নিজস্ব প্রতিবেদক: আর মাত্র পাঁচদিন পরে সারাদেশের ন্যায় রাজশাহী জেলা পরিষদ নির্বাচন। এই নির্বাচন নিয়ে হিসাব চুলছেড়া বিশ্লেষন ও হিসাব নিকাশ করছেন সচেতন ভোটারগণ। এই নির্বাচনে মোট ১১৮৬জন ভোটার তাদের সুচিন্তিত মতামত দিয়ে পছন্দের প্রার্থী নির্বাচিত করবেন। যেহেতু এই নির্বাচনে সাধারণ জনগণের কোন অংশগ্রহন নেই। সেহেতু ভোট নিয়ে কারসাজি করার কোন চেষ্টাই সফল হবেনা বলে জানান একাধিক ভোটার।
নাম প্রকাশ করার না শর্তে বিভিন্ন ইউনিয়ন ও পৌরসভার ভোটারগণ বলেন, জনপ্রতিনিধি আর রাজনীতিবিদ এক নয়। যারা জনপ্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেছেন তারাই ভালো বোঝেন জনগণ কি চায় এবং এলাকার উন্নয়ন ও জনগণের সেবা কিভাবে করতে হয়। সেদিক থেকে একমাত্র প্রার্থী হচ্ছেন সতন্ত্র প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক ও দেওপাড়া ইউপি’র দীর্ঘ আঠরো বছরের সাবেক চেয়ারম্যান আখতারুজ্জামান আখতার।
তারা বলেন, এই নির্বাচন জেলার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। যেহেতু এটা জেলা পরিষদ নির্বাচন, সেহেতু তারা জেলার মানুষকেই বেছে নিয়েছেন। এর প্রমাণ আগামী ১৭ তারিখ হবে বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন ভোটারগণ। সেইসাথে তারা কোন প্রকার চাপ ও হুমকী ধামকী সহ্য করবেন না বলে জানান।
এদিকে মঙ্গলবার দিনব্যাপি আখতার মোহনপুর ও তানোর উপজেলার বিভিন্ন পৌরসভা, ইউনিয়ন পরিষদসহ ভোটারদের সাথে মতবিনিময় ও গণসংযোগ করেন। এসময় তার কর্মী সর্মথকরা উপস্থিত ছিলেন। সংযোগকালে তিনি ভোটারদের উদ্যেশ্যে বলেন, আগামী ১৭ অক্টোবর আপনাদের ভাগ্য নির্ধারণের দিন। এদিন মোটরসাইকেল প্রতীকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করলে, জেলার উন্নয়ন ভোটারদের হাত দিয়েই হবে বলে প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
তিনি বলেন, রাজশাহী জেলা পরিষদের প্রত্যেকটি উপজেলার পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদের এলাকার উন্নয়ন কাজে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের মতামতকে অগ্রাধিকার দেয়া হবে। সবাইকে সমান ভাবে গুরুত্ব দিয়ে উন্নয়ন প্রকল্প দেওয়া হবে। কেউ বাদ যাবে না। প্রতিটি অঞ্চলেই কোন না কোন উন্নয়নের কাজ করা হবে।
তিনি আরো বলেন, মাদকের ভয়াবহতা সম্পর্কে জনগণকে সচেতন করতে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সাথে নিয়ে কাজ করা হবে। সেইসাথে শিক্ষা, সামাজিক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে করা হবে। তিনি বলেন, বিগত দিনে দীর্ঘদিন ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালনকালে আপনাদের সুখ-দুঃখের সাথী হয়ে ছিলাম। মানবতা ও দেশের কল্যাণে এখন পর্যন্ত নিজেকে নিয়োজিত রেখেছি। নির্বাচনে বিজয়ী হলে আগামীতে সেই ধারা অব্যহত থাকবে বলে তিনি আশাব্যক্ত করেন।