মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:০৪ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
পবা ইউএনও এর উদ্যোগে দীর্ঘ ২২ বছরের দুর্ভোগ কাটল এক দিনে নগর উন্নয়নের সঙ্গে পরিবেশের বিষয়টিকেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে: সুইট রাজশাহী বার এসোসিয়েশন ভবনের বিদ্যুতের তার চুরি, ভোগান্তিতে আইনজীবী ও সেবা গ্রহিতারা রাজশাহীতে এডভোকেট খোরশেদ আলম এর মৃত্যুতে ফুলকোর্ট রেভারেন্স রাজশাহীতে বিএসটিআই’র অনুমোদনহীন বেকারীকে দশ হাজার টাকা জরিমানা বরেন্দ্রের মাঠপর্যায়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে বিএমডিএ নির্বাহী পরিচালক এর মতবিনিময় রাজশাহীর ক্রীড়া গৌরব পুনরুদ্ধারে বহুমুখী উন্নয়ন পরিকল্পনা ও টুর্নামেন্ট আয়োজনের ঘোষণা ভূমিমন্ত্রীর বেগম খালেদা জিয়া হচ্ছেন একজন মমতাময়ী মায়ের মূর্ত প্রতীক: ভূমিমন্ত্রী মিনু গণমাধ্যম রাষ্ট্র ও সমাজের গুরুত্বপূর্ণ একটি স্তম্ভ, রাজশাহীতে দৈনিক এদিনের বিভাগীয় প্রতিনিধি সম্মেলন: এমপি মিলন রাজশাহীতে থানার সামনে বিক্ষোভ, ৬০ জনের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেপ্তার ৩

রাজশাহীতে এক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকার কাণ্ড

  • প্রকাশ সময় শুক্রবার, ২৬ আগস্ট, ২০২২
  • ৩৮১ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজশাহীর পবা উপজেলার একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তারই সহকারী শিক্ষিকাকে নানা ধরনের গালিগালাজ কান ধরে উঠবোস করতে বাধ্য করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটান হরিপুর ইউনিয়নের হাড়ুপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা নাজমা ফেরদৌসী। তিনি অত্র স্কুলের সহকারী শিক্ষিকা জান্নাতুল ফেরদৌসীকে জোরপূর্বক কান ধরে উঠবোস করিয়েছেন। এনিয়ে অত্র এলাকাসহ পবায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ভূক্তভোগি শিক্ষিকা প্রতিকার চেয়ে পবা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও শিক্ষা অফিসার বরাবরে একটি আবেদন করেছেন।

আবেদনে জান্নাতুল ফেরদৌস উল্লেখ করেন, হাড়ুপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষিকা নাজমা ফেরদৌসী তাঁর ছবি ২১ আগস্ট হোয়াটস-অ্যাপ এর মাধ্যমে তাঁকে দেন। তিনি হোয়াটস-অ্যাপে ছবিটি ওপেন করলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে মোবাইল গ্যালারীতে যুক্ত হয় এবং সেখান থেকে ফেসবুক আইডির ষ্টোরিতে ভুলবশত চলে যায়। কিন্তু তিনি এ বিষয়ে বুঝতে পারেননি।

মোবাইল ফোন চালাতে অদক্ষ বলে অনিচ্ছাকৃতভাবে এই ভুল হয়েছে বলে তিনি স্বীকার করেন। এই ভুলের কারণে তারা দুই বোন বার বার প্রধান শিক্ষিকা নাজমা ফেরদৌসীর নিকট ক্ষমা চান। এত কিছুর পরেও তিন দিনের নৈর্ব্যক্তিক ছুটিতে থাকা প্রধান শিক্ষিকার আদেশে দায়িত্ব প্রাপ্ত সহকারী শিক্ষক ইসমত আরার নিদের্শে স্কুল চলাকালীন সময়ে সোয়া ১১টার দিকে জেসমিন সুলতানা ববি বাড়ি থেকে জোরপূর্বক তাঁর ব্যক্তিগত মোবাইল ফোনটি কেড়ে নিয়ে যান।

প্রধান শিক্ষিকা তাঁর ছোট বোনকে তিন দিন পর মোবাইল ফোন দিতে চায় বলে জানান জান্নাতুল। বুধবার (২৪ আগস্ট) জোরপূর্বক নাজমা ফেরদৌসীর স্বামী ও বহিরাগত আব্দুল আজিজকে অফিসে ডেকে নিয়ে এসে স্কুল চলাকালীন সময়ে অফিস কক্ষে সকল সহকারী শিক্ষকের সামনে তাঁকে শারীরিক নির্যাতন করেন এবং প্রধান শিক্ষিকার সামনে বহিরাগত আব্দুল আজিজ মারতে যান।

শুধু তাই নয় পরবর্তীতে কান ধরে সকলের সামনে উঠবোস করান। এছাড়াও বহিরাগত আব্দুল আজিজ তুই বলে সংবোধন করেন এবং প্রধান শিক্ষকের পা ধরে মাফ চাইতে বলেন বলে জানান তিনি। এই ঘটনায় তিনি চরম মানুষিকভাবে হতাশাগ্রস্থ হয়ে পড়েছেন। এখন পর্যন্ত প্রধান শিক্ষিকা তাঁর মোবাইল ফোনটি ফেরত দেয়নি বলে তিনি জানান। সেইসাথে তদন্ত পূর্বক সঠিক সুবিচারের দাবি জানান জান্নাতুল।

অভিযোগের বিষয়ে প্রধান শিক্ষিকা নাজমা ফেরদৌস বলেন, কান ধরে উঠবোস করানোর অভিযোগটি সত্য নয়। তিনি বলেন, ঐ শিক্ষিকা তাঁর ছবি দিয়ে টিকটক বানিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করে শ্রেণি শিক্ষকদেরকে দেখান। এ কারনে তিনি ঐ শিক্ষিকাকে অফিস রুমে ডেকে সতর্ক করেছেন মাত্র।

লিখিত অভিযোগের বিষয়ে পবা উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম বলেন, লিখিত অভিযোগ পেয়েছেন। ইতোমধ্যে একজন শিক্ষককে তদন্ত ভার ও দেওয়া হয়েছে। আগামী রোববারের মধ্যে পূর্ণ তদন্ত প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। পেলে প্রকৃত ঘটনা জানাতে পারবেন বলে জানান এই শিক্ষা কর্মকর্তা।

এবিষয়ে জানার জন্য রাজশাহী জেলা শিক্ষা অফিসার আব্দুস সালাম এর নিকট শুক্রবার ৩টার দিকে মোবাইল করলে তাঁর মোবাইল ফোনটি বন্ধ থাকায় কোন বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

শেয়ার করুন

আরো নিউজ দেখুন
© All rights reserved © 2021 dailysuprovatrajshahi.com
Developed by: MUN IT-01737779710
Tuhin