নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজশাহী মহানগর বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের আয়োজনে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। শনিবার বিকেলে কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে সারাদেশে সরকারী দলীয় সন্ত্রাসী ও পুলিশের হামলা এবং নারায়নগঞ্জ মহানগর যুবদল নেতা শাওনকে পুলিশ কর্তৃক গুলি করে পৈচাশিকভাবে হত্যার প্রতিবাদে এই প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশ করার পূর্বে নেতৃবৃন্দ নগরীর সোনাদিঘী মোড় হতে প্রতিবাদ মিছিল বের করে মহানগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে মালোপাড়াস্থ বিএনপি কার্যালয়ের সামনে শেষ করেন এবং সেখানেই সমাবেশ করেন।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী মহানগর বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নজরুল হুদা। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী মহানগর বিএনপি’র আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট এরশাদ আলী ঈশা। যুগ্ম আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম শাফিক এর সঞ্চালনায় কর্মসূচীতে উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপি’র যুগ্ম আহ্বায়ক ওয়ালিউল হক রানা, জয়নাল আবেদিন শিবলী, বজলুল হক মন্টু, সদস্য রিতা, জরিনা ও রোজিনা, রাজশাহী মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক মাহফুজুর রহমান রিটন, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক শরিফুল ইসলাম জনি, যুগ্ম আহবায়ক রুহুল আমিন বাবলু, তাঁতীদল কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আরিফুল শেখ বনি।
আরো উপস্থিত ছিলেন মহিলা দল কেন্দ্রীয় কমিটির রাজশাহী বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক রোকসানা বেগম টুকটুকি, রাজশাহী মহানগর মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ সকিনা খাতুন, মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি আসাদুজ্জামান জনি, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আকবর আলী জ্যাকি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাহিন আহম্মেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মাকসুদুর রহমান সৌরভসহ বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলসহ অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের অন্যান্য নেতাকর্মীবৃন্দ।
সমাবেশে প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন, সারাদেশে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী ও পুলিশের সদস্যরা বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের কর্মসূচীতে বিনা কারনে টিয়ারশেল ও গুলিবর্ষন শুরু করেছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে শান্তিপূূর্ন কর্মসূচী পালনে বাধা প্রদান করছে। বিএনপি যেখানে কর্মসূচী দিচ্ছে সেখানে পুলিশ আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনকে দিয়ে পাল্টা সমাবেশ ডেকে অস্থিতিশীল অবস্থারন সৃষ্টি করে কর্মসূচী পালনে কাধার সৃষ্টি করছে। অনেক স্থানে কর্মসূচী পালন করতে দিচ্ছেনা।
তিনি আরো বলেন, ঢাকার নারায়নগঞ্জে বৃহস্পতিবার বিএনপি’র ৪৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালনের লক্ষে নারায়নগঞ্জ শহরের চুনকা পাঠাগার থেকে মিছিল করার প্রস্তুতির সময় পুলিশ এসে বাধা দেয়। পরে সেখান থেকে চলে আসার সময়ে শহরের ২নং রেল গেটের কাছে এলে পুলিশ ফের বাধা দেয় ও লাঠিচার্জ করে। পরে তারা নেতাকর্মীদের লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ে এবং টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। এসময় যুবদল নেতা শাওন পুলিশের গুলিতে নিহত হন। সেইসাথে শত শত নেতাকর্মী আাহত হন।
প্রধান অতিথি বলেন, এভাবে আর বেশীদিন চলতে দেয়া হবেনা। পুলিশের এবং আওয়ামী সন্ত্রাসীদের যতই বাধা আসুক না কেন বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের নেতাকর্মীরা আর ঘরে বসে থাকবেনা। রাজপথে নেমে এ সকল অন্যায়ের প্রতিবাদ করবে। শুধু তাইনয় যেখানে বাধা সেখানেই প্রতিরোধ গড়ে তুলে এই বিনা ভোটের সরকারকে দেশ থকে বিতারিত করা হবে বলে জানান তিনি। পরে সভাপতির বক্তব্য শেষে দোয়া করা হয়।