নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশব্যাপি বিএনপি’র চলমান কর্মসূচীতে পুলিশের গুলিবর্ষন ও আওয়ামী সন্ত্রাসীদের নৃশংস হামলার প্রতিবাদে মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। রাজশাহী জেলা বিএনপি,অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের আয়োজনে রোববার বিকেল সাড়ে ৪টায় মহানগরীর সাগরপাড়াস্থ বটতলা মোড় হতে নেতাকর্মীবৃন্দ মিছিল নিয়ে নগরীর গুরুত্বপূর্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে বাটার মোড়ে এসে শেষ করেন। মিছিলে সরকারের নানা ধরনের দূর্নীতি, হামলা, মামলা, খুন ও নিত্যপন্যের উর্ধ্বগতির প্রতিবাদে নানা ধরনের স্লোগান দেন নেতাকর্মীরা। পরে বাটার মোড়ে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও জেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক আবু সাঈদ চাঁদ এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির রাজশাহী বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ শাহীন শওকত। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী জেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব অধ্যাপক বিশ্বনাথ সরকার, জেলা বিএনপি’র সাবেক সভাপতি এডভোকেট তোফাজ্জল হোসেন তপু, জেলা বিএনপি’র সদস্য সৈয়দ মোহাম্মদ মহসিন, অধ্যাপক আব্দুস সামাদ।
রাজশাহী জেলা বিএনপি’র সদস্য গোলাম মোস্তফা মামুন এর সঞ্চালনায় সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপি’র সদস্য জাহান পান্না, রোকনুজ্জামান আলম, আব্দুর রাজ্জাক, মোজাফ্ফর হোসেন, রায়হানুল আলম রায়হান, আমিনুল হক মিন্টু, তোফায়েল হোসেন রাজু, জাকিরুল ইসলাম বিকুল, তাজমুল তান টুটুল, আলী হোসেন, সিরাজুল ইসলাম ও কৃষকদল কেন্দ্রীয় কমিটির রাজশাহী বিভাগীয় সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক জেলা কৃষকদলের সাবেক আহ্বায়ক আল-আমিন সরকার টিটো।
জেলা যুবদলের আহ্বায়ক মাসুদুর রহমান স্বজন, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ফয়সাল সরকার ডিকো, যুগ্ম আহবায়ক রবিউল ইসলাম কুসুম, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি মাসুদুর রহমান লিটন, জেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক শফিকুল আলম সমাপ্ত, সাবেক সদস্য সচিব নাজমুল হক, জেলা তাঁতী দলের আহ্বায়ক কুতুব উদ্দিন বাদশা, জেলা মহিলা দলের সভাপতি এডভোকেট সামসাদ বেগম মিতালী ও সাধারণ সম্পাদক সৈয়দা রোমেনা হোসেন, জেলা ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শাহরিয়ার আলম বিপুল ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আরফিন কনকসহ মহানগর, জেলার বিভিন্ন থানা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং সমর্থকগণ উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথি বলেন, এই সরকারের ভীত নড়বরে হয়ে গেছে। ক্ষমতা হারানোর ভয়ে এখন বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের শান্তিপূর্ন বিভিন্ন কর্মসূচীতে আওয়ামী লীগ ও তাদের অঙ্গ সংগঠনের সন্ত্রাসীরা এবং পুলিশ লীগের সদস্য হামলা করে নেতাকর্মীদের আহত, খুন, জখম করছে। এরপর আবার তারাই বিএনপি’র নেতাকর্মীদের নামে মামলা করে হয়রানী করছে। এভাবে আর চলতে দেয়া হবেনা। কঠোর আন্দোলনের মাধ্যমে এই রাতের অন্ধকারের সরকারকে বিতারিত করে গণতান্ত্রিক সরকার কায়েম করা হবে বলে উল্লেখ করেন।
সভাপতি তাঁর বক্তব্যে বলেন, চলতি বছরের ডিসেম্বর মাসেই ঢাকা বিমানবন্দরে পঞ্চাশ লক্ষ নেতাকর্মী জোর করে বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারুন্যের অহংকার, আগামীর রাষ্ট্র নায়ক তারেক রহমানেেক দেশে প্রবেশ করানো হবে। সেদিন পারলে বাধা দিয়েন। তিনি আরো বলেন, এই সরকার ভয়ে এখন এইদক ওদিক ছুটোছুটি শুরু করেছে। কয়েকদিন পূর্বে ভারতে গিয়েও কোন কুল কিনারা করতে পারেননি। সরকারের প্রধান হাতিয়ার আইজিপি বেনজির কোথায় পালিয়ে গেছে কেউ বলতে পারছেনা। এই অবস্থা বর্তমান সরকারেরও হবে।
তিনি বলেন বিএনপি’র এখন দেয়ালে পিট ঠেকে গেছে। আর হারানোর কিছু নাই। তাই যেখানেই সরকারী দলীয় সন্ত্রাসীরা বাধা দিবে সেখানেই কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে বলে ঘোষনা দেন তিনি। সেইসাথে আগামীতে সরকার পতনের কঠোর আন্দোনে সকলকে রাজপথে থাকার আহ্বান জানান তিনি।