নিজস্ব প্রতিবেদক: ২০২৪ এর জুলাই-আগস্ট বাংলাদেশের আরেকটি নতুন ইতিহাস। এটা যদি সংগঠিত না হতো, আর ছাত্র-জনতা যদি মাঠে নেমে প্রান বিলিয়ে না দিতো এবং আহত ও পঙ্গুত্ববরণ না করতো তাহলে স্বৈরাচার খুনি হাসিনা হয়তবা তার ক্ষমতার মসনদ আরো পাকা করতে হাজার হাজার মানুষের প্রাণ শেষ করে দিতো। জুলাই-আগস্ট ঘটেছিলো বলে আজ আমরা এখানে বসে বাধাহীনভাবে দোয়া মাহফিল করতে পারছি।
জুলাই যোদ্ধা সালমানের পরিবারের পক্ষ থেকে নগরীর কাশিয়াডাঙ্গা হাইস্কুল চত্বরে বুধবার বিকেলে দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কথাগুলো বলছিলেন বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির ত্রান ও পুনর্বাসন বিষয়ক সহ-সম্পাদক ও রাজশাহী মহানগর বিএনপি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট শফিকুল হক মিলন।
তিনি বলেন, এই জুলাই-আগস্ট একদিনে বা একমাসে আসেনি। এটা বিএনপি’র দীর্ঘ সতের বছরের আন্দোলন এবং বাংলাদেশের মানুষের দীর্ঘদিনের পুঞ্জিভূত ক্ষোভের ফসল। এটা ধরে রাখতে হবে। দেশে আর যেন স্বৈরাচার জন্মাতে না পারে। তিনি আরো বলেন, দেশে স্বাধীনতা বিরোধীদের আস্ফালন দেখা যাচ্ছে। তারা এখন নিজেদের মুক্তিযোদ্ধা ভাবছে। আর তাদের নিকট বিএনপিসহ অন্যান্য দল এখন স্বাধীনতা বিরোধীতে পরিণত হয়েছে। তারা আমাদের প্রানের নেতা ও প্রানের সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা জিয়া পরিবার নিয়ে কথা বলা শুরু করেছে।
এটা কখনো মেনে নেয়া হবেনা। প্রয়োজনে আবারও বিএনপি মাঠে নামবে বলে হুঁশিয়ারী দেন তিনি। সেইসাথে দেশকে এবং দেশের জনগণকে বাঁচাতে বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের নেতাকর্মীসহ দেশবাসীকে বিশেষ দৃষ্টি রাখার আহ্বান জানান তিনি। বক্তব্য শেষে গণঅভ্যুত্থানে সকল শহীদের রুহের মাগফিরাত এবং সকল আহতদের সুসাস্থ্য কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
রাজশাহী জেলা যুবদলের সদস্য ফরিদুল ইসলাম সাহেব জাদার সভাপতিত্বে দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন পবা উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আব্দুর রাজ্জাক, রাজপাড়া থানা বিএনপি’র সাবেক সভাপতি শওকত আলী ও পবা উপজেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক সোহেল রানাসহ শহীদ পরিবারের সদস্যবৃন্দ এবং বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।