নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজশাহীর পবা উপজেলার কাশিয়াডাঙ্গা থানাধীন হাড়ুপুর গ্রামে জমি-জমা সংক্রান্ত পূর্ব শত্রুতার জেরে মারপিঠ ও ভাঙ্গচুরের ঘটনা ঘটেছে। এ নিয়ে কাশিয়াডাঙ্গা থানায় একটি অভিযোগ হয়েছে। অভিযোগটি করেন হাড়ুপুর গ্রামের মোমিনুল ইসলাম এর ছেলে সাওমুন ইসলাম আকাশ (২৩) থানায় বাদী হয়ে এই অভিযোগটি করেন। সেখানে তিনি উল্লেখ করেন মৃত ইমাম হোসেন এর ছেলে আজিজুল হক কালু (৬৩), আজিজুল হক কালুর ছেলে রাজু (৩০), ইমন (২৭) ও সুমন (২২), মজিদ এর ছেলে লিটন (৪৭), মৃত ইমাম হোসেন এর ছেলে মতি (৬০) ও লিটন ইসলাম এর ছেলে শুভ ইসলাম এর নামে।
তিনি উল্লেখ করেন আসামীরা তাদের নিকট আত্মীয়-স্বজন। জমি-জমা সংক্রান্তে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে মঙ্গলবার(১৪ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে তাদের বসত বাড়ীর সামনে এসে আসামীরা তার ও তার পিতার সাথে তর্কবিতর্ক শুরু করে। তর্কবিতর্কের একপর্যায়ে বিবাদীরা অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে করতে বসত বাড়ীতে প্রবেশ করতে গেলে তার পিতা বাঁধা প্রদান করতে গেলে আসামী আজিজুল হক কালু তার হাতে থাকা বাঁশের লাঠি দিয়ে তার পিতার ডান হাতে কনুই এর নীচে আঘাত করলে ফুলে যায় সেইসাথে কালশিরা জখম হয়।
শুধু তাইনয় তিনি এগিয়ে গেলে আসামী ইমন ও রাজু তাকে এলোপাথাড়ী কিলঘুষি আহত করে। সেইসাথে তার মা ও ছোট বোন এগিয়ে তাদেরকেও সুমন, লিটন ও শুভ এলোপাথাড়ী কিলঘুষি ও লাথি মেরে আহত করে। এছাড়াও বিবাদী লিটন, কালু ও রাজু শোবার ঘরে আলমারীর মধ্যে থাকা নগদ আট লক্ষ টাকা বের করে নেয়। বিবাদী শুভ তার স্ত্রী ও ভাবীর গলায় থাকা আট আনা ওজনের দুইট স্বর্ণের চেইন, যার আনুমানিক মূল্য এক লক্ষ আশি হাজার টাকা ছিড়ে নেয়। এ সময়ে তাদের চিৎকারে আশে পাশের লোকজন এগিয়ে আসলে বিবাদীরা তাদের প্রাণ নাশের হুমকীসহ ভয়ভীতি প্রদান করে ঘটনাস্থল হতে চলে যায়। এই ঘটনার সাথে জড়িত সকল আসামীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানান তিনি।
এ বিষয়ে জানতে কাশিয়াডাঙ্গা থানার অফিসার ইনাচর্জকে মোবাইল করলে তিনি কল রিসিভ না করায় তার কোন বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।