নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজশাহীর গোদাগাড়ীর কাঁকনহাট পৌরসভার হাট-বাজার ইজারার সমুদ্বয় টাকা বুঝে না পেয়েই হাটে টোলা আদায়ের অনুমতি দিয়েছেন পৌর প্রশাসক। সমুদ্বয় টাকা ছাড়া ইজারা না দেয়ার বিধান থাকলে কাকনহাট পৌরসভার প্রশাসক তা অমাণ্য করেই টোল আদায়ের অনুমতি দিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ সুবাদে গত বৃহস্পতিবার (২২ মে) থেকে নয়া ইজাদার শওকত হাট থেকে টোলা আদায় করছেন। এই ইজারায় সরকারীভাবে টোলআদায় ধার্য্য আছে ছাগল ভেড়া প্রতিটি ২০০টাকা, আর গরু, মহিষ ও ঘোড়া প্রতিটি ৫০০টাকা।
কিন্তু হাট ইজাদার প্রতিটি ছাগল ও ভেড়া থেকে টোল আদায় করছেন ৫৫০টাকা এবং গরু ও মহিষ থেকে যথাক্রমে টোল আদায় করছেন ৮০০ ও ৯০০ টাকা। টোল আদায় করলেও আদায় রশিদে টোল এর টাকা লেখা হচ্ছেনা। এনিয়ে ক্রেতার বিক্রেতারদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। হাটে সরেজমিনে গিয়ে এটা পরিলক্ষিত হয়। ক্রেতা সবুজ, বাপ্পি, সোলাইমান ও হোসেন আলী সহ আরো অনেকে বলেন, একটি খাসি ক্রয় করে টোলের টাকা দিতে হলো ৫৫০টাকা। ২০০-২৫০টাকা হলে হতো। এতো বর্ধিত টাকা কেন দেবেন তারা। এভাবে চলতে দেয়া যায়না বলে উল্লেখ করেন তারা।
এদিকে কোরবানীর জন্য গরু ক্রেতা আকবর আলী, আব্দুল ওয়াহাব, বাসেদ আলী ও এমরান হোসেনসহ আরো অনেকে বলেন, একটি গরু ক্রয় করলে টোল হিসেবে দিতে হচ্ছে ৮০০টাকা। অথচ বিগত দিনে তারা ৩০০-৪০০টাকা প্রতিটি গরুর জন্য টোল হিসেবে দিতেন। এভাবে টোল আদায় করলে গরু ছাগলসহ অন্যান্য পশু ক্রয় করা কষ্টকর হয়ে পড়বে। কারন সরকারী মুল্য এতো নয় বলে তারা দাবী করেন। বিষয়টি বিশেষভাবে নজরের আনার জন্য ভোক্তা অধিকার, ভাম্যমান আদালত ও কাকনহাট পৌর প্রশাসকের নিকট আহ্বান জানান। সেইসাথে রশিদে সমুদ্বয় টাকা লেখার ব্যবস্থা করার জন্য কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষন করেন ক্রেতা ও বিক্রতারা।

এ বিষয়ে কাকনহাট পৌর প্রশাসক শামসুল ইসলাম এর নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, নয়া ইজাদারদের এটা প্রথম হাট ছিলো। তাদেরকে নিয়ামানুযায়ী হাট পরিচালনা ও টোল আদায়ের নির্দেশনা দেয়া আছে। তবে বিষয়টি তিনি গুরুত্বসহকাওে দেখবেন। অভিযোগ সত্য হলে কঠোর ব্যবস্থা নেবেন বলে জানান পৌর প্রশাসক।