নিজস্ব প্রতিবেদক: বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা মাসাউস এর আয়োজনে সামাজিক সম্প্রীতি দিবস পালন করা হয়। মেনোনাইট সেন্ট্রাল কমিটি বাংলাদেশের (এমসিসি) সহযোগিতায় বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় রাজশাহীর পবার দামকুড়ার সিএমইএস মাঠ প্রাঙ্গনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মাসাউস এর নির্বাহী পরিচালক মেরিনা হাঁসদা। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আরএমপি দামকুড়া থানা ইন্চার্জ(ওসি) মাহবুব আলম।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এমসিসি কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ গ্রেগ ভেন্ডার বিল্ড, এমসিসি এর পিচ কো-অর্ডিনেটর বিলন রুগা, পবা উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শিমুল বিল্লাহ সুলতানা, সিএমইএস এর ইউনিট ইনচার্জ ইসমতারা নয়ন, ডাক্তার মোস্তাফিজুর রহমান, প্রধান শিক্ষক মাহবুবুল হক, দামকুড়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নজিবর রহমান, এস ডাবলু সি সিরাজঞ্জ এর ফিল্ড সুপার ভাইজার ইউনুস আলী ও সুপার ভাইজার তারাজুল ইসলাম রয়েল। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন মাসাউস সংস্থার ফিল্ড সুপারভাইজার তরিকুল ইসলাম
সভাপতির বক্তব্যে মেরিনা হাঁসদা বলেন, সামাজিক সম্প্রীতির মূল প্রতিপাদ্য বিষয় হচ্ছে জাতী, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষের স্ব-অবস্থান। ধর্ম, গোত্র ও সংস্কৃতি নিয়ে থাকবেনা কোন হানাহানি দন্দ। তিনি বলেন, বাংলাদেশ একটি অসাম্প্রদায়িক দেশ। সকল ধর্মের মানুষ এক সাথে বসবাস করেন। একে অপরের বিপদে আপদে এগিয়ে আসেন। সেইসাথে ধর্মীয় অনুষ্ঠানগুলো ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সকলেই একসাথে পালন করেন। শুধু তাই নয় ধর্মপালনে ও সংস্কৃতি উদযাপনে একে অপরকে সহযোগিতা করে আসছে। তবে এখনো কিছু ব্যতিক্রম রয়ে গেছে। এ গুলো পরিহারন করার আহ্বান জানান তিনি।

তিনি আরো বলেন, পূর্বে মানুষের মধ্যে সম্পর্কটা গাঢ় ছিলো। সামাজিক শৃংখল এবং সামাজিক বন্ধন সুদৃঢ় ছিলো। আচার অনুষ্ঠান এমনকি পিঠা পায়েশও এক সাথে মিলে মিশে উৎসব করে বছরে অন্তত একবার হলেও খেতেন। কিন্তু এখন সেগুলো আর দেখা যাচ্ছেনা। মানুষ এখন আত্মকেন্দ্রিক হয়ে পড়েছে। এই অবস্থা থেকে বেড়িয়ে আসার আহবান জানান তিনি।
বক্তব্য শেষে অনুষ্ঠানে আগত সকল ধর্মের অতিথিবৃন্দদের আনয়নকৃত পিঠা, পায়েশ ও অন্যান্য পিঠা জাতীয় খাবারগুলো একসাথে সবাই খান। শেষে সবার অংশগ্রহনে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।