নিজস্ব প্রতিবেদক: বিএনপি কেন্দ্রীয়ভাবে ঘোষিত আগামী ৩ ডিসেম্বরে রাজশাহীতে মহাসম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। এই সম্মেলন সফল করতে এবং সিটি কর্পোরেশন এলাকার ৩০টি ওয়ার্ডের সাংগঠনিক প্রতিটি ওয়ার্ডের নেতাকর্মীদের চাঙ্গা করতে এবং আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা রাখার লক্ষে বোববার সন্ধ্যার পরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। রাজশাহীর বিসিক এলাকায় অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন মতিহার থানা বিএনপি’র সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক খাজদার আলী। প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির ত্রান ও পুনর্বাসন বিষয়ক সহ-সম্পাদক ও রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট শফিকুল হক মিলন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত রাজশাহী জেলা বিএনপি নেতা আনোয়ার হোসেন উজ্জল।
সভায় উপস্থিত ছিলেন মতিহার থানা বিএনপি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক ডিকেন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোক্তার হোসেন, ৩০নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সভাপতি শুকুর আলীর সঞ্চালনায় ষবায় উপস্থিত ছিলেন ২৯ নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সভাপতি আব্দুল মালেক, সাংগঠনিক সম্পাদক শহিদুল ইসলাম. বিএনপি নেতা আব্দুল গফুর, হাসেম মন্ডল, আব্দুল মতিন, হাবিবুর রহমান, মোহাম্মদ আবুল কাশেম রাজশাহী মহানগর যুবদলের সাবেক সহ সভাপতি মোহাম্মদ সোহেল পারভেজ মাসুম, মতিহার থান (উত্তর) যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক জয়নাল আবেদিন ও দক্ষিণ এর আহবায়ক শফিউল আলম টিয়া , ২৯ নং ওয়ার্ড যুবদল নেতা উকিল, মতিহার থানা সেচ্ছাসেবকদল (দক্ষিণ) এর সদস্য সচিব আনোয়ার হোসেন ও উত্তরে আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন সেন্টু সহ অত্র থানা বিএনপি, অঙ্গ ও সংগঠনের নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথি বলেন, আর ঘরে বসে থাকার সময় নেই। এই ফ্যাসিস্ট সরকারকে ক্ষমতা থেকে বিতারিত করতে বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের নেতাকর্মীরা দেশবাসীকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলন শুরু করেছে। এই আন্দোলনকে চুড়ান্তরুপ দিতে দেশের সকল বিভাগে এবং ঢাকা বিভাগের বিভিন্ন স্থানে কেন্দ্রীয় বিএনপি কর্মসূচী দিয়েছে। এই কর্মসূচীর অংশ হিসেবে রাজশাহীতে ৩ ডিসেম্বর বিভাগীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। এই সম্মেলন সফল করতে যেকোন ধরনের প্রস্তুতি ও পদক্ষেপ গ্রহন করতে হবে। প্রতিটি থানা এবং ওয়ার্ডে আলোচনা সভা করতে হবে।

তিনি বলেন, এখন থেকে তাঁর নির্বাচনী এলাকা পবা-মোহনপুরের পাশাপাশি সিটিতে তিনি সময় দেবেন। প্রতিটি দিবস সবাইকে নিয়ে তিনি পালনের ব্যবস্থা করবেন বলে জানান তিনি। তিনি আরো বলেন, এই সম্মেলনকে ঘিরে বর্তমান সরকার নানা ধরনের নীল নক্সা শুরু করেছে। পুলিশি হয়রানীসহ আওয়ামী সন্ত্রাসীরা যেকোন সময় যেকোনস্থানে হামলা করতে পারে। তবে যেখানে বাধা সেখানেই প্রতিরোধ এই নীতিতে চলার জন্য সবাইকে আহ্বান জানান মিলন।
তিনি বলেন, এখন আর এই সরকারের হাতে তেমন ক্ষমতা নাই। কারন দেশে মানুষ এখন এই সরকারে পেছনে নাই। ডিসেম্বরের পর থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নয় তিনবারের সাবেক সফল প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নির্দেশে দেশ পরিচালিত হবে বলে বক্তৃতায় উল্লেখ করেন তিনি। সেইসাথে সকল প্রকার দ্বিধাদন্দ ভূলে এবং নতুন করে কোন প্রকার দন্দে না জড়িয়ে রাজপথে থাকার আহ্বান জানান প্রধান অতিথি।