নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আয়োজনে সোমবার বিকেলে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। অগণতান্ত্রিক সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক বিএনপি চেয়ারপার্সন তিনবারের সফল সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি ঈর্ষাপরায়ণ কটুক্তি ও পরোক্ষভাবে মৃত্যুর হুমকি এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণের উপর পুলিশি হামলা-মামলা এবং ছাত্রদল নেতা গুম করার অপচেষ্টা ও সারাদেশে গ্রেফতারের প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে রাবি ছাত্রদল এই বিক্ষোভ মিছিল করে।
মিছিল শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের বুদ্ধিজীবী চত্বর সংলগ্ন ছাত্রদলের দলীয় টেন্টে বসলে তাদের উপর ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা হামলা করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ছাত্রলীগের হামলায় আহতদের মধ্যে রয়েছেন রাবি শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য জাকির রেজোয়ান ও যুগ্ম আহ্ববায়ক এমএ তাহের রহমান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা তাদের নিজেদের দলীয় টেন্টে বসে আড্ডা দিচ্ছিলেন। এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধ শেখ মুজিবুর রহমান হল শাখার সভাপতি কাবিরুজ্জামান রুহুল এবং শহীদ সোহরাওয়ার্দী হল শাখার সহ-সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন শাকিলসহ তাদের সঙ্গে থাকা ১০ থেকে ১২জন ছাত্রলীগ নেতাকর্মী ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের উপর হামলা করেন।
হামলার বিষয়ে ছাত্রদলের রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহ্বায়ক সুলতান আহমেদ রাহী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদকের নির্দেশে তাদের কয়েকজন নেতাকর্মী আমাদের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা করে। এতে আমাদের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হয়েছে এবং এর মধ্যে গুরুতর আহত হয়েছেন দুইজন। তারা বর্তমানে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৮নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তিনি আরো বলেন, ‘ছাত্রলীগ একটি সন্ত্রাসী সংগঠন। আমরা এই সংগঠন নিষিদ্ধের দাবি জানাচ্ছি। আর এই হামলার ঘটনায় তাদের প্রতিবাদ কর্মসূচির বিষয়ে পরবর্তীতে জানিয়ে দেবেন বলে জানান রাহী।