নিজস্ব প্রতিবেদক: “কাউন্সিলরের সালিশে মনক্ষুন্ন হয়ে যুবকের আত্মহত্যা” এমন শিরোনামে রাসিক ১৪নং ওয়ার্ড কাউন্সিলের নামে রাজশাহীর কয়েকটি পত্রিকা ও অনলাইনে সংবাদ প্রচারিত হয়েছে। প্রচারিত সংবাদটি সঠিক নয় বলে দাবী করেন অত্র ওয়ার্ড কাউন্সিলর আনোয়ার হোসেন আনার। গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করা রাজপাড়া থানাধীন বসুয়া এলাকার জনৈক বাবুর ছেলে ফাহিম হোসেন ইয়ামিন এর কোন বিচার ও সালিশও তিনি করেননি বলে দাবী করেন।
তিনি বলেন, বুধবার একটি ছোট মারামারির আপোষ মিমাংসা করা হয়েছিলো। ঐ সালিশে ফাহিম হোসেন ইয়ামিন বাদি বা বিবাদী কোনটাই ছিলেন না। তিনি আপোষ মিমাংসার চার নম্বর সাক্ষী ছিলেন মাত্র। আপোষ মিমাংসায় সাক্ষীর মনক্ষুন্ন হওয়ার কোন প্রশ্নই আসে না বলে দাবী করেন এই কাউন্সিলর।
কাউন্সিলর আরো বলেন, আত্মহত্যা করা ইয়ামিনের লাশ রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে সুরতহাল শেষে তার পরিবারের কাছে দ্রুত হস্তান্তর এর যাবতীয় দায়িত্ব তিনিই পালন করেছেন। এছাড়াও তার দাফনের সময়ও তিনি উপস্থিত ছিলেন। কোন এক গোষ্ঠী সাংবাদিকদের ভুল তথ্য দিয়ে বিভ্রান্ত করে তাঁর বিরুদ্ধে অপপ্রচার করছে।
এ বিষয়ে আনার আরো বলেন, একটি মহল ফায়দা লোটা এবং তাঁকে সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্যই এই অপপ্রচার চালাচ্ছে। শুক্রবার স্বাক্ষাতকালে কাউন্সিলর এমনটাই দাবী করেন। বিষয়টি তদন্ত করে অপপ্রচারকারীর বিরুদ্ধে আইনানুগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
উল্লেখ্য গত বৃহস্পতিবার বিভন্ন অনলাইন পোর্টাল ও শুক্রবার রাজশাহীর বিভিন্ন পত্রিকায় রাজশাহীতে ওয়ার্ড কাউন্সিলরের সালিশ সঠিক না হওয়ায় মনক্ষুন্ন হয়ে গলায় দড়ি পেঁচিয়ে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন ইয়ামিন (২৩) নামের এক যুবক। এম অভিযোগ এনে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। ইয়ামিন রাজশাহী মহানগরীর রাজপাড়া থানাধীন বসুয়া এলাকার বাবুর ছেলে বলে জানা গেছে। ইয়ামিনের পরিবার এমনটাইদাবী করেন।
গত বুধবার একটি বিষয় নিয়ে মীমাংসার জন্য উভয়পক্ষকে রাসিক ১৪ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর তাঁর অফিসে ডেকে নিয়ে সালিশে বসেন। সেই সালিশে পক্ষপাতিত্ব করেন কাউন্সিল। এতে ইয়ামিন রাগে ক্ষোভে আত্মহত্যা করেছেন।
তবে রাজপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, লাশের সুরতহাল দেখে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে ইয়ামিন আত্মহত্যা করেছেন। তবে কি কারণে তিনি আত্মহত্যা করেছে সে ঘটনা বের করার চেষ্টায় আছেন। তিনি আরো বলেন, বসুয়া এলাকায় ইয়ামিন এর বাড়ির আশে পাশে খোজনিয়ে জানতে পেরেছেন ইয়ামিন তার বাবা মা এর সাথে বুধবার রাত তিনটা পর্যন্ত ঝগড়া বিবাদ করেছেন। তবে কি কারনে এই ঝগড়া বিবাদ তা জানতে পারেননি তিনি।