রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১২:১৬ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
দেশের উন্নয়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: এমপি মিলন বাপা ও রাজশাহী রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের আঞ্চলিক সেমিনার নভেম্বরে ভূমি মন্ত্রী মিনুর সুস্থতা কামনায় ইনসাব এর দোয়া মাহফিল বাংলার জাতীয় খেলা হা-ডুডুকে আরও জনপ্রিয় করে তোলা হবে: এমপি মিলন যুবদল কেন্দ্রীয় সভাপতি-সাধারণ সম্পাদককে সম্মাননা স্মারক প্রদান ভূমি মন্ত্রী মিনুর সুস্থতা কামনায় রাজশাহীতে দোয়া মাহফিল ফাঁকিবাজি ও দুর্নীতি রোধে শিক্ষকদের ভূমিকা জরুরি: এমপি মিলন প্রশাসনের আশ্বাসে রামেক হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি স্থগিত রাজশাহীতে টাইলসের নিচে লুকানো মাদক ও নগদ ১১ লাখ টাকাসহ ২ শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী আটক উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার পিজি হাসপাতালে ভূমিমন্ত্রী মিনু

রাজশাহী ভাটাপাড়ায় অগ্রদূত ক্লাব’র জমি দখলে রাখার অভিযোগ

  • প্রকাশ সময় সোমবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২২
  • ৯৮০ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজশাহী ভাটাপাড়াও ১৯৯০ ইং সালে প্রতিষ্ঠিত ও নিবন্ধিত অগ্রদূত ক্লাব। এই ক্লাব রাজশাহীর ক্রীড়াঙ্গনে প্রতিষ্ঠাকাল থেকে নানাবিধ ভূমিকা রেখে চলছে। খেলাধুলার পাশাপাশি সামাজিক কার্যক্রমও এই ক্লাবের মাধ্যমে করে আসছেন ক্লাবের কর্ণধার ও সদস্যরা। ভাটাপাড়া যুব সংঘের সভাপতি নাসির উদ্দিনসহ উপস্থিত অন্যান্যরা সদস্যরা বলেন, ১৯৯০ সালে ভাটাপাড়ার মৃত হাজী জলিলুর রহমানের ছেলে মিজানুর রহমান মিলন দুই কাঠা জমি যার মৌজা-লক্ষ্মীপুর, জে.এল.নং-৭, আর.এস দাগ নং- ১১৬৬, রকম-ভিটা এই ক্লাব প্রতিষ্ঠার পঞ্চাশ হাজার টাকার মধ্যে পঁচিশ হাজার টাকা নগদে গ্রহন করে অত্র জমি ক্লাবের নামে ষ্ট্যাম্পের উপর সামাজিকভাবে লিখিত করে দেন।

নাসির আলো বলেন, ক্লাব প্রতিষ্ঠার সময়ে ৬নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর আবু হাসনাত সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। এ বিষয়ে তিনি সব জানেন বলে বলে জানান নাসির। তিনি আরো বলেন, এই ক্লাবের জমি প্রায় এক যুগের বেশী সময় ধরে ভাটপাড়ার মৃত ভিকু খাঁর ছেলে শহিদুল ইসলাম শহিদ ক্রয় করেছেন মর্মে জোরপূর্বক দখলে নেন। কিন্তু জমি ক্রয় করার পক্ষে কোন কাগজপত্র শহিদ নিকট নেই বলে দাবী করেন নাসিরসহ এলাকার অন্যান্যরা যুবক ও যুব সংঘের অন্যান্য সদস্যরা।

সোমবার সকালে ঐ ক্লাব ঘরে ব্যানার টাঙ্গানোয় কারনে শহিদুল ইসলাম সবাইকে মারপিট ও প্রাণনাশের হুমকী দিচ্ছে। সেইসাথে তাদেরকে সায়েস্তা করার জন্য থানায় মামলা করবে বলে শহিদুল ইসলাম হুমকী দিচ্ছে জানান নাসির।

অগ্রদূত ক্লাব সম্পর্কে জানতে চাইলে প্রতিষ্ঠাকালীন সাবেক সভাপতি ও রাসিক ৬নং ওয়ার্ড সাবেক কাউন্সিলর হাসনাত বলেন, ক্লাব তৈরী করার জন্য ১৯৯০ সালে মিজানুর রহমান মিলন দুই কাঠা জমি ষ্ট্যাম্পের উপর সামাজিকভাবে লিখিত করে দেন। সেখানে একটি ঘরও করা হয়। কিন্তু ঐ জমি রেজিষ্ট্রি করা হয়নি বলে জানান তিনি। পরবর্তীতে ক্লাবটি বিভিন্ন কারনে ক্লাবটি সামান্য দুর্বল হয়ে পরলেও ক্লাবের নামে সিমিত আকারে হলেও খেলাধুলা ও সামাজিক নানা কর্মকান্ড পরিচালিত হয়ে আসছে। এই সুযোগ নিয়ে শহিদুল ইসলাম ঘরসহ জোর করে জমিটি দখল করে নেয়। সেই থেকে জমিটি তার বলে মিথ্যাচার করছে। জমিটি উদ্ধার করে আবারও ক্লাবের নামে করে দেয়ার জন্য সিটি মেয়রসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষন করেন।

শেয়ার করুন

আরো নিউজ দেখুন
© All rights reserved © 2021 dailysuprovatrajshahi.com
Developed by: MUN IT-01737779710
Tuhin