি মুসলিম বিশ্বকে একত্রিত করার জন্য ওআইসি গঠন করেছিলেন। শুধু তাই নয় যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশকে পুনর্গঠনে তিনি কৃষির উপরে বেশি গুরুত্ব দিয়েছিলেন। তিনি সেচ কার্যের মাধ্যমে এক ফসলের জমিকে তিন ফসলি জমিতে রূপান্তরিত করেন। তিনি বাংলাদেশের স্বীকৃতির জন্য বিভিন্ন দেশ সফর করেন। সেই সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তোলেন। তিনি যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশকে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করার জন্য ১৯ দফা কর্মসূচি গ্রহণ করেছিলেন। যে কর্মসূচি আজও বিশ্ব জুড়ে সমাদৃত বলে উল্লেখ করেন তিনি। তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের অত্যন্ত সম্মান করতেন। মহান এই মানবকে ১৯৮১ সালে দুষ্কৃতিকারীর হত্যা করে।

মিলন বলেন, প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান কে হত্যার পরে দলে এবং দেশে যখন বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়, ঠিক তখনই তার সহধর্মিনী বেগম খালেদা জিয়া দলের হাল ধরেন। এরপর স্বৈরাচার এরশাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন করে তার পতন ঘটান। এর কারনে ১৯৯১ সালে নির্বাচনের মাধ্যমে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। সেই সাথে তিনি বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। শপথ গ্রহণের পরে নারীদের উন্নয়নে নারী ও শিশু মন্ত্রণালয় গঠন করেন। এছাড়াও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কথা চিন্তা করে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয় গঠন করেন। সেখান থেকে মুক্তিযোদ্ধা ভাতা প্রদান সহ নানা প্রকার সুবিধাদি প্রদান করেন বলে উল্লেখ করেন তিন। তিনি বলেন, আগামী মাসের ১২ তারিখ দেশে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এই নির্বাচন নিয়ে স্বাধীনতা বিরোধী একটি চক্র নানা ধরনের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। ওই স্বাধীনতা বিরোধী চক্রকে রুখে দেওয়ার জন্য উপস্থিত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অনুরোধ করেন তিনি। সেই সাথে উপস্থিত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সুস্থতা কামনা করে বক্তব্য শেষ করেন মিলন।

উপস্থিত বীর মুক্তিযোদ্ধাগন বলেন, তারা সর্বদা দেশের স্বার্থে কাজ করেন। দেশের কোন অমঙ্গল হোক তারা চান না। পতিত সরকারের আমলে তাদেরকে জিম্মি করে সরকারের পক্ষে কাজ করানো হতো বলে জানান কেউ কেউ।তারা প্রতিশ্রুতি দেন দেশ রক্ষার জন্য তারা সর্বদা প্রস্তুত। আসছে নির্বাচনে তারা বিএনপিকে বিজয়ী করতে মাঠে কাজ করবেন বলে প্রতিশ্রুতি দেন। বক্তব্য শেষে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও কনিষ্ঠ পুত্র আরাফাত রহমান কোকো সহ মৃত মুসলিম ব্যক্তিদের রুহের মাগফেরাত এবং মুসলিম উম্মার শান্তি কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

রাজশাহী জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা নজরুল ইসলাম খোকার সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন রাজশাহী মহানগর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সামাদ, জেলার যুগ্ম আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদ, সদস্য সচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা মাসুদ হোসেন ও সদস্য শামসুদ্দোহা সহ অন্যান্য বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ। দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু হোসেন।

শেয়ার করুন

আরো নিউজ দেখুন
© All rights reserved © 2021 dailysuprovatrajshahi.com
Developed by: MUN IT-01737779710
Tuhin