মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:০৬ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
পবা ইউএনও এর উদ্যোগে দীর্ঘ ২২ বছরের দুর্ভোগ কাটল এক দিনে নগর উন্নয়নের সঙ্গে পরিবেশের বিষয়টিকেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে: সুইট রাজশাহী বার এসোসিয়েশন ভবনের বিদ্যুতের তার চুরি, ভোগান্তিতে আইনজীবী ও সেবা গ্রহিতারা রাজশাহীতে এডভোকেট খোরশেদ আলম এর মৃত্যুতে ফুলকোর্ট রেভারেন্স রাজশাহীতে বিএসটিআই’র অনুমোদনহীন বেকারীকে দশ হাজার টাকা জরিমানা বরেন্দ্রের মাঠপর্যায়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে বিএমডিএ নির্বাহী পরিচালক এর মতবিনিময় রাজশাহীর ক্রীড়া গৌরব পুনরুদ্ধারে বহুমুখী উন্নয়ন পরিকল্পনা ও টুর্নামেন্ট আয়োজনের ঘোষণা ভূমিমন্ত্রীর বেগম খালেদা জিয়া হচ্ছেন একজন মমতাময়ী মায়ের মূর্ত প্রতীক: ভূমিমন্ত্রী মিনু গণমাধ্যম রাষ্ট্র ও সমাজের গুরুত্বপূর্ণ একটি স্তম্ভ, রাজশাহীতে দৈনিক এদিনের বিভাগীয় প্রতিনিধি সম্মেলন: এমপি মিলন রাজশাহীতে থানার সামনে বিক্ষোভ, ৬০ জনের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেপ্তার ৩

রোজায় রাজশাহীতে বৃদ্ধি পেয়েছে সব ধরনের ফলের দাম

  • প্রকাশ সময় রবিবার, ৩ এপ্রিল, ২০২২
  • ৩৯২ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: মুসলমানদের জন্য বোরবার থেকে শুরু হয়েছে পবিত্র রোমজান মাস। একমাস ধরে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা দিনে সিয়াম সাধনা ও দিন-রাত নানা ধরনের ইবাদত বন্দিগী করে থাকেন। মানুষ সারাদিন রোজা রেখে সন্ধ্যায় সাধ্যমত বিভিন্ন ধরনের ফল ও অন্যান্য সামগ্রী দিয়ে ইফতার করতে ভালবাসেন। বিশ্বের অন্যান্য মুসলিম রাষ্ট্রে রোজা উপলক্ষে নিত্যপন্যের দাম কমলেও বাংলাদেশে এর চিত্র সম্পূর্ন উল্টো। এখানে রোজায় সব ধরনের পন্যের মূল্য লাগামহীনভাবে বৃদ্ধি পায়। এর পরিক্রমা এবারও লক্ষ করা গেছে।

রোববার সাহেব বাজার, কোর্ট ও শালবাগান বাজার ঘুরে দেখা যায় প্রতিটি ফলের মূল্য ১০-৫০টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। যেমন তরমুজের দাম গত শনিবার ছিলো ৩৫-৪০টাকা কেজি। রোজার প্রথম দিনে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৫-৫০টাকা কেজিতে। আপেল ১৮০টাকা থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৪০টাকা, বাসপাতি ২১০ থেকে বেড়ে এখন বিক্রি হচ্ছে ২২০-২৪০টাকায়, খেজুর গত বছরের তুলনায় এবার কেজি প্রতি বেড়েছে ৪০-৫০টাকা। রোববার সাহেব বাজারে ১৮০- ৭৫০ কেজি দরে খেজুর বিক্রি করতে দেখা যায়।

শুধু তাই নয় কমলা ২০০ টাকা থেকে বেড়ে দাঁড়িয়ছে ২৪০টাকায়, মালটা বিক্রি হচ্ছে ১৮০টাকা কেজি দ্বরে। বেদানা ৩০০ থেকে বেড়ে এখন বিক্রি হচ্ছে ৩৫০-৪০০টাকা কেজি। বিষয়টি নিশ্চিত করেন সাহেব বাজারের ফল ব্যবসায়ী রাব্বি। তারা তিনভাই মিলে একটি ফলের দোকান পরিচালনা করছেন। এদিকে তরমুজ বিক্রেতারা বলেন, হঠাৎ করে শনিবার তরমুজে নতুন চালানে মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় তাদের বর্ধিত মূল্যে তরমুজ বিক্রি করতে হচ্ছে।

এদিকে ফল ক্রেতা পলাশ, রুবেল, আবুল কাশেম, তোফাজ্জল, নাদিরা, উম্মে কুলসুম ও কেয়াসহ আরো অনেকে বলেন, একদিকে রোজায় সকল পন্যের মূল্য আরেক দফা বৃদ্ধিতে জনগণের অবস্থা অত্যন্ত খারাপ হয়ে পড়েছে। সাধারণভাবে খেয়ে পড়ে বেঁচে থাকা কষ্টসাধ্য হয়ে গেছে। এরমধ্যে শুরু হয়েছে রোজা। সারাদিন রোজা রাখার পরেতো আর ডাল ভাত খেয়ে ইফতার করা যায়না। সেজন্য পরিবারের সদস্যদের জন্য একটু ফল নিতে এসে আহম্মক সেজে গেছেন। প্রতিটি ফলের মূল্য ২০-৫০টাকা কেজিতে বেড়ে গেছে। এ অবস্থা হলে রোজা রেখে ইফতার করা শুধু পানি ছাড়া আর কোন উপায় নাই। মূল বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষন করেন তারা।

 

 

শেয়ার করুন

আরো নিউজ দেখুন
© All rights reserved © 2021 dailysuprovatrajshahi.com
Developed by: MUN IT-01737779710
Tuhin