সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:০৯ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
নগর উন্নয়নের সঙ্গে পরিবেশের বিষয়টিকেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে: সুইট রাজশাহী বার এসোসিয়েশন ভবনের বিদ্যুতের তার চুরি, ভোগান্তিতে আইনজীবী ও সেবা গ্রহিতারা রাজশাহীতে এডভোকেট খোরশেদ আলম এর মৃত্যুতে ফুলকোর্ট রেভারেন্স রাজশাহীতে বিএসটিআই’র অনুমোদনহীন বেকারীকে দশ হাজার টাকা জরিমানা বরেন্দ্রের মাঠপর্যায়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে বিএমডিএ নির্বাহী পরিচালক এর মতবিনিময় রাজশাহীর ক্রীড়া গৌরব পুনরুদ্ধারে বহুমুখী উন্নয়ন পরিকল্পনা ও টুর্নামেন্ট আয়োজনের ঘোষণা ভূমিমন্ত্রীর বেগম খালেদা জিয়া হচ্ছেন একজন মমতাময়ী মায়ের মূর্ত প্রতীক: ভূমিমন্ত্রী মিনু গণমাধ্যম রাষ্ট্র ও সমাজের গুরুত্বপূর্ণ একটি স্তম্ভ, রাজশাহীতে দৈনিক এদিনের বিভাগীয় প্রতিনিধি সম্মেলন: এমপি মিলন রাজশাহীতে থানার সামনে বিক্ষোভ, ৬০ জনের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেপ্তার ৩ আরডিএ এর ১৫৭ দোকান গায়েব করে বানিয়েছেন সুবিশাল ফার্নিচার শোরুম শফিকুল আউয়াল খান

রাজশাহীর দুইটি ফেরীঘাটে ইজারা ছাড়াই চলছে পারাপার

  • প্রকাশ সময় রবিবার, ১৮ মে, ২০২৫
  • ২৩১ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজশাহী জেলা পরিষদের মালিকানাধীন ফুলতলা ফেরীঘাট ও বড়গাছি পেটাও বিদিরপুর ফেরীঘাট চলতি বাংলা ১৪৩২ সালের বৈশাখ মাসে একবার ইজারা দেয়া হলেও আর ইজারা প্রদান ছাড়াই চলছে ঘাটে পারাপারের কাজ। এ নিয়ে ব্যক্তি লাভবান হলেও সরকার হারাচ্ছে রাজস্ব। রোববার বেলা ৩টার দিকে বড়গাছি পেটাও বিদিরপুর ফেরীঘাটে গেলে মাঝিদের জনগণ ও বিভিন্ন ধরনের পন্য নৌকার করে পারাপার করতে দেখা যায়।

বিদিরপুর হাটে বাজার করে নিজ বাড়ি চরআষাড়িয়াদহ যাওযার পথে কথা হয় গ্রাম ডাক্তার আশরাউল এর সাথে। তিনি বলেন, প্রায় প্রতিদিন তাঁকে ও তার পরিবারের সদস্যদের এপারে আসতে হয়। তার এক মেয়ে রাজশাহী কলেজে অনার্স পরে। সে কারনে তার মেয়েকে প্রায় প্রতিদিন শহরের যেতে হয়। নদী পারাপারে আগে ঘাটে নেয়া হতো ৫টাকা। আর নৌকায় নিতো ১৫-২০টাকা। সে সময়ে ইজারাদার ছিলো। পারাপারের মূল্য তালিকা থাকলেও মানতোনা তারা। তবে চলতি বাংলা সনের (১৪৩২) প্রথম মাস বৈশাখে নয়া ইজারাদার পারপারের জন্য নিতো মাত্র ৫টাকা। তিনি বলেন, ইজারা অবশ্যই প্রয়োজন। কারন ইজারা না হলে সরকার লক্ষ লক্ষ টাকা রাজস্ব হারাবে। এতে করে দেশের উন্নয়ন ব্যহত হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

চরআষাড়িয়াদহ ইউনিয়ন এলাকার আলশেদ আলী বলেন, কোন প্রকার ইজারা ছাড়াই চলছে এই ফেরিঘাট দুইটি। তবে চরআষাড়িয়াদহ ইউপি চেয়ারম্যান নাকী তিন মাসের জন্য সরকারের নিকট হতে অনুমতি নিয়ে এসেছেন। তিনিই মুলত এই ঘাট দুইটি পরিচালনা করছেন বলে জানান তিনি। এই ঘাট থেকে যে টাকা আদায় হচ্ছে তা সরকারী খাতে যাচ্ছেনা বলেও উল্লেখ করেন তিনি। কোথায় যাচ্ছে এবং কে নিচ্ছে এই টাকা জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটা চেয়ারম্যান বলতে পারবেন। তবে তিনিও সরকারীভাবে ইজারার পক্ষে বলে জানান। কারন ইজারা না হলে এখন জনপ্রতি পারাপারে ১৫ টাকা নিলেও আগামী মাস থেকে ২০টাকা করে নেবে বলে জানিয়ে দিয়েছে। পরে এর হার প্রতিনিয়ত বাড়তে থাকবে বলে উল্লেখ করেন। সেইসাথে প্রতিটি পন্য পারাপারে অধিকমূল্য ধরবে বলে জানান তিনি।

চরআষাড়িয়াদহ আরেক নারী মর্জিনা বলেন, গত মাসে ৫টা করে পার হয়েছেন। এখন ইচ্ছামত খাটিয়াল টাকা নিচ্ছে। জনপ্রতি ১৫-২০টাকা করে নিচ্ছেই। সেইসাথে ছোট শিশুদেরও পারের টাকা নিচ্ছে বলে উল্লেখ করেন। এভাবে চলতে থাকলে তাদের যে আয় তা পারাপারেই অনেকটা চলে যাবে বলে উল্লেখ করেন তিনি। ঘাট গুলো নিয়মের মধ্যে নিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি। সেইসাথে তিনি সরকারীভাবে ইজারার পক্ষে বলে জানান। তারা সকলেই ইজারার পক্ষে হলে ঘাটগুলো সরকারীভাবে মনিটরিং করার দাবী জানান।

এ সম্পর্কে চর আষাড়িয়াদহ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আশরাফুল ইসলাম ভোলার নিকট কয়েকবার মোবাইল করেও সংযোগ না পাওয়ায় তাঁর বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

শেয়ার করুন

আরো নিউজ দেখুন
© All rights reserved © 2021 dailysuprovatrajshahi.com
Developed by: MUN IT-01737779710
Tuhin