নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজশাহী মহানগরীর রাজপাড়া থানার লক্ষীপুর এলাকার বনলতা আবাসিক হোটেলে অভিযান পরিচালনা করে অসামাজিক কাজের অভিযোগে হোটেল মালিকসহ ১০ জন পুরুষ ও ৭ জন নারীকে আটক করেছে রাজশাহী মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন হোটেল মালিক মোন্তাজ (৫৮), ম্যানেজার মিজানুর রহমান (৪০), কর্মচারী মঞ্জু (৫৩) ও ইয়াসিন আলী (৪৩) এবং অভিযুক্ত এসকেন্দার (৬০), সোহাগ (২০), সাকিব হোসেন (২২), বিপ্লব শেখ (২০), রকিবুল ইসলাম (২৩) ও মাহমুদ হাসান (৩২)।
আটককৃত নারীরা হলেন তোতা বেগম রুপা (৩০), রত্না খাতুন (২৪), নদী আক্তার জোৎনা (২৮), রাহিমা খাতুন (৩০), সালমা (৩০), শিল্পি (৩২) ও পারুল (৪৫)।
ঘটনা সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার দুপুর ১২ টায় রাজশাহী মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (অতি: ডিআইজি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত) কে.এম.আরিফুল হক, বিপিএম, পিপিএম-এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে সহকারী পুলিশ কমিশনার আরজিনা খাতুনের নেতৃত্বে ডিবি পুলিশের একটি টিম মহানগর এলাকায় বিশেষ অভিযান ডিউটি করছিলেন। এসময় তাঁরা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারেন রাজপাড়া থানার লক্ষীপুর জিপিওর বিপরীতে বনলতা আবাসিক হোটেলে অসামাজিক কার্যকলাপ পরিচালিত হচ্ছে।
ঐ সংবাদের পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ পরিদর্শক মশিউর রহমান, এসআই সাইমন ইসলাম ও তাঁদের টিম দুপুর ১২ টায় রাজপাড়া থানার লক্ষীপুর জিপিওর বিপরীতে বনলতা আবাসিক হোটেলে অভিযান পরিচালনা করেন। এসময় ৬ পুরুষ ও ৭ নারীকে আটক করে আরএমপি ডিবি অফিসে আনা হয়। সেইসাথে হোটেল মালিক, ম্যানেজার ও কর্মচারীদের আটক করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, হোটেলের মালিক ও ম্যানেজার এবং কর্মচারীরা বিভিন্ন এলাকা থেকে নারীদের কাজ দেওয়ার কথা বলে ফুঁসলিয়ে রাজশাহীতে নিয়ে আসেন। এরপর তাদের পাঁচার করার উদ্দেশ্যে বনলতা আবাসিক হোটেলের গোপন কক্ষে আটক রেখে পতিতাবৃত্তি করায়।
হোটেল মালিকসহ গ্রেপ্তারকৃতদের পুরুষদের বিরুদ্ধে আরএমপি’র রাজপাড়া থানায় মানব পাচার আইনে মামলা রুজু করে এবং নারীদের আরএমপি অধ্যাদেশে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।