নিজস্ব প্রতিবেদক: সকল বৈষম্য দুর করে প্রাতিষ্ঠানিক সুবিধা বাস্তবায়নের দাবীতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মবিরতি ও অবস্থান ধর্মঘট পালন করেন শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের গেটে অবস্থান নিয়ে কর্মসুচী শুরু করেন। চলে বেলা ১২টা পর্যন্ত। এসময় শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা তাদের দাবির পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন।
প্রফেসর ড. আব্দুল আলিম এর সভাপতিত্বে ধর্মঘটে উপস্থিত ছিলেন প্রফেসর ড. আমিরুল ইসলাম, প্রফেসর ড. হামিদুল ইসলাম, প্রফেসর ড. এনামুল হক, প্রফেসর ড. মাসুদুল হাসান খান মুক্তা, প্রফেসর ড. হান্নান, প্রফেসর ড. সাকিলুর রহমান ও প্রফেসর ড. নাসির উদ্দিন। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা আব্দুল মালেক রোকসানা বেগম টুকটুকি, আনারুল হক, আলামিন বিদ্যুৎ ও মুক্তার হোসেনসহ রাবি বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
বক্তব্যে তাঁরা বলেন, ১৯৭৭ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক সুবিধা বা পোষ্য কোটা চালু হয়। ফলে প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস মার্ক পেলেই বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেতেন শিক্ষক-কর্মকর্তা ও কর্মচারীর সন্তানেরা। চলতি বছরের জানুয়ারীতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সেই সুযোগ বাতিল করেন। আন্দোলনকারীরা পোষ্য কোটা পুনর্বহালের দাবি করেন। এছাড়াও ক্যাম্পাসে আবাসন সুবিধা, নিয়মিত পদোন্নতির দাবিও জানান তারা। এই আন্দোলনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল বিভাগের পরীক্ষা চললেও বেলা ১২ টা পযন্ত ক্লাস কর্মবিরতি করেছে শিক্ষক, কর্মকতা ও কর্মচারীবৃন্দ।